September 21, 2018

ফাঁসি কার্যকর; ৪ অ্যাম্বুলেন্স ও র‌্যাবের গাড়ি ভেতরে

৪ অ্যাম্বুলেন্স ও র‌্যাবের গাড়ি ভেতরে

বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে ।

ইতোমধ্যে বিভিন্ন মিডিয়াতে সাকার ফাসি কার্যকরের খবর প্রচার করা হচ্ছে

আগে কার্যকর করা হবে সাকা চৌধুরীর ফাঁসি এবং এর পরে কার্যকর হবে মুজাহিদের ফাঁসি। মুজাহিদের পরিবারের সদস্যরা ভেতর থেকে বের হওয়ার পরই ফাঁসি কার্যকরের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়।

ফাঁসি কার্যকরের পর লাশ আনতে রাত সাড়ে ১২টার দিকে চারটি অ্যাম্বুলেন্স ভেতরে ঢোকে।রাত ১২টার আগে কারাকর্তৃপক্ষের ফাঁসি কার্যকরের প্রস্তুতি থাকলেও শেষ মুহূর্তে দুই অপরাধীর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাদের পরিবারের সদস্যদের দেখা করার অনুমতি দেয়া এবং দীর্ঘ সময় ধরে কথা বলায় পুরো পক্রিয়া বিলম্বিত হয়।

জানা গেছে, দীর্ঘ এক ঘণ্টা ১৬ মিনিট কারাগারের ভেতরে থাকে সাকার পরিবারের সদস্যরা।রাত ১১টার দিকে সাকার পরিবারের সদস্যরা বের হওয়ার পর পরই সাকা চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকরের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু হলেও সব কিছু আটকে যায় মুজাহিদের পরিবারের সদস্যরা ভেতরে থাকায়।

তবে মুজাহিদের পরিবারের সদস্যরা শেষ পর্যন্ত রাত ১২টার ১৮ মিনিটে ভেতর থেকে বের হয়ে আসে।পুলিশি প্রহরায় তারা ধীরে ধীরে কারাচত্বর ত্যাগ করে।এর পরই ফাঁসি কার্যকরের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়।কারাগার থেকে বের হওয়ার পর মুজাহিদের পরিবারের সদস্যরা সাংবাদিকদের বলেছেন, মুজাহিদ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাননি।এর আগে সাকার পরিবারের সদস্যরাও একই দাবি করেছেন।

রাত ১১টার দিকে সাকার পরিবারের সদস্যরা কারাগার থেকে বের হওয়ার পর ভেতরে ঢোকে মুজাহিদের পরিবারের সদস্যরা।

সাধারণ একই দিন দুটি ফাঁসি কার্যকরের ক্ষেত্রে একটির পর আরেকটি ফাঁসি কার্যকর হয়ে থাকে।এর আগেও তাই দেখা গেছে।আজও তার ব্যতিক্রম হবে না।

এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মোহাম্মদ মারুফ হাসান জানান, ‘রাতেই ফাঁসির রায় কার্যকর হচ্ছে বলে আমাদের কাছে তথ্য আছে। আর এ কারণেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।’

তিনি বলেছেন, সাকা ও মুজাহিদের শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাদের গ্রামের বাড়িতে দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এই দুই দণ্ডিতের প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ফাঁসির নির্বাহী আদেশ কেন্দ্রীয় করাগারের দিকে পাঠানো হয়েছে। রাত সোয়া ১০টার দিকে আদেশটি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা রওয়ানা হন।

এরই মধ্যে ফাঁসি কার্যকরের সময় সাধারণ যাদের থাকার কথা সেসব কর্মকর্তাদের সবাই এরই মধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেছেন। তবে রাত সোয়া ১১টার দিকে আইজি প্রিজন বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বেরিয়ে যান।

এসময় সাকা চৌধুরীর সাথে শেষ দেখা করতে আসা তার পরিবারের সদস্যরাও বেরিয়ে যান।

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন/ডেরি

Related posts