September 19, 2018

ফুটফুটে ’অহন’ ছেলেটি বাঁচতে চাই

1রাবি প্রতিনিধি: জন্মের পর থেকে আজ অবধি নয়টা বছর ধরে প্রত্যেক মাসে মাসে ডোনারদের কাছ থেকে রক্ত নিয়ে তার মা-বাবা খুলনা- যশোর ছুটাছুটি করে তার জন্য রেডসেল সংগ্রহ করছে। মায়ের বিয়ের গয়না থেকে শুরু করে বাবার জমিজমা সব বিক্রি করা হয়ে গেছে। হাল না ছাড়া এই পরিবারকে শেষমেশ ডাক্তার বলে দিয়েছেন এবার ঠিকঠাক ভাবে চিকিৎসা করাতে না পারলে তাকে বাঁচানো সম্ভব হবে না।
৯ বছরের অহনের কথাই বলছিলাম । জন্মের পর থেকে ৯ বছর বিছনায় কেটেছে। অহন দুরারোগ্য বায়োসাইটোপেনিয়া রোগে আক্রান্ত। প্রতি চাঁর মাস পর পর শরীরের রক্ত পরিবর্তন করতে হয়। কিন্তু এখন তার বন মেরু পরিবর্তন না করতে পারলে আর বাঁচানো সম্ভব নয়। ফেইসবুকে এমনি একটি লেখা দেখার পর অহনকে বাঁচাতে এগিয়ে এসেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগের শিক্ষার্থীরা । ইতোমধ্যে তারা বিভিন্ন বিভাগ থেকে টাকা উত্তোলন শুরু করেছে । সকলের প্রচেষ্টায় ‍যদি ছোট্ট ছেলেটি তার জীবন ফিরে পায় এর চেয়ে ভাল খবর আর কি হতে পারে এমনটাই জানালেন বিভাগের এক শিক্ষার্থী ।

ahan-300x300মোসতাক হোসেন ও শিরোপা পারভিনের একমাত্র সন্তান অহন। অহনের মা একজন গৃহিনী এবং বাবা মাছের ঘেরের একজন কর্মচারী। অহনের বাড়ি খুলনার খালিশ পুরে। দীর্ঘদিন দেশে চিকিৎসার পর ভারতের ব্যাঙ্গালুরের বিজিএস হাসপাতালে অহনকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক বলেছেন বন মেরু পরিবর্তনের করতে হবে। এই বন মেরু পরিবর্তন করতে প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকার মতো খরচ হবে। যার সামর্থ্য অহনের বাবা-মায়ের নেই।
অহনের মা বলেছেন, অহনের চিকিৎসার জন্য এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা ব্যয় করেছি। কিন্তু এখন আর বিক্রি করার মতো কিছুই নেই! আমি কি আর আমার বাবুকে ভালো ভাবে দেখতে পাবো না ! আপনাদের সহযোগিতায় পারে আমার সন্তানকে সুস্থশরীরে আমার বুকে ফিরিয়ে দিতে ।

তাকে অার্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য এই বিকাশ নাম্বারে (পারসোনাল) টাকা পাঠাতে পারেন, ০১৭৯৭১৭০৩০৯

Related posts