November 19, 2018

পরাজিত হয়ে বাড়ি ভাংচুর লুটপাটঃ আহত ৬


স্টাফ রিপোর্টার,
ঝিনাইদহ থেকেঃ
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ছত্রভাঙ্গা গ্রামে মেম্বর নির্বাচনে পরাজিত হয়ে স্থানীয় এক আওয়ামীলীগ ভোটারদের বাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে। এতে ১০টি বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। এ সময় লুৎফর রহমান ও শাহাবুদ্দীনসহ ৬ জন গ্রামবাসি আহত হন।

অন্যদিকে মীর্জপুর ইউনিয়নের যাদবপুর ও হুদামাইলমারী গ্রামেও বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়ি ঘরে হামলা চালানো হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যাক্ষদর্শী গোলাম হোসেন জানান, শনিবার ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বর পদে নির্বাচন করে পরাজিত হন আওয়ামীলীগ নেতা আকমল হোসেন।

তিনি ভোট পান ৪৪৪টি। বিজয়ী প্রার্থী আব্দুল মজিদ মন্ডল তিনিও আওয়ামীলীগের সমর্থক। তিনি ৫৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তিনি আরো জানান, ফলাফর ঘোষনার পর ভোট কেন্দ্রে থেকে সমর্থকদের নিয়ে পরাজিত প্রার্থী আকমল হোসেন ঢুকে পড়েন ছত্রভাঙ্গা গ্রামে। তার সাথে যোগ দেন চরধলহরা ও কাশিনাথপুর গ্রামের আরেক পরাজিত মেম্বর প্রার্থী আব্দুর রশিদ ওরফে দুধসর।

এই দুই পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকরা মিলে হামলা চালায় বিজয়ী প্রার্থী আব্দুল মজিদ মন্ডলের সমর্থকদের বাড়িঘরে। তারা ছত্রভাঙ্গা গ্রামের উজির আলী, ছিয়ামত হোসন, শাহাবুদ্দীন, গোলাম হোসেন ও জামালসহ ১০ জনের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট চালায়।

এ সময় বাড়ি ভাংচুরে বাধা দিতে গেলে একই গ্রামের লুৎফর রহমান ও শাহাবুদ্দীনসহ ৬ জনকে পিটিয়ে আহত করা হয়। একই উপজেলার মীর্জপুর ইউনিয়নের যাদবপুর ও হুমামাইলমারী গ্রামে বিজয়ী প্রার্থী বাবুলের লোকজন হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর করেছে।

এ সময় তার যাদবপুর গ্রামের আফাঙ্গীর হোসেন, আব্দুর রহমান, লুৎফর সরদার, হুদামাইলমারী গ্রামের কামরুজ্জামান লিটন, মোতালেব হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেন ও মিলনের বাড়িঘর ভাংুচর ও লুটপাট করা হয়। বিজয়ী প্রার্থী বাবুলের পক্ষে ভোট না করার অপরাধে এই তান্ডব চালানো হয়। এ নিয়ে হুদামাইলমারী ও যাদবপুর গ্রামে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা ফিরে আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঝিনাইদহের আরো কিছু খবর………

ঝিনাইদহে ভোটের রাজনীতিতে মেরুকরণ না অশনি সংকেত ?

ঝিনাইদহের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে নতুন মেরুকরণ সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক বোদ্ধাদের মতে এটা মেরুকরণ না অশনি সংকেত তা এখনই বলা যাচ্ছে না। জেলার ৬৫টি ইউনিয়নে ভোটারদের মতামত দেওয়া দেখে চুলচেরা বিশ্লেষন করে দেখা গেছে, নৌকা ও ধানের শীষের প্রতিকে ভোটাররা বিভক্ত হয়নি।

বরং সামাজিক দল ঠেকাতে ধানের শীষ মার্কার কট্রোর সমর্থকরা ভোট দিয়েছেন নৌকায়। সেই সাথে জামায়াতের ভোটও নৌকার প্রার্থীরা পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। কোন কোন ক্ষেত্রে নৌকার সমর্থকরা আনারসে ভোট দিয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত মানেন নি। ফলে দলীয় ভাবে যে স্থানীয় পরিষদের নির্বাচন হয় না তা প্রমানিত হয়েছে। সেই সাথে জাতীয় প্রতিকের নির্বাচন গ্রামে গ্রামে পাড়া মহল্লায় চরম ভাবে বিভেদ সৃষ্টির পথ সুগোম করেছে। শনিবার শৈলকুপার ১৪টি ইউনিয়নে নির্বাচন হয়েছে।

নির্বাচনে ১১টি ইউনিয়নে নৌকা ও ৩টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, মীর্জপুর ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন আবু বক্কার সিদ্দিকী বাচ্চু নামে এক ব্যক্তি। তিনি নিজেই শেষমেষ হাল ছেড়ে দিয়ে ভোট করেছেন আনারসে। আনারসের প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনকে আওয়ামী ঘরনার মনে করা হয়। তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হেয়েছেন। অন্যদিকে নৌকার প্রার্থী ছিলেন ফিরোজ আহম্মেদ। নৌকা প্রতিকে তিনি নির্বাচন করলেও তার দলীয় লোকজন ভোট কেরেছন স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারসে।

আবাইপুর ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী রফিকুল ইসলাম স্বতন্ত্র প্রার্থীতে বিলীন হয়েছেন। তিনি হেলাল উদ্দীন বিশ্বাসকে সমর্থন দিয়েছেন। ওই ইউনিয়নে জামায়াত ও বিএনপি সবাই ভোট করেছেন আনারস প্রতিকে। শুধু শৈলকুপায় নয় এমন দৃশ্য। মহেশপুর, হরিণাকুন্ডু, কালীগঞ্জ ও ঝিনাইদহ সদর ইউনিয়নেও বিএনপি জামায়াত যেমন নৌকায় বিলীন হয়েছে, তেমনি নৌকার সমর্থকরা বিলীন হেয়েছেন আনারস প্রতিকে। এ সব নিয়ে এখন চায়ের দোকান আর মাঠে ময়দানে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। জেলা বা উপজেলা নেতারা অন্য হিসাব কষলেও গ্রামে বসবাসরত নেতা কর্মীরা কিন্তু ঘরবাড়ি ছেড়ে ঝড়ে জঙ্গলে পালাতে চাননি। চাননি মিথ্যা মামলায় জেলের ঘানি টানতে।

এমন কথা সরল ভাবে জানালের হরিণাকুন্ডুর আড়–য়াকান্দি গ্রামের এক কৃষক। তিনি জানালেন, বরাবরই তরা বিএনপির কট্রোর সমর্থক। কিন্তু শান্তির জন্য রাসেলকে তারা ভোট দিয়েছেন। রাসেল আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ভোট করে রঘুনাথপুর ইউনিয়নের নির্বাচিত হয়েছেন। সেখানে ফেল করেছেন নৌকার প্রার্থী মুনছুর আলী মন্ডল। তিনি অভিযোগ করেছেন টাকা খেয়েও তার পক্ষে আওয়ামীলীগের সমর্থকরা কাজ করেনি নি। সাধুহাটী ইউনিয়নের জামায়াত নেতারা কোমর বেধে ভোট করেছেন নৌকার পক্ষে। কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নেও একই দৃশ্য চোখে পেড়েছে। এই ইউনিয়নে বিএনপির দুর্বল প্রার্থী থাকায় সমর্থকরা নৌকা ও আনারস প্রতিকে বিভক্ত হয়েছিল। এ ভাবে হাজারো নজীর সৃষ্টি হয়েছে এবারের ইউপি নির্বাচনে। এই নজীর কি শুধুই সামাজিকতা নাকি ভবিষ্যতের জন্য অশনি সংকেত ?

ভোটকেন্দ্রে অবৈধ প্রবেশের কারণে সাত আওয়ামী লীগ কর্মীর জরিমানা!

ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা জেলার উমেদপুর ইউনিয়নের বারোইপাড়া কেন্দ্রে অবৈধভাবে প্রবেশের দায়ে আওয়ামী লীগের ৭ কর্মীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। শনিবার দুপুরে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা এসিল্যা- ওসমান গণি এই আদেশ দেন।

শৈলকুপায় বিএনপির ৩ প্রার্থীর ভোট বর্জন !

ঝিনাইদহে ষষ্ঠ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার তিনটি ইউপিতে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচন বর্জন করেছেন।

জালভোট প্রদান, অনিয়ম ও কেন্দ্রে আসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে শনিবার (০৪ জুন) বেলা ১১টার দিকে কবিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন তারা।

এরা হলেন, ধলহরাচন্দ্র ইউপি বিএনপির প্রার্থী আব্দুল বারী মোল্লা, হাকিমপুর ইউপির নজরুল ইসলাম ও মনোহরপুর ইউপির আবুল হোসেন বিশ্বাস।

শৈলকুপায় ইউপি নির্বাচনে আ.লীগ ১০, স্বতন্ত্র ৪

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার চৌদ্দটি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে দশটিতে আওয়ামী লীগ, চারটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

ষষ্ঠ দফায় শনিবার (০৪ জুন) সন্ধ্যায় ভোট গণনা শেষে ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার জাহাঙ্গীর আলম হোসেন সাংবাদিককে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ঝিনাইদহের শৈলকুপার উপজেলার নিত্যানন্দপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জিল্লুর রহমান, তপন বিশ্বাস, উমেদপুর ইউনিয়নে সাব্দার মোল্লা, সারুটিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত মামুন হোসেন, ফুলহরি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত জামিনুর রহমান বিপুল, হাকিমপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ মনোনীত জিকু শিকদার, ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ মনোনীত মতিয়ার রহমান বিশ্বাস, দুধসর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত সোয়েব আলী জোয়ার্দ্দার, বগুড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নজরুল ইসলাম বিশ্বাস, কাঁচেরকোল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত সালাউদ্দীন মামুন জোয়ার্দ্দার, মনোহরপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত  আরিফ রেজা মুন্নু এবং ত্রিবেনী ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী জহরুল হক খাঁন, মির্জাপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন, আবাইপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী হেলাল উদ্দীন বিশ্বাস ও নিত্যানন্দপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারুক হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।

অবশেষে স্ব:স্তি ফিরেছে শৈলকুপার ১৪টি ইউনিয়ন

ভোটের আগে যেমনটি মনে করা হয়েছিল, তা হয়নি। পুলিশ বিজিবি ও র‌্যাবের টহল জোরদার থাকায় কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ভোট শান্তিপুর্ন হয়েছে। নির্বাচনে আওয়ামীলীগ ১১টি ও তিনটি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে। তবে কিছু ইউনিয়নে জাল ভোট প্রদান ও কেন্দ্র দখলের চেষ্টা, ভোট কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট দিতে বাধা ও নির্বাচন বর্জনের ঘটনা ঘটেছে।
ভোটের আগে শৈলকুপার বিভিন্ন ইউনিয়নে সংঘর্ষ লেগেই থাকতো। ধারণা করা হচ্ছিল ভোটের দিন হয়তো রক্ত গঙ্গা বয়ে যাবে। কিন্তু সব আশংকা মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে। পুলিশ ও জেলা প্রশসনে ফিরেছে স্বস্তি। বিশেষ করে জেলা প্রশাসক মাহবুব আলম তালুকদার ও পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনের কঠোর ভুমিকায় নির্বাচনে কোন সংহিংস ঘটনা ছাড়াই জেলার ৬৫টি ইউনিয়নে নির্বাচন সম্পন্ন করতে পেরেছে।

তবে ত্রিবেনী, উমেদপুরসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে সহিংস ঘটনার ক্ষেত্র তৈরী হলেও পুলিশ ও ভ্রাম্যমান আদালতের তড়িৎ হস্তক্ষেপে হয়নি। ভোটাররা জানিয়েছেন তারা শান্তিপুর্ন পরিবেশ ও বিনা বাধায় ভোট দিতে পেরেছেন।

এদিকে নির্বাচনের পরিবেশ নেই এমন অভিযোগ তুলে ভোটের একদিন আগে নৌকার প্রার্থী মুক্তার আহম্মেদ মৃধা ভোট বর্জন করেন। ভোটের দিন শনিবার বেলা ১১টার দিকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া, ভোটারদের নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করা ও ভয় ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে বিএনপির তিন প্রার্থী ভোট বর্জন করে। নির্বাচন বর্জনকারী চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নে বিএনপির আবদুল বারী, হাকিমপুর ইউনিয়নে মোঃ নজরুল ইসলাম জোয়ার্দার এবং মনোহরপুর ইউনিয়নে আবুল হোসেন বেলাল।

তবে নির্বাচন কমিশন বলছে তারা ভোট বর্জনের কোন কাগজ পায়নি। এদিকে বিকালে উমেদপুর ইউনিয়নের বারইপাড়া কেন্দ্রে জাল ভোট প্রদানের চেষ্টা কালে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর ৭ সমর্থককে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যজিষ্ট্রেট ওসমান গনি। নির্বাহী ম্যজিষ্ট্রেট ওসমান গনি জরিমানা করার খবর নিশ্চিত করেন। তিনি আরো জানান, বারইপাড়া ভোটকেন্দ্রে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাদের জরিমানা করা হয়। বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে শৈলকুপার বসন্তপুর কেন্দ্রে বাবা সেকেন্দার আলী মোল্লার পক্ষে জাল ভোট প্রদানের জন্য লোক জড়ো করতে থাকে ছাত্রলীগ নেতা শামছুজ্জামান তুহিন।

এ সময় পুলিশ লাঠি চার্জ করলে তুহিন আহত হন। তাকে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া কাচেরকোল, উমেদপুর ও ত্রিবেনী ইউনিয়নের বিভিন্ন কেন্দ্রে জাল ভোট ও প্রভাব বিস্তারের পরস্পর অভিযোগ করেন আওয়ামীলীগ ও একই দলের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থীরা। ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, “ভোট কেন্দ্রে অনিয়মের ব্যাপারে আমরা লিখিত ভাবে কোন অভিযোগ পায়নি। তাই বলা যায় ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে”।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/রিপন/ডেরি ৫ মে ২০১৬

Related posts