November 21, 2018

বরিশালে পুকুর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ উদ্ধার

hঢাকা::বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (শেবাচিম) রোগীদের বিনামূল্যে বিতরণের বরাদ্দকৃত বিপুল পরিমাণ ওষুধ পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার সকালে হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির স্টাফ কোয়ার্টারের ৩ নম্বর পুকুর থেকে এসব ওষুধ উদ্ধার করা হয়।

তবে ওষুধগুলো সরকারি হলেও সেগুলো শেবাচিম হাসপাতালের জন্য বরাদ্দকৃত কিনা তা নিশ্চিত করে বলতে পারছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এদিকে সকালে ওষুধ উদ্ধারের সময় হাসপাতালের ওষুধ চুরি করে বাসায় মজুদ করে রাখার অভিযোগে শেবাচিম হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী শেফালী বেগম ও তার মাদকাসক্ত ছেলে মামুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

উদ্ধারকৃত ওষুধের মধ্যে রয়েছে- ডাইক্লোফেন ইনজেকশন, সেফট্রিয়াক্সোন ইনজেকশন, জেএমআই সিরিঞ্জ, ডেস্কামেটথাসন সোডিয়াম, লার্ব ৫০+, লুমনা-১০, ডমপেরিডন, ভ্যাসোপিস্ক, থিওফাইনিল, জ্যাসোকাইন জেল, এনক্লোগ প্লাস, এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ ও সালবুটামল ।

কেতোয়ালি মডেল থানার এসআই আবু তাহের জানান, শুক্রবার সকালে তারা কোয়ার্টারের বাসিন্দাদের কাছ থেকে সেখানকার একটি পুুকুরে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ ভাসছে বলে খবর পান। পরে পুলিশ গিয়ে পুকুর থেকে ওষুধগুলো উদ্ধার করে।

তিনি আরো জানান, স্থানীয়দের দেয়া তথ্যানুযায়ী কোয়ার্টারের বাসিন্দা চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী শেফালী আক্তারের ছেলে মামুন বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ওষুধগুলো পুকুরে ফেলেছে। তার আগে বাসার সামনে কিছু ওষুধ আগুনে পুড়িয়ে ফেলে সে। এই তথ্যের ভিত্তিতে শেফালী আক্তারের বাসায় অভিযান চালিয়ে তার বাসা থেকে আরও কিছু সরকারি ওষুধ উদ্ধার করেন তারা। সরকারি ওষুধে মজুদ রাখার অভিযোগে হাপাতালের কর্মচারী শেফালী আক্তার ও তার ছেলে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শেরে-ই বাংলা মেডিকেলের সিনিয়র স্টোর অফিসার (মেডিসিন) ডা. মাহমুদ হাসান জানান, উদ্ধার হওয়া ওষুধগুলো সরকারি। এর মূল্য লক্ষাধিক টাকা। এগুলো শেবাচিম হাসপাতালের রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত কিনা তা কাগজপত্র না দেখে বলা যাচ্ছেনা। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে স্টোরের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

মেডিকেলের পরিচালক ডা. এসএম সিরাজুল ইসলাম বলেন, শেরে-ই বাংলা মেডিকেলের কোন ওষুধ চুরি হয়নি। তবে ওষুধগুলো কোথা থেকে কিভাবে এসেছে তা তদন্ত করা হচ্ছে।

Related posts