September 20, 2018

নেত্রকোনায় ঐতিহাসিক নাজিরপুর যুদ্ধ দিবস

সাত শহীদের মাজার-2

নেত্রকোনা প্রতিনিধি: ২৬জুলাই নেত্রকোনার কলমাকান্দায় ঐতিহাসিক নাজিরপুর যুদ্ধ দিবস। ১৯৭১ সালের ২৬ জুলাই নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার সীমান্তবর্তী নাজিরপুরে পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখযুদ্ধ হয়। এতে সাত মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। প্রতিবছর শহীদদের উদ্দেশ্যে যথাযথভাবে দিবসটি পালিত হয়।

শহীদ মুক্তিযোদ্ধারা হলেন নেত্রকোনার আবদুল আজিজ ও মো. ফজলুল হক, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার মো. ইয়ার মামুদ, ভবতোষ চন্দ্র দাস, মো. নূরুজ্জামান, দ্বিজেন্দ্র চন্দ্র বিশ্বাস ও জামালপুরের মো. জামাল উদ্দিন। নাজিরপুরের অদূরে ভারত সীমান্তসংলগ্ন লেঙ্গুরা এলাকায় তাঁদের সমাহিত করা হয়। নেত্রকোনাসহ বৃহত্তর ময়মনসিংহের মুক্তিযোদ্ধারা প্রতিবছর দিনটিকে ঐতিহাসিক নাজিরপুর যুদ্ধ দিবস হিসেবে পালন করে আসছেন।

সাত শহীদের মাজার

দিবসটি উপলক্ষে এ বছর বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা ও কলমাকান্দা উপজেলা ইউনিট কমান্ড দিনব্যাপী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। জেলা কমান্ডার নূরুল আমিন বলেন, সকাল সাড়ে ১০টায় নাজিরপুর স্মৃতিসৌধে এবং দুপুর ১২টায় লেঙ্গুরায় সাত শহীদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ ছাড়া বাদ জোহর লেঙ্গুরা জামে মসজিদে এবং একই সময়ে স্থানীয় মন্দির ও গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে লেঙ্গুরা উচ্চবিদ্যালয় মাঠে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ ও আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সাংসদ ছবি বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি জেলা প্রশাসক মো. মুশফিকুর রহমান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রশান্ত কুমার রায়, পুলিশ সুপার জয়দেব চৌধুরী, ১১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাঈদ হোসেন, নেত্রকোনা পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী খান, মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক মাহবুবুল হক চিশতী, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মো. ফকরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা চন্দন বিশ্বাস প্রমুখ। এবারও বৃহত্তর ময়মনসিংহের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা এসব অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

Related posts