December 14, 2018

পাল্টে ভোটের হিসাব নিকাস


বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শক্তিশালী ঘাঁটিতেই বিদ্রোহী প্রার্থী সবচেয়ে বেশি। আর এসব প্রার্থীর একনিষ্ঠ কর্মী-সমর্থক ও ক্যাডারের সংখ্যাও কম নয়
অভ্যন্তরীণ কোন্দল, বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি ও তৃণমূলের সঙ্গে কেন্দ্রের সমন্বয়হীনতায় দেশের বড় দুই দল বিএনপি ও আওয়ামী লীগের ভোটযুদ্ধে জয়-পরাজয়ের কাঙ্ক্ষিত হিসাব-নিকাশ পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে দলীয় ভোট ভাগাভাগির কারণে নিজ নিজ ঘাঁটিতেও আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর ভরাডুবির আশঙ্কা রয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর উপস্থিতিতে যে এলাকায় যে দল বেশি শক্তিশালী, সে এলাকায় সে দলকেই সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে হারতে হবে। একই সঙ্গে ওইসব পৌরসভায় দলীয় সংঘাত-সংঘর্ষ ভয়ঙ্কর রূপ নেবে। কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে তৃণমূলের বিভেদ আরো তীব্র হয়ে ওঠারও আশঙ্কা রয়েছে।
তারা এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শক্তিশালী ঘাঁটিতেই বিদ্রোহী প্রার্থী সবচেয়ে বেশি। আর এসব বিদ্রোহী প্রার্থীর একনিষ্ঠ কর্মী-সমর্থক ও ক্যাডারের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। বরং কোনো কোনো এলাকায় দল মনোনীত প্রার্থীর চেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীর অবস্থান অনেক বেশি সুদৃঢ়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে হাইকমান্ডের সঙ্গে দূরত্ব থাকার কারণে এসব জনপ্রিয় নেতা দলীয় মনোনয়ন পাননি। তাই ওইসব এলাকায় দল মনোনীত প্রার্থীর ভরাডুবি অনিবার্য বলে মনে করেন অভিজ্ঞ নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা।
তাদের এ আশঙ্কা যে অমূলক নয়, তা বিএনপি-আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী-সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা জানান, বিএনপি-আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর বেশকিছু এলাকার নির্বাচনী স্রোত সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারায় বইছে। দলের নিবেদিতপ্রাণ অনেক নেতাকর্মী বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে অনানুষ্ঠানিক প্রচারণা চালাচ্ছেন। মনোনয়ন বঞ্চিত অনেকে স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ না দিলেও তাদের কেউ কেউ বিরোধী দলের প্রার্থীর পক্ষে দলেবলে গোপন সমর্থন দিচ্ছেন। তাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দল সমর্থিত ও সাধারণ ভোটারদেরও অনেকে সুর বদল করেছেন।
এদিকে মুখে বড়াই করলেও খোদ ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থীরাও বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন। ঢাকা, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তত এক ডজন মেয়রপ্রার্থীর সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের ভাষ্য, দলীয় ব্যানারে পৌর নির্বাচন হলেও এতে স্থানীয় প্রভাবই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। স্থানীয় নেতাকর্মী-সমর্থকরাও দলের চেয়ে ব্যক্তিকে বড় করে দেখছেন।
অন্যদিকে বিদ্রোহী প্রার্থী ও তাদের সহযোগীদের তোড়জোড়ে দলীয় হাইকমান্ডও বিব্রত। আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা জানান, বিদ্রোহী প্রার্থীদের দল থেকে বহিষ্কারের ভয় দেখিয়েও দমানো যায়নি। এর কারণ হিসেবে তারা মনে করেন, অতীতেও জাতীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে বিভিন্ন নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হলেও পরে তা কার্যকর হয়নি। ফলে অনেকেই বহিষ্কারের বিষয়টিকে সেভাবে গুরুত্ব দিচ্ছেন না।
দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ বলেন, কিছু পৌরসভায় বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। তারা থাকলে দলীয়প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে। বিদ্রোহীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করানোর জন্য সাংগঠনিক সম্পাদকদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা কথা বলে চেষ্টা করছেন। বিদ্রোহীদের বুঝিয়ে-সুঝিয়ে বসিয়ে দেয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তবে আওয়ামী লীগের একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থীর অভিযোগ, দলের কেন্দ্র থেকে মনোনীত প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরনের কূটকৌশল প্রয়োগ করছে। নির্বাচন কমিশনকে হাতের মুঠোয় রেখে বিদ্রোহী প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। যেসব তুচ্ছ অজুহাতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, দলের মনোনীত অনেক প্রার্থীরই এসব ভুল-ভ্রান্তি রয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
এদিকে শুধু আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরাই নয়, বিএনপি মনোনীত ও বিদ্রোহী বিপুলসংখ্যক মেয়রপ্রার্থীও একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন। তাদের ভাষ্য, যেসব পৌরসভাতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর অবস্থান দুর্বল, ওইসব এলাকায় দলের বিদ্রোহী ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বেশি বাতিল করা হয়েছে। এ কারচুপির বিষয়টি এখন ‘ওপেন সিক্রেট’ বলেও দাবি করেন তারা। যদিও নির্বাচন কমিশন এ অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের প্রথম দিন শনিবার দেশের বিভিন্ন পৌরসভায় ৩৯ জন মেয়রপ্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এদের মধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনীত ১ ও ৫ বিদ্রোহী প্রার্থী, বিএনপি মনোনীত ৪ ও ১৩ বিদ্রোহী প্রার্থী এবং ১৬ স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী রয়েছেন।
অন্যদিকে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দ্বিতীয় দিনে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২৩ মেয়রপ্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে সিলেটে ৬, মৌলভীবাজারে ১, গোপালগঞ্জে ২, টাঙ্গাইলে ১, নরসিংদীতে ২, কিশোরগঞ্জে ২, নোয়াখালীতে ১, কুড়িগ্রামে ২, নওগাঁয় ২, বাগেরহাটে ১ ও বরগুনায় ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। দ্বিতীয় দিনে মনোনয়নপত্র বাতিলকৃত প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনীত ০ ও ৫ বিদ্রোহী প্রার্থী, বিএনপি মনোনীত ৩ ও ২ বিদ্রোহী প্রার্থী এবং ১২ জন স্বতন্ত্র ও জাপাসহ বিভিন্ন ছোট দলের মেয়রপ্রার্থী রয়েছেন। হলফনামায় তথ্য গোপন, স্বাক্ষর না থাকা, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রত্যয়নপত্র না থাকা, ঋণখেলাপি হওয়াসহ বিভিন্ন কারণে তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে বলে কমিশন দাবি করেছে।
এদিকে বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে ভোটের হিসাব-নিকাশ পাল্টে যাওয়ার চিত্রও এখন বিভিন্ন পৌরসভাতে স্বরূপে উন্মোচিত হচ্ছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনাসহ প্রায় তিন ডজন পৌরসভার অবস্থা সবচেয়ে বেশি আলোড়িত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামে আসন্ন ১০টি পৌরসভা নির্বাচনে ৮টিতে বিএনপি একক প্রার্থী নিশ্চিত করলেও দুটিতে তিনজন বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় দলের একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন হেলাল উদ্দীন। দলের মনোনয়ন না পেয়ে সাবেক পৌর মেয়র উত্তর জেলা বিএনপি নেতা নুরুল আমিন তালুকদার এবং বিএনপি সমর্থক মফিজুল ইসলামও মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। পটিয়ায় দক্ষিণ জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক তৌহিদুল আলম দলীয় মনোনয়ন পেলেও বিএনপি নেতা ইব্রাহীম সওদাগর বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
অন্যদিকে চট্টগ্রামের তিনটিতে বিদ্রোহ ঠেকাতে পারেনি আওয়ামী লীগ। রাঙ্গুনিয়ায় একজন এবং রাউজান ও সীতাকু-ে দু’জন করে চারজন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
রাউজানে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দেবাশীষ পালিত মেয়র পদে মনোয়নপত্র জমা দিয়েছেন। একই পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র শফিকুল ইসলাম চৌধুরী বেবীর ছেলে সাইফুল ইসলাম চৌধুরী রানা এবং পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আনোয়ারুল ইসলামও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, উপজেলা আওয়ামী লীগ বর্ধিত সভা করে বেবীর নাম মেয়র পদে চূড়ান্ত করেছিল। এমপির সমর্থনের পর উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের নেতারাও তার নাম চূড়ান্ত করে কেন্দ্রে সুপারিশ পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ সময়ে দেবাশীষ পালিতই কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন নিয়ে আসেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে দু’জন বিদ্রোহী প্রার্থীকে মাঠে নামানো হয়েছে বলে রাউজানের বাসিন্দাদের মধ্যে আলোচনা আছে।
একইভাবে সীতাকু-ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বদিউল আলমের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বর্তমান পৌর মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা অবসরপ্রাপ্ত নায়েক শফিউল আলম এবং পৌর আওয়?ামী লীগের সহ-সভাপতি সিরাজউদ্দৌলা ছুট্টু মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
রাঙ্গুনিয়া পৌরসভায় উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শাহজাহান সিকদার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তবে মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক কামরুল ইসলাম চৌধুরীও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
এদিকে সুনামগঞ্জের স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, সেখানকার চার পৌরসভাতেই আওয়ামী লীগের শক্তিশালী অবস্থান থাকলেও বিদ্রোহী প্রার্থী থাকার কারণে ছাতক ও জগন্নাথপুরে দল মনোনীত প্রার্থীদের গো-হারার সম্ভাবনা রয়েছে।
ছাতকে দলীয়প্রার্থী আবুল কালাম চৌধুরীকে চ্যালেঞ্জ করে সাবেক পৌর চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহিদ মজনু নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন।
অন্যদিকে জগন্নাথপুরে তৃণমূলের মনোনীত প্রার্থী সাবেক পৌর চেয়ারম্যান মিজানুর রশিদ ভূঁইয়াকে বাদ দিয়ে নতুন প্রার্থী হাজী আব্দুল মনাফকে মনোনয়ন দেয় কেন্দ্র। তবে বঞ্চিত এ প্রার্থী কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত মেনে নিলেও স্থানীয় বিদ্রোহ দমন করতে পারেনি আওয়ামী লীগ। এ পৌরসভায় যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ নেতা শাহ নূরুল করিম মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন। তার সঙ্গে মিজানুর রশিদের একান্ত সহযোগীদের অনেকেই গোপনে হাত মিলিয়েছেন। তারা তার পক্ষে অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণাও চালাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী রাজু আহমেদকে গোপন সমর্থন দিচ্ছেন।
খুলনা বিভাগের ২৯টি পৌরসভায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগের ৪৩ জন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। এতে দু’দলেরই ভোটযুদ্ধে জয়-পরাজয়ের হিসাব-নিকাশ পুরোপুরি পাল্টে গেছে।
খুলনা বিভাগে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা হলেন- পাইকগাছায় শেখ কামরুল হাসান টিপু, শেখ আনিছুর রহমান মুক্তা, চালনায় ড. অচিন্ত্য কুমার ম-ল, বাগেরহাট সদরে মিনা হাসিবুল হাসান শিপন, কলারোয়ায় আরাফাত হোসেন, যশোর সদরে এস এম কামরুজ্জামান চুন্নু, চৌগাছায় এস এম সাইফুর রহমান বাবুল, বাঘারপাড়ায় আবদুর রউফ, মনিরামপুরে জি এম মজিদ, নওয়াপাড়ায় ফারুক হোসেন ও ওলিয়ার রহমান, নড়াইল সদরে সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, হাসানুজ্জামান, আলমগীর হোসেন, আঞ্জুমান আরা, কালিয়ায় এমদাদুল হক টুলু, শেখ লায়েক হোসেন, কুষ্টিয়ার মিরপুরে আতাহার আলী, কুমারখালী জাকারিয়া খান, খোকসায় আল মাসুম মোরশেদ, আলাউদ্দিন পিন্টু, চুয়াডাঙ্গায় ওদায়দুর রহমান, দর্শনায় আলী মুনসুর, জীবননগরে জাহাঙ্গীর, রফিকুল ইসলাম, মাগুরায় মাহবুবুল আকবর, শাখারুল ইসলাম সাকিল, ঝিনাইদহের শৈলকুপায় তৈয়বুর রহমান খান, মেহেরপুরের গাংনীতে আশরাফুল ইসলাম, শাহানা ইসলাম সান্ত্বনা।
বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীরা হলেন_ সাতক্ষীরা সদরে ফারুক খান মিঠু, বাঘারপাড়ায় আবু তাহের সিদ্দিকী ও ইফতেখারুল আলম লিটন, নওয়াপাড়ায় মশিয়ার রহমান, কেশবপুরে আলমগীর কবির, কুষ্টিয়া সদরে বশিরুল আলম, সামিউল হামান, মিরপুরে সাইফুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, ভেড়ামারায় শামিম রেজা, চুয়াডাঙ্গা সদরে মজিবুল হক, দর্শনায় নাহারুল ইসলাম, ঝিনাইদহের মহেশপুরে হামিদুল ইসলাম খান চুন্নু, মেহেরপুরে গাংনীতে আসাদুজ্জামান বাবলু।

Related posts