September 24, 2018

নেপালে কম্যুনিষ্ট প্রচন্ড প্রধানমন্ত্রী এবং নয়া পরিস্থিতি

আবু জাফর মাহমুদ
কম্যুনিষ্ট পার্টির প্রধান পুস্প কমল প্রচন্ডকে নেপালের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করা হয়েছে।বিপুল ভোট পেয়ে ফিরে এসেছেন তিনি।এই নির্বাচনে নেপালি কংগ্রেস,সঙ্ঘীয় গাঁথাবন্ধন,মাধেসী জনধিকার ফোরাম-লোকতান্ত্রিক,রাষ্ট্রীয় প্রজাতান্ত্রিক পার্টি সহ অন্যান্য কয়েকটি দল তাকে সমর্থন দিয়েছে। জাতীয় সংসদে ৫৭৩টি আসনের মধ্যে ৩৬৩টি ভোট ছিলো প্রচন্ডকে বিজয়ী করার পক্ষে।বলা চলে পুনরুত্থানকে স্বাগতঃ ব্যাপক জানানো হয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয় রাজনৈতিক সমর্থনে।
চীনপন্থী এই রাজনৈতিক নেতাকে প্রধানমন্ত্রী করে তার সাথে একযোগে উন্নয়ন ধারায় একাট্টা থাকার এই ধারা আঞ্চলিক রাজনীতির প্রশ্নে নেপালের নতুন হিসেবের ইঙ্গিত হতে পারে।যেমন ভারত বাংলাদেশ নিয়ে নিয়েছে চীন নেপালকে বাহুডোরে বেঁধেছে।দুই বড়শক্তি দুই দিকে হাত আগলে ছোটকে টেনে নিলেও চীনা নীতি এক্ষেত্রে ভারতের তূলনায় সম্পুর্ণ বিপরীত।নেপালকে সমৃদ্ধ করে স্থায়ী জোটবদ্ধতাতেই চীনের লক্ষ্য স্থির হয়েছে।

৮ই আগষ্ট এই সাবেক বিপ্লবী কম্যুনিষ্ট নেপালের ২৪তম প্রধানমন্ত্রিত্বের শপথ নিলেন।তার এই পুরস্কারের পেছনে রয়েছে সংঘাত থেকে নেপালকে শান্তিতে তুলে আনার নেতৃত্বের প্রতি যথার্থ সমর্থন।ঐক্যবদ্ধ রাজনীতি জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় জনগণকে যেভাবে আশান্বিত করেছে তাতে নয়া সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে বলা যায়।এভাবে চীন-নেপালের জোটের ঐক্যবদ্ধ ধারা হিমালয় অঞ্চলের অনাবিস্কৃত সম্পদে চীনা কর্তৃত্বের পথ আরো বিস্তৃত হয়ে গেলো।এক্ষেত্রে নেপালে ভারতীয় আধিপত্য খর্ব হয়েছে বলে নেপালে অস্থিরতা বাড়ানোর জন্যে আত্নঘাতি (sabotage) ততপরতা দেখা দেবার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।

বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ নেপাল গণতান্ত্রিক কাঠামো বিনির্মানে অগ্রসরের পথ নিয়েছে ঠিক ঠাক ধারায়।রাজতন্ত্র উৎখাত করে বহুদলীয় গণতান্ত্রিক রাজনীতি চালুর গণবিদ্রোহে পুস্প কমল দহল প্রচন্ড ছিলেন বিপ্লবের অধিনায়ক।প্রচন্ড হচ্ছেন মাওপন্থী কম্যুনিষ্ট।

রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্ব নেন তিনি।২০০৮সাল। মাওবাদী এই বিপ্লবী রাজনীতিবিদের জনপ্রিয়তার উচ্চতায় উদারপন্থী এবং ডানপন্থীরা ছিলেন ঈর্ষাপরায়ন।লোভী প্রতিক্রিয়াশীল রাজনৈতিক পক্ষের কাছে তিনি সন্ত্রাসী,জনতার কাছে তিনি ত্রাণকর্তা,বিপ্লবী নেতা।আত্নঘাতি প্রতিবেশী বিশাল প্রভাবশালী ভারতের গোয়েন্দা এবং অন্যান্য নেটওয়ার্কগুলো তৎপর হলে নয়া বাস্তবতায় বিপ্লবীরা বিভ্রান্ত হয়।আশাহত হয় নেপালি জনগণ।বিব্রত হয় প্রচন্ড।ক্ষমতাচ্যুত হতে হয় নেতাকে।

নয়া বাস্তবতায় প্রচুর ছাড় দিতে হয় আত্নত্যাগী এই রাজনীতিক ও তার দলকে।হজম করতে হয় সরকারী নাজেহাল, বিব্রত হতে হয় জনতার সামনে।ক্ষত বিক্ষত হতে হয়।

আন্তকোন্দলে।সংঘাতময় সমাজে অস্থির নেপালি রাজনীতি আবার হয় উত্তপ্ত।নেপালের জনসংখ্যা ২৮,৮৫০,৭১৭জন।৫৬৮২৭ বর্গমাইলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ও সম্পদের এক অপূর্ব অথচ দরিদ্র অনুন্নত দেশ নেপাল।

উত্তরে চীনের তিব্বত এবং বাকি ৩দিক থেকে ভারতীয় ভূমিবেষ্টিত নেপালে ভারতীয় প্রভাব চলে চলে এসেছে প্রচীনকাল থেকে।জনসংখ্যার প্রায়ই ৯০%শতাংশের বেশী হিন্দু।দুনিয়ার একমাত্র হিন্দু রাষ্ট্র নেপালে ভারতীয় একচেটিয়া ভারতীয় প্রভাব স্পষ্ট।দেশে নেপালি মুদ্রার পাশাপাশি ভারতীয় মুদ্রা রুপী সচরাচর ব্যবহার হয়ে থাকে।

নেপালে রাজনৈতিক দল রয়েছে প্রচুর। তন্মধ্যে বিবেশশীল নেপালি দল, কম্যুনিস্ট পার্টি অব নেপাল (ইউনাইটেড মার্ক্সিষ্ট), জনমুক্তি পার্টি অব নেপাল, লিবারেল সমাজবাদি পার্টি,লীগ নেপাল শান্তি একতা পার্টি,লোকতান্ত্রিক জনতা পার্টি,নেপাল।মঙ্গল ন্যাশান্যাল অরগানাইজেশান হচ্ছে আলোচিত রাজনৈতিক দল।ভারত এবং তিব্বতের মধ্যে পর্বতে ঘেরা এই নেপালে বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চ মাউন্ট এভারেষ্ট অবস্থিত।এই দেশে নেপালি ছাড়াও অনেক ভাষাভাষি ও ভিন্ন ভিন্ন জাতির অস্তিত্ব আছে।

১৯২৩সালে বৃটেন নেপালের স্বাধীনতা মেনে নেয়।১৮৪৬ থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত নেপাল শাসিত হয় রানা পরিবারের মাধ্যমে।প্রধানমন্ত্রীর শাসিত এই রাষ্ট্রে গণতন্ত্র দেখা গেছে বহু আগে থেকেই।কিন্তু ১৯৫১ সনে মাহেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ ক্ষমতা দখল করে।নিজেকে রাজা ঘোষণা দিয়ে শাসনতান্ত্রিক মোনার্কি চালু করেন ১৯৫৫সনে। ১৯৭২সনে রোগাক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান।
তারপর ২৬বছর বয়সী তরূণ বীরেন্দ্র ক্ষমতায় আরোহন করে ১৯৭২সনে। ১৯৯০ সনে গনতন্ত্রের আন্দোলনের জোয়াড়ে রাজা বীরেন্দ্র রাজনৈতিক দলের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে বাধ্য হন।

উদার গণতন্ত্রী নেপালি কংগ্রেস পার্টি ১৯৯১সনে জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠণ করেছিলো।সে সময় কম্যুনিষ্ট প্রচণ্ডরা নিজেদের শক্তি প্রদর্শনে সক্ষম হয়।উত্থানের উত্তাপ দেখায়।তারা আকারে ক্ষুদ্র হলেও বাড়ন্ত গেরিলা শক্তিরূপে আত্নপ্রকাশের খবর ছড়াতে ভালই সক্ষম হয়।তাদের স্পষ্ট লক্ষ্য ঘোষণা দেয় রাজতন্ত্র উচ্ছেদের।গেরিলা হামলা চালু করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে।সশস্ত্র অভিযানে রাজনৈতিক সমর্থন কাড়তে সক্ষম হতে থাকে।

১৯৯৬ সনে তারা ঠিকই জনতার নজরে আসে। ২০০১ সনে ১লা জুন রাজা বীরেন্দ্র গুলিবিদ্ধ হন তার ছেলের অস্ত্রে। তার চেলে ক্রাউন প্রিন্স দিপেন্দ্র।নিজের বিয়ের প্রশ্নে পারিবারিক মতবিরোধ দেখা দেয়ার পরিস্থিতিতে ঘটে এই হত্যাকান্ড।এই হত্যাকান্ডে সে তার মা এবং পরিবারের আরো কজনকে হত্যা করে। তারপর নিজে আত্নহত্যা করে।তারপর তার অপর ভাই বীরেন্দ্র রাজ মুকুটে অভিষিক্ত হন।

ইতিমধ্যে নেপালে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়তে বাড়তে ২০১১ সনে ২৯মে শাসনতান্ত্রিক সংকট উত্তরনের জন্যে একটা কঠিন সময় চলে আসে।মাওবাদীরা প্রকৃতই ফ্যাক্টর হয়ে যায়।তাদেরকে সহিংসতা থেকে বের করার জন্যে ব্যাকুল হয় রাষ্ট্র পক্ষ।অতঃপর নেপালি জাতীয় সংসদ একটা চূড়ান্ত অধ্যায় রচনার জন্যে প্রস্তুত হয়। ১৯০০০ উনিশ হাজার মাওবাদী গেরিলা যারা ক্যাম্পে বসবাস করছিলো তাদের দাবি দাওয়া নিষ্পত্তির জন্যে একটা স্থায়ী সমাধানে যেতে সবাই হয় উদ্গ্রীব।তবুও যেনো গণতন্ত্র ও রাজনীতিকে নিরস্ত্র করা যায়।

সবার আন্তরিক সক্রিয়তায় উদ্যোগ সফলও হয়।আসে সমঝোতা।সমঝোতা হবার পর রাজনীতির চেহারা পালটে যায়।নতুন বাস্তবতায় অসংগতি ও নানা বিষয়ে মত প্রার্থক্য থাকার পরও রাজনীতিবিদ ও জনগণ সমাজের সকল অংশকে রাজনৈতিক ও মানবিক অধিকারের আওতায় আনার জন্যে এগোয়।নেপালের আইনে অন্তর্ভূক্ত করা হয় এল জি বি টি আই (LGBTI)।এই ধারাটিতে স্বীকার করে নেয়া হয় (gender)বিষয়ক অধিকার।এই অধিকারকে আইনে রূপান্তরে সব পক্ষ সম্মত হয়।এই আইনটি সংক্ষেপে লেসবিয়ান,গে, বাইসেক্সুয়াল,ট্রান্সজেন্ডার এবং ইন্টারসেক্স(এল জি বি টি আই)।

হিন্দু অধ্যুষিত এই সনাতন সমাজে এই নতুন আইনের জন্যে অবশ্যই কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিলো অনেক। ২০০৭সনে সুপ্রীম কোর্টে দায়ের করা এক আইনের উপর বিচারকের রায়ের প্রেক্ষিতে এই আইনের পক্ষে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ হয়েছিলো।পরবর্তী বছর জাতীয় নির্বাচনে সুনিল বাবু প্যান্টই প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

নেপালে হিন্দু রাজতন্ত্র উচ্ছেদের পর জনগণের রাজনীতির পথ সুগম হয়েছিলো।গণঅধিকারের এই কৃতিত্ব ছিলো মাওবাদীদের এবং প্রকৃতপক্ষে মানবিকঅধিকারের পক্ষের মহান জনগণের।তারপর থেকে নতুন নতুন অভিজ্ঞতার পথ ধরে দারিদ্রতা ও পিছিয়ে থাকা রাজনীতির চোরাগলি থেকে মুক্তির রাজনীতির পিচ্ছিল পথ ধরে এগোয় দরিদ্র নেপালের জনগণ।প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের টানে দুনিয়ার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষদের ভ্রমনের খরচ থেকে পাওয়া তহবিল ছাড়া নেপালে বেশী কিছু কি আছে?

তাদের দেশে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ভারতের জন্যে নামমাত্র মূল্যে পাঠিয়ে দেবার চুক্তি করা আছে।নিজেরা আঁধারে থেকেও বড় শক্তি ভারতকে খুশী রাখতে হয়ে আসছে নেপালি জনগণের।নেপালের রাজধানী কাঠমন্ডু। কাঠমন্ডুর রাস্তায় বিদ্যুৎ নেই। আলো দেখা যায়না রাতে।দিনের সূর্যের আলোতেই বেশীর ভাগ নেপালি রাতের খাবার সেরে নেয়। পর্বতের দেশের এই মানুষদেরকে প্রকৃতির মতোই সরল দেখেছি সব সময়।মানুষের সরল আচরণ সারা নেপালেই দেখেছি। তাদেরকে প্রতারণা করা শোষকদের জন্যে কখনো কঠিন হয়নি।

বৃটিশ সাম্রাজ্যের সামরিক শক্তি যেই নেপালিদের মাথা নত করাতে পারেনি।যেই গুর্খা সেনাদের ভয়ে ত্রটস্থ ছিলো দুনিয়ার রাজাদের। সেই গুর্খার দেশ নেপাল হয়ে আসছে ভারতের আর্থি উপ্নিবেশ। নেপালে নেপালি মুদ্রার সাথে ভারতীয় মুদ্রার প্রচলণ করতে বাধ্য করা হয়েছে।অনেক স্থানে কেবলমাত্র ভারতীয় মুদ্রায় চলে বিনিময়।এই নেপাল একদিনে বা রাতারাতি প্রবর্তন হবেনা।অনেক সঙ্ঘাতের পথ দিতে হবে পাড়ি।

ভূটানে রয়েছে ভারতের দুই ডিভিশন সৈন্য।ভূটান থেকে বাংলাদেশ যেখানে ভারতের কলোনী হয়ে আছে। নেপাল কি পারছে ভারতীয় থাবার বাহিরে যেতে?

প্রচন্ড প্রধানমন্ত্রী হলেই কিন্তু নেপালের রাজনীতির বদল হয়ে গেলোনা।ক্ষমতায় চড়ে বসার সাথে সাথেই পরিবর্তন সম্ভব নয়।সমাজের সুদীর্ঘ ঐতিহ্যের সাথে রয়েছে নতুন পুরাতনের সম্পর্কের চ্যলেঞ্জ।এতে কিছু বিষয়ে মিলন হয়।কিছু বিষয়ে বাড়ে উৎকণ্ঠা।পুরাতন ধারা সহজেই নতুনকে মেনে নিতে প্রস্তুত থাকেনা।মুখ ঘুরিয়ে রাখে।নতুনরা থাকে শক্তিশালী।তাই দাপটের ধরণ থাকে ধারালো।বিজয় ব্যাতীত অন্যকিছু তারা গ্রহন করতে চায়না।

তবে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় কিছুটা ধৈর্য্যের সাথে গ্রহনযোগ্য মিলনাত্নক আচরণ প্রতিপক্ষকে মানিয়ে নিতে সহযোগীতা করে।নয়া প্রধানমন্ত্রীর লড়াই এবং কাষ্টকর জীবনের অভিজ্ঞতা,খেটে খাওয়া ও দিনমজুর,সর্বহারা এবং নিঃস্বদের জীবন ধারায় মানিয়ে চলার অভিজ্ঞতার সাথে তার রয়েছে ক্ষমতার সর্বোচ্চ আসনে আসা এবং তা থেকে চক্রান্তের খেলায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে বিরোধীদলে ফিরে যাবার।তার সাথে রয়েছে আভ্যন্তরীণ কোন্দলের মুখে দলের বিভক্তিরও।তাই এবার তাকে তূলনামূলক স্মার্ট বা আত্নবিশ্বাসী দেখা যেতে পারে।অতিরিক্ত আত্নবিশ্বাসী হয়ে আশপাশের মতো একনায়ক অথবা লুটেরা হবার সম্ভাবনাও আছে উজ্জ্বল।
কিভাবে নেপাল কম্যুনিষ্ট পার্টির ভাগ্যে এই সুযোগ আসলো?তা নিয়ে কথা হওয়া দরকার।

গত অক্টোবরে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী কেপি অলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন নো-কনফিডেন্স বা অনাস্থা ভোটে হার মানার পর।উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কম্যুনিষ্ট পার্টি উদ্যোগ নেয় আলোচনার।চেষ্টা চলে সমর্থন আদায়ে।রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী ভান্ডারি ২৫জুলাই ২০১৬ সংসদের সকল দলের কাছে একজন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের জন্যে চিঠি পাঠান।

শোনা যায়,গত বুধবার থেকে সংসদ এই ব্যাপারে তৎপর হয়ে ওঠে।এতে কম্যুনিষ্ট নেতা পুস্প কমল ডাহাল(প্রচন্ড)আশা করছেন তিনিই প্রধান মন্ত্রী হবেন।সবচেয়ে বড় বিরোধী দল ভারতপন্থী কংগ্রেস সহ প্রায়ই সব দলের ভোট পেয়েই তিনি প্রধানমন্ত্রী হলেন।এই ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা আপাততঃ নিষ্কৃয় হবে।ভারতের সাথে ব্যালেন্স করেই যতদিন সম্ভব প্রচন্ডের প্রধানমন্ত্রিত্ব চলবে।এদিকে আমেরিকার হিসেব বাদ দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা চলেনা।এই পরশক্তি সামনের দিনগুলোতে হয়ে উঠতে পারে আরো সরাসরি।চীনের পাশে নেপালে আমেরিকার কোন তৎপরতা নেই ভাবা যায়না।আমরা প্রতিবেশী দেশে শান্তির শান্তির আশা করি।

(লেখক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও চেয়ারম্যান,বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সংসদ,কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল)।

Related posts