September 20, 2018

নাঙ্গলকোটে অস্ত্রের মহড়া ও ভোট বর্জনের মধ্য দিয়ে নির্বাচন সম্পন্ন<<আহত অর্ধশতাধিক


মো. আলাউদ্দিন,
কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ
ষষ্ঠ দফা ইউপি নির্বাচনে গতকাল শনিবার কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ব্যাপক সহিংসতা, গুলিবর্ষণ, ককটেল বিস্ফোরণ, ব্যালট পেপার ছিনতাই, জাল ভোট প্রদান, কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেয়া, অস্ত্রের মহড়া ও ভোট বর্জনের মধ্য দিয়ে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। বিভিন্ন কেন্দ্রে সংঘর্ষ ও পুলিশের গুলি ও লাঠিচার্জে অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। আহতদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশংকাজনক।

ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার পরপর কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দিয়ে জোর পূর্বক নৌকা প্রতীকে প্রকাশ্যে সিল মারা, জাল ভোট প্রদানসহ ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ এনে পেড়িয়া ইউপির বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী এড. আবুল বাশার সকাল ১১টায় নির্বাচন বর্জন করেছেন।

এদিকে নির্বাচন চলাকালীন সময় হেসাখাল ইউপির হেসাখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই ইউপি সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংর্ঘষ বাঁধে। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ গুলি চালালে ৫ জন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়। এছাড়া একই ইউপির দায়েমছাতি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই ইউপি সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালে ইউপি সদস্য প্রার্থী শহিদুল্লাহ ভূঁইয়াসহ অন্তত ১৫জন আহত হয়।

অপরদিকে পেড়িয়া ইউপির শ্রীফলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সংঘর্ষ, হামলা-পাল্টা হামলা ও ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনায় ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। এসময় পুলিশের লাঠিচার্জে উপজেলা আ,লীগ নেতা ও পেড়িয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হামিদসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়। একই ইউপির পেড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বহিরাগত সন্ত্রাসীরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি করে।

শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও উত্তর শাকতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই ইউপির সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় কেন্দ্র দুটিতে সাময়িকভাবে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। এতে আহত হয় অন্তত ১৫ জন।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/রিপন/ডেরি ৫ মে ২০১৬

Related posts