September 23, 2018

‘বঙ্গবন্ধুকে যারা নিষিদ্ধ করেছিল তারাই আজ জনগণ কর্তৃক নিষিদ্ধ হয়েছে’

রিপন হোসেন
ঢাকা থেকেঃ
অদ্য ১৪ই আগস্ট, রোজ রবিবার সকাল ১০.০০ ঘটিকায় ঢাকা কাকরাইলস্থ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট-এ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ ৭৫ এর ১৫ই আগষ্টের সকল শহীদদের স্মরণে জাতীয় শোক দিবসে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এর উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী সভাপতির বক্তব্যে বলেন- সেদিন বঙ্গবন্ধুকে যারা নিষিদ্ধ করেছিল তারাই আজ জনগণ কতৃক নিষিদ্ধ হয়েছে। তিনি আরো বলেন- এক সময় রাষ্ট্রীয় প্রচার সংস্থা ও বেসরকারী গণমাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর নাম নেওয়া যেত না। এ সব নিষেধাজ্ঞা পেরিয়ে বঙ্গবন্ধু আজ বাংলাদেশের মানুষের চিন্তা ও মননের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। শোকের মাস আগস্টকে ঘুরে দাড়াবার মাস উল্লেখ করে যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রতীক, সমাজতন্ত্রের প্রতীক, ধর্ম নিরপেক্ষতার প্রতীক। বঙ্গবন্ধু মানেই বাঙালির অফুরান্ত শক্তি। এ শক্তিকে কেউ কোনদিন পরাজিত করতে পারবে না। যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করার পর ১৮ই আগস্ট লন্ডনের একটি বিখ্যাত পত্রিকা বলেছিল, শেখ মুজিব রাষ্ট্রীয় ভাবে জনগনের হৃদয়ে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে। তাদের এই ভবিষ্যত বাণীটি সত্য বলে আজ সুপ্রতষ্ঠিত হয়েছে।

সেদিন সেই ঘাতকরাও জানত যে বঙ্গবন্ধুর সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। তিনি বলেন, দীর্ঘ ৬ দশক ধরে রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল যে মানুষটি তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার মত আর কোন নেতা বাঙালির আশা আকাঙ্খা ধারন করতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে অনন্য দৃষ্টি স্থাপন করেছেন। তিনি কৃষকের ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মাফ করেছিলেন। তিনি যে শিক্ষা নীতি গ্রহণ করেছিলেন তার চেয়ে ভালো শিক্ষা নীতি আজ পর্যন্ত কোন সরকার দিতে পারেনি। এসময় তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমালোচনা করে বলেন-জিয়া ৭৫ এর পরে যুদ্ধাপরাধিদের আবির্ভাব ঘটালেন। তাদের প্রধানমন্ত্রী বানালেন এবং দেশে ফিরিয়ে এনে নাগরিকত্ব দিয়েছিলেন। জিয়া বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধিদের পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছেন আর তার স্ত্রী বেগম খালেদ জিয়া জঙ্গিদের পুনঃপ্রতষ্ঠিত করেছে। তিনি বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের প্রশংসা করে বলেন- বেগম মুজিব ইতিহাসের সাহসী মানুষ। তিনি আমাদের জীবনের একজন অনুকরনীয় দৃষ্টান্তের মানুষ। বেগম মুজিবকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস রচনা করা যাবে না।

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন- যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনুর রশীদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ সামছুল আবেদীন, শহীদ সেরনিয়াবাত, মোঃ ফারুক হোসেন, মাহবুবুর রহমান হিরণ, আব্দুস সাত্তার মাসুদ, আতাউর রহমান, এ্যাড. বেলাল হোসাইন, এ্যাড. মোতাহার হোসেন সাজু, আনোয়ারুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ মহি, মঞ্জুর আলম শাহীন, সুব্রত পাল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক আতিক, আসাদুল হক আসাদ, ফারুক হাসান তুহিন, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কাজী আনিসুর রহমান, মিজানুল ইসলাম মিজু, ড. সাজ্জাদ হায়দার লিটন, শ্যামল কুমার রায়, কেন্দ্রীয় নেতা রওশন জামির রানা, ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, সহ-সভাপতি জাফর ইকবাল, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহদাৎ হোসেন সেলিম, সিদ্দিক বিশ্বাস, মিজানুর রহমান মিজান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সোহরাব হোসেন স্বপন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, সহ-সভাপতি মাইনুদ্দিন রানা, আনোয়ার ইকবাল সান্টু, নাজমুল হোসেন টুটুল, মোরসালিন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বকুল, গাজী সারোয়ার হোসেন বকুল, মাকসুদুর রহমান মাকসুদ প্রমুখ।

Related posts