November 15, 2018

“নিহত রাবি শিক্ষক জঙ্গিদের বিরাগভাজন ছিলেন”

রাজশাহী: দুর্বৃত্তদের হাতে ‍খুন হওয়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এএফএম রেজাউল করিম সিদ্দিকী জঙ্গি সংগঠনের বিরাগভাজন হতে পারেন বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন মহানগর পুলিশের ডিসি (পশ্চিম) একেএম নাহিদুল ইসলাম। এ ক্ষেত্রে এক সময়ে রক্তাক্ত জনপদ নামে পরিচিত বাগমারা উপজেলার দরগাবাড়ি গ্রামের বিষয়টিও মাথায় রাখছে পুলিশ। কারণ নিহত শিক্ষক ওই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

তবে নিহত শিক্ষকের ছোট ভাই শরিফ ইসলাম জানান, মুক্তমণা ও সাংস্কৃতিক প্রেমিক মানুষ ছিলেন  অধ্যাপক ড. এএফএম রেজাউল করিম সিদ্দিকী। গ্রামে তিনি নিরীহ মানুষ হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। তিনি যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তা গ্রামের মানুষ বুঝতেই পারতেন না। তার কোনো শক্র ছিল না।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের ডিসি (পশ্চিম) একেএম নাহিদুল ইসলাম জানান, রাবি শিক্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সব বিষয় মাথায় রাখছে হচ্ছে। অধ্যাপক ড. এএফএম রেজাউল করিম সিদ্দিকীর বাড়ি বাগমারায়। তিনি গ্রামের বাড়িতে একটি গানের স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এতে তিনি বিভিন্ন ধরনের জঙ্গি সংগঠনের বিরাগভাজন হতে পারেন বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

নিহত শিক্ষকের প্রশংসা করে তিনি আরও জানান, অধ্যাপক ড. এএফএম রেজাউল করিম ব্যক্তি জীবনে  সাদাসিদে মানুষ ছিলেন। একদিকে তিনি যেমন সাংস্কৃতিক মনাও ছিলেন অন্যদিকে তিনি নিয়মিত নামাজও পড়তেন। ধর্ম বিদ্বেষি কোনো কাজ তিনি করতেন বলে এমন কোনো সংবাদ পুলিশের কাছে নেই।

Related posts