November 15, 2018

বটদ্রবার লালুং গাঁওতে নারকীয় ধর্ষন কাণ্ডঃ সারা রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদের ঢল; ধর্ষককে জনতার আদালতে হত্যার দাবী।

আজ আসামের নগাওঁ জেলার বটদ্রবা জিপির লালুং গাঁওতে এক নারকীয় ধর্ষন কাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদের জোয়ার অব্যাহত রয়েছে। সংবাদে প্রকাশ, দুইজন নাবালকের সংগে মিলে একজন বিবাহিত লোক ঐ গ্রামেরই একজন নাবালিকা পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষন করার পর তাঁর গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে এসে পৈচাশিক উল্লাস করে।  এই ঘৄণনীয় কাণ্ডতে লিপ্ত নাবালক দুয়োটার মানসিকতায়ও সবাইকে স্তম্ভিত করেছে। কারন এরূপ ভয়ঙ্কর অপরাধ সংঘটিত করার পর নাবালক দুয়োজন কোন ধরনের অস্বাভাবিকতা প্রদর্শন না করে ঘরের বিছানায় শুয়ে পড়ে; আর এমতাবস্থায়ই পুলিশ এসে দুই লম্পটকে আটক করে।  তবে পৈচাশিক এই ঘটনার নায়ক জাকির হুসেন পলায়ন করতে সক্ষম হয়েছে। প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানান, নাবালিকা ধর্ষিতা এদিন স্কুল থেকে বাড়ী ফিরে ঘরে ঢুকার সংগে সংগে নারক ধর্ষক তিনজনও তাঁর পিছে পিছে এসে ঘরে ঢুকে পড়ে এবং মুখে চাপা দিয়ে ধরে উপর্যুপরি ধর্ষন কাণ্ড শুরু করে।  এসময় ধর্ষিতার দরিদ্র পিতামাতা কেহই ঘরে ছিলেন না।  আগুন লাগিয়ে দেবার পর ঘর থেকে ধোয়া বের হচ্ছে দেখে পাশের বাড়ীর লোকজন এসে দরজা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে ধর্ষিতার গায়ে আগুন জ্বলছে দেখে জল ঢেলে দেয়।

এই ঘটনার উপযুক্ত বিচার চেয়ে স্থানীয় স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা আজ রাস্তা অবরোধ পালন করে এবং দোষীকে জনতার হাতে তুলে দেবার দাবী জানায়।

এদিকে, অসম রাজ্যিক বিধান সভায়ও নারকীয় এ ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন কতিপয় আইন প্রনেতা বিধায়ক।  শাসক দলের বিধায়ক শ্রী অতুল বরা বলেন, “নাহর ফুটুকি বাঘকে যেভাবে ক্ষোব্ধ জনতা দলবদ্ধভাবে নাকে মুখে খোবাই খোবাই হত্যা করে, সেভাবে ধর্ষকদেরকে হত্যা করা হোক।  অপর বিধায়ক শ্রী মৃণাল শৈকিয়া তাঁর ক্ষোভ ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, “তালিবানী তেজ গায়ে থাকা ঘটনার নায়ক জাকির হুসেনকে তালিবানী কায়দায় জনতার আদালতে শাস্তি প্রদান করা হোক।“ আরেক বিধায়ক শ্রী শিলাদিত্য দেব বলেন, “এরূপ নারকীয় ঘটনা কেবল বাংলাদেশী মুসলমানরাই সংঘটিত করতে পারে।“ ওদেরকে গনধোলাইতে নিঃশেষ করে ফেলা হোক।

উল্লেখ্য, অসমে ক্রমবর্ধমান হারে সংঘটিত গনধর্ষনের ঘটনা রুখতে রাজ্য বিধান সভায় নতুন করে আইন প্রনয়নের সময় এসে পড়েছে।  মুসলিমদের নিজস্ব ধর্মীয় রীতি নীতি পালনে ‘মুসলিম পার্সোন্যাল ল বোর্ড রয়েছে।  গতিকে, ধর্ষনের ক্ষেত্রে মুসলিমদের জন্য নতুন করে শাস্তির আইন প্রনয়ন করতে রাজ্য বিধান সভার মাননীয় আইন প্রনেতাদের প্রতি সর্বস্তরের জনতা আহ্বান জানাচ্ছেন।

stop rape

Related posts