November 18, 2018

নিত্যপণ্য পরিবহনেও ট্রানজিট সুবিধা চায় ভারতীয়রা


ঢাকাঃ নিত্যপণ্য পরিবহনেও বাংলাদেশের কাছে ট্রানজিট সুবিধা চায় ভারতীয়রা। এ জন্য বাংলাদেশ সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগের জন্য ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আট রাজ্য।

সিকিমসহ ওই আট রাজ্যের ভোক্তাদের শীর্ষ সংগঠন ‘দ্য ফেডারেশন অব নর্থ ইস্টার্ন কনজিউমার অর্গানাইজেশন’ (ফনেকো) এ দাবি জানিয়েছে। খবর দ্য ইন্ডিয়ান টাইমস।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাত রাজ্য ও সিকিম দেশটির মূল ভূখণ্ড থেকে এক প্রকার বিচ্ছিন্ন। এ কারণে মূল ভূখণ্ড থেকে ওই আটটি রাজ্যে নিত্যপণ্য পরিবহন ব্যাহত হয়। সম্প্রতি ওই অঞ্চলের আসাম ও ত্রিপুরার মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী জাতীয় মহাসড়কটি একেবারেই ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ত্রিপুরা।

ফনেকোর মতে, আসাম ও ত্রিপুরার সংযোগকারী মহাসড়কটির জরাজীর্ণ অবস্থাই এ অঞ্চলে পণ্য পরিবহনের সবচেয়ে বড় সংকট। এ সমস্যা নিরসনে তারা দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে কার্যকর ও ত্বরিত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মহাসড়কটি সংস্কারের পাশাপাশি বাংলাদেশের কাছ থেকে ট্রানজিট সুবিধা আদায়ে চাপ প্রয়োগের দাবি এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। সম্প্রতি এ-সম্পর্কিত একটি স্মারকলিপিও তারা প্রধানমন্ত্রীর হাতে দিয়েছে।

স্মারকলিপিতে ওই অঞ্চলের মহাসড়কের জরাজীর্ণ অবস্থার কথা তুলে ধরে বলা হয়, দুই রাজ্যের (আসাম ও ত্রিপুরা) জন্য ওই মহাসড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা ব্যবহার অনুপযোগী। ফলে বিশেষত ত্রিপুরার ব্যবসা-বাণিজ্যে পড়ছে ভয়াবহ নেতিবাচক প্রভাব।

আগরতলার কনজিউমারস লিগ্যাল প্রটেকশন অ্যাসোসিয়েশনের (সিএলপিএ) প্রেসিডেন্ট অমৃত লাল সাহা বলেন, আসাম-ত্রিপুরা জাতীয় মহাসড়কটি যেভাবে দেখভাল করা প্রয়োজন ছিল,

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা করেনি। এটি সংস্কার করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ত্রিপুরার সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে নিত্যপণ্য পরিবহনে ট্রানজিটের অনুমতি দিতে কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত দেশটির (বাংলাদেশের) সরকারকে চাপ প্রয়োগ করা।

সিএলপিএ আসামের সেক্রেটারি অজয় হাজারিকা বলেন, ত্রিপুরা খাদ্য ও জ্বালানির যে সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তার জন্য দায়ী মহাসড়কটির এ করুণ অবস্থাই। নিত্যপণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে আসামের করিমগঞ্জের কাছে আটকে থাকতে হয়। এদিকে জ্বালানি তেলের অভাবে ত্রিপুরার অধিকাংশ পেট্রল পাম্প এরই মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সব নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী ধারায় রয়েছে।অনলাইন বাংলা

Related posts