September 24, 2018

প্রান্তিক পর্যায়ের খামারীরা পাচ্ছে না সরকারের সুবিধা!

রফিকুল ইসলাম রফিক                   
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ   গরুর মাংসের মূল্য বৃদ্ধি ও এ খাতে সরকারের বিশেষ সুবিধা দেয়াতে জেলায় গবাদি পশু পালন বিগত বছর গুলোর তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ সরকারের জেলা প্রাণী সম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের সেবা থেকে এখনো বঞ্চিত এ জেলার ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের খামারীরা। সোমবার ফতুল্লার খামারী মো: কুকিল একথা জানান।

তিনি বলেন, ভারত থেকে গরু না দেয়াতে গরুর মাংসের মূল্য গত কয়েক বছর যাবত বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার জনসাধারণের আমিষের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে এই খাতে ব্যপক জোর দিয়েছে। ফলে ব্যাংক ঋণের সুবিধা পেয়ে গবাদি পশু পালনে আরো উৎসাহি হচ্ছে খামারীরা। কিন্তু সরকারি প্রাণি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের অবহেলায় তেমন কোন সুবিধা পাচ্ছে না অনেকে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিয়মিত পদের বিপরীতে পর্যাপ্ত লোকবলের অভাব, কর্মীদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ না দেয়া, সেবা প্রদানে মানসিকতার অভাবের কারণে অন্যান্য জেলা থেকে খামারীদের সংখ্যা কম হলেও সেবা থেকে বি ত হচ্ছেন তারা।

সূত্র জানায়, ক্ষুদ্র খামারীদের চেয়ে বড় খামারীদের ক্ষেত্রে চিত্রটা একটু ভিন্ন। প্রাণী সম্প্রসারণ কর্মীদের সেবা অন্যাদের তুলনায় বেশি পেয়ে থাকেন বড় খামারীরা। যদিও সংখ্যার দিক দিয়ে তারা খুব বেশী নন।

জালকুড়ি এলাকার গবাদী খামারী মো: আবুল হোসেন জানান, প্রাণি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের দায়িত্বে মাঠ পর্যায়ে তথ্য প্রধান ও গ্রহণের কথা থাকলেও কোন ধরণের তথ্য ও সেবা দিচ্ছেনা খামারীদের।

অপর এক খামারী মো: রুবেল জানান, মানুষের র্সাদী-কাশি বা জ্বর আসলে যতটাকা না ব্যায় করতে হয় তার চেয়ে বেশি ব্যায় হয় গবাদিপশুর সাধারণ রোগে।

ভেটেনারীনারি সার্জন ডা: কবির উদ্দিন আহমেদ বলেন, যারা গবাদি পশু পালন করে তাদের সকলের সাথেই আমাদের ভালো সর্ম্পক আছে। তাছাড়া আমরাও মাঝে মাঝে খামার গুলোতে গিয়ে দেখে আসি এবং বিভিন্ন সেবা ও তথ্য প্রধান করি।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন ডেরি/১৮ মে ২০১৬

Related posts