September 24, 2018

পরকিয়া প্রেমে বাধাঁ দেওয়ায় স্বামীকে হত্যা!

আল-মামুন,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ  অবশেষে পুলিশী দুরদর্শী অভিযানে আটক হলো গুইমারা খুন হওয়া সেই অজ্ঞাত লাশের মুল পরিকল্পনাকারীসহ ৫ জন। পরিচয় মিলার পর বেড়িয়ে এলো হত্যার আসল রহস্য। পরকিয়া প্রেমের পথে বাঁধা হয়ে দাড়ানোর ফলে খুন করা হলো প্রবাস ফেরত মোমিনুল হক।

এ ঘটনার মুল পরিকল্পনাকারী স্ত্রী রাবেয়া বেগম (৩৪) কে সোমবার রাতে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যে মঙ্গলবার সকালে রামগড়ের চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা-সাইফুল ইসলাম (২২),গুইমারার বাসিন্দা ফিরোজ (২৪),আবুল কালাম (২৩) বাবুল (৪৫) রামগড়,গুইমারা ও ফেনীতে অভিযান চালিয়ে আটক করে পুলিশ।

সহকারী পুলিশ সুপার মো: কাজী হুমায়ুন রশিদ এর নেতৃত্বে পুলিশ জড়িতদের আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে রামগড় এএসপি সার্কেল জানান,  সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে খুনের সাথে জড়িকদের আটক করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ভাকে ধারণা এ হত্যাকান্ডে পারিবারিক কলহ ও অর্থ-নৈতিক কারনে ঘটে থাকতে পারে বলে তিনি জানান। পুলিশ জানায়, আটকের পর খুনির মুখের স্বীকারোক্তিতে- প্রবাস ফেরত স্বামী মোমিনুল হক ও তার  স্ত্রীর মধ্যে জগড়া হতো।

এদিকে বিশ্বস্থ একটি সূত্র জানায়, প্রেমিকসহ রাবেয়া স্বামীকে খুনের পরিকল্পনা করে। ঘাতকদের মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ের মাধ্যমে ভাড়া করা হয়। এক পর্যায়ে পরিকল্পনা মতো ৩ ফেব্রুয়ারী গুইমারার কবুতরছড়ায় এলাকায় নিহতের গলাকাটা লাশ পাওয়া যায়।

নিহতের নাম মোমিনুল হক। সে রামগড়ের পূর্ব চৌধুরীপাড়ার মৃত রবিউল হোসেন সওদাগরের ছেলে। চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারী সৌদি আরব যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ী ত্যাগ করেন। এর পর থেকে সে নিখোঁজ হয়। ২০০১ সালে ইসলাম ধর্মের বিধান মতে রাবেয়ার সাথে মোমিমুল হকের বিয়ে হয়।

তার সাংসারে ৯ বছর বয়সী মো: আলী নামের এর ছেলে ও রহিমা আক্তার নামের ১৪ বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছে। নিহতের মোমিনুল হক ৬ ভাই, ৩ বোনের মধ্যে সবার বড়। এ দিকে মোমিনুল হকের হত্যার ঘটনায় জড়িতদের  দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করেছে নিহতের স্বজনরা।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন ডেরি/৩ মে ২০১৬

Related posts