November 16, 2018

বাংলাদেশের কলেজের নামকরন অনুষ্ঠানে ত্রিপুরার গভর্নর!

নামকরন অনুষ্ঠানে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের গভর্নর শ্রী তথাগত রায়

শেখ হাসান বেলাল,কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়ায় বিপ্লবী বাঘা জতিন’র নামে একটি কলেজের নামকরন অনুষ্ঠানে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের গভর্নর শ্রী তথাগত রায় বলেছেন, আস্তে আস্তে বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে সাংস্কৃতিক মিল আরো সূদৃড় হচ্ছে। এর মধ্যেদিয়ে শুধু বিপবী বাঘাজতিনই নয় ওই সময়ের যে সমস্ত মনীষীদের বাড়ী বাংলাদেশে তারা সবাই দুই দেশেই পূজিত হবে। বাঘা জতিনের নামে এই কলেজ নামকরণ এর একটি উলেখযোগ্য প্রদক্ষেপ। আজ শুক্রবার দুপুরে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া গ্রামে কয়া মহাবিদ্যালয়কে বিট্রিশ বিরোধী বিপ্লবী বাঘা জতিন মহাবিদ্যালয় হিসেবে নাম করন করা ফলক উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় সীমান্তে হত্যার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সীমান্ত হত্যা বলে কিছু নেই। যদি কেউ লুকিয়ে কাগজপত্র নিয়ম কানুন ছাড়াই সীমান্ত অতিক্রম করে তবে তাকে বাধা দেওয়ার অধিকার বিএসএফ’র আছে আবার বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড’রও আছে। সে ক্ষেত্রে তারা যদি উল্টো গুলি ছোড়ে তবে দুএকটা ঘটনা হতেই পারে। কিন্তু একে সীমান্ত হত্যা বলা যাবেনা।

পরে এ উপলক্ষ্যে বিপ্লবী বাঘা জতিনের বাস্তভিটায় প্রতিষ্ঠিত তার নামে নামকরন করা মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তথাগত রায়। স্থানীয় কুমারখালী-খোকসা আসনের সংসদ সদস্য আব্দুর রউফ’র সভাপতিত্বে এ আলোচনায় অংশ নেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক জাহিদ হোসেন জাফর, কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু হেনা মোস্তফা কামাল, কয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম স্বপন, কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি এ্যাড নিজামূল হক চুন্নু প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ১৮৭৯ সালের ৮ ডিসেম্বর’র কয়া গ্রামে জন্ম নেওয়া বিট্রিশ বিরোধী বিপবী বাঘা জতিনই প্রথম ব্রিট্রিশদের বিরুদ্ধে দলবদ্ধ সম্মুখ সশস্ত্র সমরে নের্তৃত্ব দিন। তার বাস্তভিটায় প্রতিষ্টিত কয়া কলেজকে বিপবী বাঘা জতিন কলেজ নামে নামকরনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবী করে আসছিল এলাকাবাসী। অবশেষে এ দাবী পুরুণ হলো।

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন/ডেরি

Related posts