September 20, 2018

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে কী ছিল ভারতীয় সেনার সামরিক কৌশল ?

pakk১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি সেনার ইস্টার্ন কমান্ডের আত্মসমর্পণের মধ্যে দিয়ে জন্ম হয়েছিল স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশের – আর সেই বিজয় দিবসের ৪৫তম বার্ষিকী উদযাপিত হবে আগামীকাল শুক্রবার।
একাত্তরের বিজয় দিবসের ঠিক আগের দু সপ্তাহ ধরে চলেছিল তীব্র যুদ্ধ – যার একদিকে ছিল পাকিস্তানি সেনা, আর অন্যদিকে ভারতীয় সেনা আর বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী।
ভারত কীভাবে নিয়েছিল সেই সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি, পাকিস্তানি বাহিনীর তুলনায় কোথায়ই বা ছিল তাদের সুবিধা বা অসুবিধা?
একাত্তরের ৩রা ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনা যখন একযোগে ভারতের মোট এগারোটি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালায়, সঙ্গে সঙ্গে পাল্টা সেনা অভিযানের কথা ঘোষণা করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
ভারতের পূর্ব ও পশ্চিম সীমান্তে পুরাদস্তুর যুদ্ধ শুরু হয়ে যায় সেদিন থেকেই, যদিও তার প্রস্তুতিপর্বটা চলছিল আগের বেশ কয়েক মাস ধরে।
যুদ্ধবিদ্যার বিশেষজ্ঞ ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল দীপঙ্কর ব্যানার্জি বলছিলেন, এই দেরিটা ছিল ইচ্ছাকৃত – কারণ ভারতের তখন তৈরি হওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় দরকার ছিল।
তিনি বলছেন, “মার্চে পূর্ব পাকিস্তানে ক্র্যাকডাউন শুরু হওয়ার পর পরই কোনও সামরিক অভিযানের কথা ভাবাটা সম্ভব ছিল না। সেটা একদিক থেকে ভাল সিদ্ধান্তই আমি বলব, ফিল্ড মার্শাল ম্যানেকশও তখনই অভিযান চালানোর পক্ষে ছিলেন না। মনে রাখতে হবে, ভারতীয় সেনা কিন্তু তার আগে কোনও দিনই পূর্ব পাকিস্তানে যুদ্ধ করতে হবে ভেবে কোনও প্রস্তুতি নেয়নি। ফলে দেরিটা করা হয়েছিল সে জন্যই।”
তখনকার ভারতীয় সেনাপ্রধান স্যাম মানেকশ-ও পরে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ২৭ এপ্রিল ক্যাবিনেট মিটিংয়ের পরই প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তাকে ডেকে বলেছিলেন পূর্ব পাকিস্তানে এই অবস্থা চলছে – ভারত
কেন সেনা অভিযান চালাবে না?
তিনি সটান মিসেস গান্ধীকে জানিয়ে দেন, এখন সেনারা তৈরি নয়, সময় লাগবে। ‘মেমসাহেব’ তাতে রুষ্ট হলেও আপত্তি করেননি, মানেকশ বলেছিলেন প্রস্তুতি শেষ হলেই তিনি সরকারকে জানাবেন।
সেনারা যখন যুদ্ধের প্রস্তুতি আরম্ভ করেছে, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী কিন্তু নিজে তখন দুনিয়াময় ঘুরে কূটনীতির হোমওয়ার্ক করতে শুরু করে দিয়েছেন।
ভারতের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল শঙ্কর রায় চৌধুরীর কথায়, “মার্চে ক্র্যাক ডাউনের পর পরই যখন পূর্ব পাকিস্তান থেকে হুড় হুড় করে শরণার্থীরা ভারতে ঢুকতে শুরু করল, ইন্দিরা গান্ধী তখন বিশ্বের বিভিন্ন রাজধানীতে ঘুরে ঘুরে বলতে লাগলেন – পাকিস্তান যেন তাদের দেশের বাঙালিদের ওপর এই চরম অত্যাচার বন্ধ করে। কারণ এতে ভারতে যে বিপুল শরণার্থীর স্রোত ঢুকছে, সেই ভার বহন করা ভারতের ক্ষমতার বাইরে।”
বিমান ছিনতাইয়ে ভারতের সুবিধে
জেনারেল রায়চৌধুরী তখন ভারতীয় সেনার এক তরুণ মেজর, একাত্তরের যুদ্ধে নিজে লড়েছিলেন খুলনা-যশোর ফ্রন্টে। ডিসেম্বরে আসল যুদ্ধটা যখন শুরু হল, সে সময়কার দুটো ঘটনা ভারতকে খুব সাহায্য করেছিল, বলছিলেন তিনি।
“ঠিক তার আগের বছর ১৯৭০য়ে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন হয়েছিল। রাজ্যে নকশাল আন্দোলন ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার কারণে সে সময় প্রচুর সৈন্য তখন আগে থেকেই মোতায়েন ছিল। যুদ্ধের আগে সেটা ভীষণ কাজে দিয়েছিল।”
“তা ছাড়া আর একটা অদ্ভুত সমাপতন – সে সময় ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের একটা কাঠমান্ডু-দিল্লি ফ্লাইটকে ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল রাওয়ালপিন্ডিতে। পাল্টা ব্যবস্থা নিয়ে ভারত তখন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের ভেতর বিমান চলাচল বন্ধ করে দেয় – অর্থাৎ নিজেদের আকাশসীমা তাদের ব্যবহার করতে দেয় না।”
“ফলে পাকিস্তান ভারী সামরিক সরঞ্জাম, রসদ বা সৈন্যসামন্ত সরাসরি আকাশপথে পূর্বদিকে আনতেই পারেনি, তাদের সে সব পাঠাতে হয়েছিল অনেক ঘুরে শ্রীলঙ্কা হয়ে সমুদ্রপথে!”
তবে পাশাপাশি এটাও ঠিক – ভারতীয় সেনাদেরও কিন্তু নদীমাতৃক বাংলাদেশে লড়ার জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ছিল না।
দীপঙ্কর ব্যানার্জির কথায়, “বাষট্টির পর থেকেই বিশেষ করে ইস্টার্ন সেক্টরে ভারতের প্রায় সব সেনাই প্রস্তুতি নিতেন চীনের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য। মাউন্টেন ওয়ারফেয়ার, হাই অল্টিচিউড লড়াইয়েরই প্রশিক্ষণ নিতেন তারা, অস্ত্রশস্ত্র বা স্ট্র্যাটেজিও সেভাবেই জোগানো হত। সেখানে বাংলাদেশে নদীনালায় ভরা একটা সমতলভূমি, সেই জলময় পরিবেশে যুদ্ধের জন্যও তাদের আলাদা প্রস্তুতি নিতে হয়েছিল।”
কিছুতেই বর্ষাকালে যুদ্ধ নয়
অনেকটা এই কারণেই জুন থেকে অক্টোবর – বর্ষার এই লম্বা সময়টা ভারত চেয়েছিল যে কোনওভাবে যুদ্ধটা ঠেকিয়ে রাখতে। একাত্তরের যুদ্ধের অন্যতম নায়ক লে: জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরাও সে কথা পরে স্বীকার করেছেন, শঙ্কর রায় চৌধুরীও মনে করেন সেই সিদ্ধান্তে যুক্তি ছিল।
“বর্ষাকালে আক্রমণ করাটা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ হত না, কারণ তখন গোটা বাংলাদেশ এক প্রকাণ্ড জলাভূমির চেহারা নেয়। কিন্তু বর্ষার সময়টায় পূর্ব পাকিস্তানের ভেতরে থাকা বিদ্রোহীরা কিন্তু সেখানে থাকা পাকিস্তানি ফৌজের যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি করতে পেরেছিল। পুরো বর্ষাটা তাদের ঘিরে রাখা হল … তারপর যখন বৃষ্টি থামতে চারদিক থেকে তাদের আক্রমণ করা হল, তারা তেমন প্রতিরোধ গড়তেই পারল না – খুব দ্রুত আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হল।”
যুদ্ধটা স্থায়ী হয়েছিল দু সপ্তাহেরও কম। দীপঙ্কর ব্যানার্জি বলছেন, সেটা তেরো দিনের বেশি টানলে ভারত হয়তো চাপে পড়ে যেত – বঙ্গোপসাগরে মার্কিন সেভেন্থ ফ্লিটের আনাগোনাও হয়তো ততদিনে শুরু হয়ে যেত।
“যুদ্ধটা এত তাড়াতাড়ি শেষ হল দুদিক থেকে একযোগে আক্রমণ চালানো গিয়েছিল বলেই। ভেতর থেকে মুক্তিবাহিনী আর বাইরে থেকে ভারতীয় ফৌজ মিলে একসঙ্গে অভিযান চালিয়েছিল বলেই সেটা সম্ভব হল। নইলে ডিসেম্বরে তো আমরা দেখছিলাম, আমেরিকা ও পশ্চিমী দেশগুলো যেভাবে ভারতের ওপর ক্রমশ চাপ বাড়াচ্ছিল তাতে যুদ্ধটা বেশিদিন টানলে আমরা হয়তো কখনওই তা শেষ করতে পারতাম না!”
‘বাইপাসিং স্ট্র্যাটেজি’ আর টার্গেট ঢাকা
কিন্তু যুদ্ধক্ষেত্রে ঠিক কোথায় ফারাক হয়ে গিয়েছিল ভারত আর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর? জেনারেল রায়চৌধুরী বলছেন – সামরিক শক্তি আর কৌশল দুটোতেই!
“প্রথম কথা ওভারহোয়েল্মিং স্ট্রেংথ! সামরিক ক্ষমতায় ভারত অনেক এগিয়ে ছিল। তা ছাড়া ভারতের কৌশলটা ছিল, পাকিস্তানি সেনা যেখানেই শক্ত ঘাঁটি গড়ে ভারতের অগ্রযাত্রাকে রুখতে চাইবে, সেটাকে পাশ কাটিয়ে একরকম সোজা ঢাকার দিকে এগিয়ে যাওয়া। এটাকে বলে ‘বাইপাসিং’।”
“এর ফলে দেখা গেল ঢাকার যখন পতন হচ্ছে, তখন ভারতের পেছনে ফেলে আসা বহু জায়গায় পাকিস্তানি সেনারা তখনও ক্যান্টনমেন্টে আটকে বসে আছে এবং অসহায় আত্মসমর্পণে বাধ্য হচ্ছে!”
খুলনা-চট্টগ্রামের মতো শহরকে এড়িয়ে সরাসরি ঢাকাকে নিশানা করার এই কৌশলের জন্য অনেকে কৃতিত্ব দেন ভারতের আর এক সামরিক স্ট্র্যাটেজিস্ট লে: জেনারেল জেএফআর জেকবকে, যদিও তা নিয়ে বিতর্ক আছে।
কিন্তু এটাও অস্বীকার করার উপায় নেই, একাত্তরের যুদ্ধে পূর্ব ও পশ্চিম সীমান্ত মিলিয়ে ভারতেরও প্রায় বারোশো সেনা প্রাণ দিয়েছিলেন – ফলে লড়াইটা তাদের জন্যও অনায়াস ছিল এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই।
“যদিও ভারতের পরিকল্পনা ছিল পাকিস্তানি সেনার শক্ত ঘাঁটিগুলো এড়িয়ে সোজা ঢাকার দিকে অ্যাডভান্স করা, সেই রাস্তা খোলার জন্য কয়েকটা শক্ত ঘাঁটিতে কিন্তু আক্রমণ চালাতেই হয়েছিল। এর ক্লাসিক উদাহরণ হল হিলি, সেখানে প্রায় সীমান্তের ওপরেই তুমুল যুদ্ধ হয়েছিল – হিলিতে ভারতের বেশ কিছু সৈন্য হতাহত হয়েছিলেন।”
মুক্তিবাহিনীর ভূমিকা
সামরিক ইতিহাসবিদরা সবাই অবশ্য একটা বিষয়ে একমত – পূর্ব পাকিস্তানের অচেনা যুদ্ধক্ষেত্রেও বেশ সহজেই যে ভারত লড়াইটা জিততে পারে, তার পেছনে বিরাট ভূমিকা ছিল স্থানীয় মানুষজন আর মুক্তিবাহিনীর।
“তাদের সবচেয়ে বড় অবদানটা কোথায় ছিল জানেন? ভারতীয় সেনা আক্রমণ করছে, কিন্তু পাকিস্তানি ফৌজ তাদের পশ্চাৎবর্তী এলাকাটাকেও নিরাপদ দেখতে পারছিল না এই মুক্তিবাহিনীর জন্যই। এই যে তাদের সব সময় একটা আশঙ্কা, আমাদের পেছনে কী হচ্ছে, রাস্তা কেটে দিচ্ছে, রসদপত্র আসছে না, সাপ্লাই অ্যামবুশ করে দিচ্ছে – এটা তাদের মনোবল একদম চুরমার করে দিয়েছিল!” বলছেন শঙ্কর রায়চৌধুরী।
মেজর জেনারেল দীপঙ্কর ব্যানার্জিও মনে করিয়ে দিচ্ছেন, পৃথিবীতে যুদ্ধের ইতিহাসে নানা গেরিলা বাহিনীর অসাধারণ কৃতিত্বের সঙ্গেই তুলনীয় মুক্তিযোদ্ধাদের এই লড়াই।
“গ্রিসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্শাল টিটো ও অন্য গোষ্ঠীগুলোও এভাবেই লড়েছিল। কিংবা চীনেও কমিউনিস্ট শক্তিগুলো ও তাইওয়ানের জাতীয়তাবাদী শক্তি একসঙ্গে মিলে এভাবেই লড়েছিল জাপানের নিয়মিত সেনাদের বিরুদ্ধে।”
“তবে এযুগে মুক্তিবাহিনীর ওপর চরম নির্যাতন বা নির্বিচার গণহত্যা সত্ত্বেও তারা যেভাবে মনোবল অটুট রেখে লড়াই চালিয়ে গিয়েছিল তার তুলনা সত্যিই বিরল!”
পাকিস্তানি যুদ্ধবন্দীদের প্রতি আচরণ
১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনার আত্মসমর্পণের মধ্যে দিয়ে যুদ্ধের অবসান ঘটল ঠিকই – কিন্তু ভারতের পার্লামেন্টে ইন্দিরা গান্ধী মনে করিয়ে দিলেন, তাদের দায়িত্ব এখনও শেষ হয়নি।
যুদ্ধের পরে ভারতের প্রধান দায়িত্ব ছিল, হাজার হাজার পাকিস্তানি যুদ্ধবন্দীকে সুরক্ষা দেওয়া। দীপঙ্কর ব্যানার্জি বলছেন, পাকিস্তানি সেনারা বাংলাদেশে যে চরম অত্যাচার চালিয়েছিল তারপর তাদের বাংলাদেশীদের হাত থেকে রক্ষা করাটা ছিল এক বিরাট চ্যালেঞ্জ।
তার কথায়, “দারুণ একটা প্রতিহিংসার সম্ভাবনা ছিল। প্রায় তিপান্ন হাজার পাকিস্তানি সেনাকে যুদ্ধবন্দী করা হয়েছিল, সঙ্গে আরও কিছু বেসামরিক মানুষজন – সব মিলিয়ে একানব্বই হাজার। ভারত যদি এদের প্রত্যেককে নিজের দেশে নিরাপদে ফিরিয়ে না-আনত, তাহলে এদের একজনও হয়তো স্বাধীন বাংলাদেশ থেকে বেঁচে ফিরতেন না!”
শুধু এই পাকিস্তানিদের প্রাণে বাঁচানোই নয় – এই বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবন্দীকে ভারত যেভাবে তাদের প্রাপ্য মর্যাদা দিয়েছিল, সেটার কথা অনেকেই জানেন না, বলছিলেন জেনারেল শঙ্কর রায় চৌধুরীও।
” বাংলাদেশ থেকে প্রথমে গাড়িতে তাদের ভারতে আনা হয়, তারপর ট্রেনে করে এই যুদ্ধবন্দীদের নিয়ে যাওয়া হয় দেশের বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্টে। সেখানে তাদের থাকার জন্য ভারতীয় সেনারা ব্যারাক খালি করে দিয়েছিল, আর তাদের পাহারা দিতে নিজেরা গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিল ব্যারাকের বাইরের তাঁবুতে। খাবারদাবার ছিল পর্যাপ্ত, কারও গায়ে একটা আঁচড় পর্যন্ত লাগেনি, বলা যেতে পারে দারুণ সসম্মানে অতিথির মতো বেশ কিছুদিন রেখে তারপর ট্রেনে করে তাদের সীমান্ত পার করিয়ে দেওয়া হল!”
যুদ্ধের বহু বছর বাদে ফিল্ড মার্শাল মানেকশ একবার বলেছিলেন, পাকিস্তানের যুদ্ধবন্দী সুবেদার মেজরদের ক্যাম্পে গিয়ে তিনি তাদের ভালমন্দের খোঁজখবর নিয়েছিলেন, খাওয়াদাওয়া ঠিকঠাক মিলছে কি না, চৌকিতে ছারপোকা আছে কি না বা মশারি পাওয়া যাচ্ছে কি না ইত্যাদি ইত্যাদি।
আবেগে আপ্লুত সেই শত্রুপক্ষের সেনারা না কি বলেছিলেন তাদের অফিসাররা এক একজন নবাবজাদা, কেউ তাদের ভালমন্দের খোঁজখবর নেয় না – আর আজ তারা বুঝলেন কেন ভারতই শেষ পর্যন্ত যুদ্ধটা জিতেছিল!

Related posts