November 16, 2018

নেইমার-সুয়ারেজে বার্সার জয়

প্রথম গোলের পর নেইমারের সঙ্গে সুয়ারেজের হাইফাইভ
প্রথম গোলের পর নেইমারের সঙ্গে সুয়ারেজের হাইফাইভ

ঢাকা: ক্যারিয়ারে চারটি ক্লাবের বিরুদ্ধে গোল করা হয়নি লিওনেল মেসির। এর মধ্যে লাস পালমাস ছিল একটি। শনিবার লা লিগায় বার্সেলোনার মুখোমুখি হয়েছিল বার্সা। সবার চোখ ছিল মেসির দিকে, এই ক্লাবের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত গোল পান কি না আর্জেন্টাইন ফুটবল সুপারস্টার। ম্যাচ শেষে হতাশ সবাই, গোলের দেখা পাননি মেসি। তবে দল জিতেছে। সুয়ারেজ ও নেইমারের গোলে লাস পালমাসকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে লা লিগায় শীর্ষস্থান পাকাপোক্ত করেছে লুইস এনরিক শিবির।

সেই সঙ্গে টানা ৩২ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ডও গড়ল বার্সা। ২৫ ম্যাচে ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে তালিকায় শীর্ষে বার্সেলোনা। ২৪ ম্যাচে ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে সেখানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। আর ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে তালিকায় তৃতীয় স্থানে রিয়াল মাদ্রিদ।

পালমাসের মাঠে ম্যাচের ছয় মিনিটেই লিড নেয় বার্সেলোনা। জর্ডি অ্যালবার ক্রস থেকে খুব সহজেই গোলটি করেন লুইস সুয়ারেজ। স্প্যানিশ লা লিগায় সুয়ারেজের একটি সর্বোচ্চ ২৫তম গোল।

তবে লিডটা বেশীক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি বার্সা। ঘরের মাঠে খেলতে নামা লাস পালমাস এর মিনিট চারেক পরই ম্যাচে সমতা আনে। জোনাথন ভিয়েরার ফ্লিকে উইলিয়ান জসের শট পরাস্ত করে বার্সা গোলরক্ষক ক্লদিও ব্রাভোকে। স্কোর লাইন তখন ১-১।

১৪ মিনিটে আবারো এগিয়ে যেত পারত বার্সেলোনো। এবারও মেসি-সুয়ারেজের রসায়ন। তবে অফসাইডের বাঁশি পড়ায় তা সম্ভব হয়নি। তবে মিনিটখানেক পরই গোল পেয়েই যাচ্ছিল স্বাগতিক পালমাস। জোনাথন বল বাড়িয়ে দিয়েছিলেন মমোর দিকে। তবে ততক্ষণে এগিয়ে আসে জর্ডি অ্যালবা। মমোর শট হয় লক্ষ্যভ্রষ্ট।

২৭ মিনিটে গোলের সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন সুয়ারেজ। চমৎকারভাবেই সুয়ারেজের দিকে বল বাড়িয়ে দিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। কিন্তু সুয়ারেজের নেয়া হেড চলে যায় পোস্টের অনেক বাইরে দিয়ে। এরপর বল পজিশনে বার্সার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আগায় লাস পালমাস।

তবে ৩৯ মিনিটে লিড নেয় বার্সেলোনা। এবার গোলদাতা ব্রাজিলিয়ান সুপার স্টার নেইমার। দানি আলভেসের পাসে দ্রুতই বল নিয়ে ঢুকে পড়েছিলেন সুয়ারেজ। তবে অফসাইডের আশঙ্কায় কাটব্যাক করেন। মেসির পা থেকে বল চলে যায় নেইমারের কাছে। গোল দিতে ভুল করেননি নেইমার (২-১)। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে গোলের অন্তত আরও দুটি সুযোগ এসেছিল বার্সার সামনে, কিন্তু হয়নি।

দ্বিতীয়ার্ধে বার্সার বল পজিশন ছিল বেশ ভালো। তবে সমান তালে লড়েছে লাস পালমাসও।  তবে এই অর্ধে গোল পায়নি কোন দলই। বার্সা বেশীরভাগ সময়ই আক্রমণে গিয়ে ধরা খেয়েছে অফসাইডের ফাঁদে পড়ে। অন্যদিকে গোল হজম না করে এই অর্ধে দুরন্ত রক্ষণভাগের পরিচয় দিয়েছে পালমাস।

Related posts