November 16, 2018

ফুটবল সুপারস্টার থেকে পর্নস্টার!

hhhh

চলতি মৌসুমে দারুণ ছন্দে রয়েছে লেস্টার সিটি। ১৯৯৭ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত এই ক্লাবটির গোলরক্ষক হিসেবে ২১ টি ম্যাচ খেলেছেন পেগ্গুই আরফেক্সাড। এরপর যোগ দেন আরেকটি ইংলিশ ক্লাব লিভারপুলে। অল রেডসদের হয়ে খেলেছেন ২০০৩ সাল পর্যন্ত। লিভারপুলের হয়ে দুটি ম্যাচ খেললেও জিতেছেন ছয়টি ট্রফি।

২০০৫ সালে অলিম্পিক মার্শাইয়ে খেলে ফুটবলকে বিদায় জানান পেগ্গুই। ক্যারিয়ারে বাঘা স্ট্রাইকারদের শট ঠেকিয়ে ছিলেন সুপারস্টার। ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে সুপারস্টার থেকে তিনি বনে যান পর্নস্টার! সম্প্রতি ইংলিশ মিডিয়ায় প্রকাশিত হয় এমনই এক চটকদার খবর।

পেগ্গুইয়ের জন্ম ফ্রান্সের অধ্যুষিত ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ গুয়াদেললোউপে। ২০০৫ সালে ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে চলে যান মাতৃভূমিতে। সেখানে গিয়ে নিজেকে অন্যভাবে উপস্থাপন করেন। বদলে ফেলেন পরিচয় ও স্টাইল। ক্যারিয়ার শুরু করেন একজন হার্ডকোর পর্নস্টার হিসেবে। ব্রিটিশ দৈনিকে ফাঁস হওয়া তথ্যমতে, ‘দ্য স্টপার’ নামে বহু পর্ন সিনেমায় অভিনয় করেছেন গেগ্গুই।

এদিকে মিডিয়ার প্রকাশিত পর্নস্টার হওয়ার খবরকে গুজব বলে উড়িয়ে দেন পেগ্গুই। লিভারপুলের সাবেক গোলরক্ষক বলেন, ‘দেখুন, এটা একটা গুজব। দীর্ঘদিন ধরেই এটা শুনে আসছি। অনেক বছর আগে ইন্টারনেটে একজন ইংলিশ আমাকে টুইটারে প্রশ্ন করেছিল এভাবে, ‘‘হায়, তুমি নাকি পর্ন ফিল্ম বানাচ্ছ?’’

জবাবে আমি লিখেছিলাম, ‘আমি কোনো পর্ন ফিল্ম বানাচ্ছি না। এমন কাজ আমি করি না। আমি একটি স্পোর্টস ইনসুরেন্স কোম্পানিতে কাজ করি। এটাই আমার কাজ।’

সম্প্রতি সেই বিষয়টি নাকি নতুন করে তুলে ধরছে ইংলিশ মিডিয়া। পত্রিকার চটকদার খরব হিসেবেই মিথ্যা তথ্য ছাপা হচ্ছে বলে দাবি পেগ্গুইয়ের। সমালোচকদের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখন থেকে আপনাদের পত্রিকায় লিখুন, আমি (পেগ্গুই) পর্ন ফিল্ম বানাই না। ইনসুরেন্সে কাজ করি। এটাই বাস্তব সত্য!’

Related posts