September 25, 2018

না’গঞ্জে বিএনপির রাজনীতি দল নয় ভাই বড়

রফিকুল ইসলাম রফিক
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
নারায়ণগঞ্জ বিএনপির রাজনীতিতে এখন দল নয় ‘ভাই’ বড় হয়ে দাড়িয়েছে। অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দলের রাজনীতি করেন না। তারা ভাইয়ের রাজনীতি করেন। ভাইয়ের নামে মিটিং মির্ছিলে তারা ভাইয়ের নামে শ্লোগান তুলে মুখে ফ্যানা তুলে ফেলেন। কর্মীরা তার ভাই ছাড়া অন্য কোন নেতার নেতৃত্ব মানতে চায়না। তারা ভাইয়ের নির্দেশে সিনিয়র নেতাদের হেনস্তা করা কিংবা অপদস্থ করা কিংবা কটাক্ষ করতেও দ্বিধাবোধ করে না।

নারায়ণগঞ্জ বিএনপিতে বেশ ক’জন ভাই রয়েছেন যারা বিএনপির বিভিন্ন বলয়ের নেতৃত্ব দেন। নিজেদের বলয় পোক্ত করতে তারা অন্য নেতাদের বিরুদ্ধে কর্মীদের দাড় করিয়ে দেয়। একজন নেতার লোকজন অন্য নেতার বিরুদ্ধে জুতা ঝাড়– মিছিল করাতেও দ্বিধা করেনা। ভাইয়ের নামে গুণকীর্তন আর শ্লোগান তুলে অন্য নেতাদের হটানোর দেন ঘোষণা। এমন ধরনের বিএনপির রাজনীতি চলছে নারায়ণগঞ্জ।

নেতাকর্মীরাই জানিয়েছেন, নারায়ণগঞ্জে ভাইয়ের রাজনীতি করছে কর্মীরা। যেমন রয়েছে তৈমুর ভাই, কাজী মনির ভাই, শাহআলম ভাই, গিয়াস ভাই, কালাম ভাই, খসরু ভাই, আঙ্গুর ভাই, রেজাউল ভাই, জাফর ভাই, মান্নান ভাই সহ আরো কজন ভাই রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ বিএনপিতে। যারা বিএনপির কর্মীদের নিয়ন্ত্রন করে থাকেন। তবে এখানে জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের নিয়ন্ত্রনে নেই ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, শ্রমিকদল সহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠনগুলো। এর মধ্যে অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতারাও ব্যক্তি কেন্দ্রীক রাজনীতিতে জড়িত। ভাইদের রাজনীতি করতে গিয়ে নিজ সংগঠনের নিয়ম ভঙ্গ করছেন কর্মীরা। বিএনপির কর্মীদের ভাষ্যমতে, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শাহআলম মুকুল এক সময় তৈমুর ভাই ও কাজী মনিরের নেতৃত্ব মানতো না। তবে এখনও কাজী মনিরের নেতৃত্ব না মানলেও এখন তারা তৈমূরের সাথে। এর আগে তারা কখনও সাবেক এমপি গিয়াস ও দিপু ভুইয়ার বলয়ের রাজনীতি করতেন। পল্টির পর পল্টি দিয়ে এখন তারা তৈমূর ভাইয়ের বগলতলায়। যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক একরামুল কবির মামুন রয়েছেন শাহআলমের বলয়ে ও সিনিয়র সহ-সভাপতি সালাউদ্দীন মোল্লা রয়েছেন আড়াইহাজারের বিএনপি নেতা এএফএম ইকবাল ভাইয়ের বলয়ে। মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ সহ বেশকজন যুগ্ম আহ্বায়ক তৈমুরের বলয়ে।

আর অপর যুগ্ম আহ্বায়ক মমতাজ উদ্দীন মন্তু, মনোয়ার হোসেন শোখন ও মোয়াজ্জেম হোসেন মন্টি নজরুল ইসলাম আজাদের বলয়ে। এদিকে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সহ সাত জন কমিটিতে রয়েছেন। আর এ কমিটির সাতজনই সাত নেতার বলয়ে রাজনীতি করছেন। আহ্বায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজীব সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দীন ও কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা নজরুল ইসলাম আজাদ ভাইয়ের বলয়ে। যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম সায়েম কাজী মনির বলয়ে, মাহাবুব রহমান, শাহ ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন তৈমুর বলয়ে, মশিউর রহমান রনি শাহআলম বলয়ে, হারুন উর রশিদ মিঠু রেজাউল করিম বলয়ে, মনজুর হোসেন খসরুর র বলয়ে রাজনীতি করছেন। মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল ও যুগ্ম আহ্বায়ক রশিদুর রহমান রশো আছেন তৈমুর বলয়ে। যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন গিয়াস বলয়ে, আবুল কাউসার আশা তার আবুল কালামের সঙ্গে রাজনীতি করেন।

অন্যদিকে জেলা শ্রমিকদলের আহ্বায়ক নাসির তৈমুর, সদস্য সচিব নয়ন মোল্লা খসরু ভাই, মহানগর শ্রমিকদলের আহ্বায়ক এসএম আসলাম গিয়াস ভাই ও সদস্য সচিব আলী আজগর তৈমুর ভাই বলয়ে। একই অবস্থা স্বেচ্ছাসেকদল, তাতীদল, কৃষকদল, মৎসজীবী দল সহ অন্যান্য নামে বেনামে সংগঠনগুলোও বিভিন্ন ভাইয়ের নামে শ্লোগান তুলে। এছাড়াও বিভিন্ন থানা এলাকার শীর্ষ নেতারাও যার যার বলয় তৈরি করেছেন। আর ওই সব বলয়ের কর্মীরা নেতাদের ভাই ভাই নামে শ্লোগান দেন। দলীয় কর্মসূচিগুলোতে ভাইয়ের নামে শ্লোগান তুলে মুখে ফ্যানা তুলে ফেলেছে।

আরও কিছু খবর………  

সিটি কর্পোরেশনের প্রার্থী নিয়ে ধোয়াসা দলের শেষ রক্ষা কার হাতে?

কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি? কে ধরছেন লাঙ্গলের হাল? আর কে করছেন ধানের চাষ এবারের সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচনে, এই নিয়ে  নগরবাসী মধ্যে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্নের ধ্রুমজাল। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দলীয় প্রতিক নিয়ে প্রথম বারের মত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন। আর সেই দিকে লক্ষ্য রেখে গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে যাচ্ছে এবারের নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীরা। এই নির্বাচনকে ঘিরে আওয়ামীলীগ-বিএনপির একাধিক প্রার্থীর নাম স্ব-ঘোষিত ভাবে আসলেও এখন পর্যন্ত একেবারেই নীরব জাতীয় পার্টি। এবারের সিটি কর্পোরেশনে দলীয় প্রতিক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার ঘোষনা দিয়েছেন বর্তমান মেয়র ড. সেলিনা হায়াত আইভী। আর দল থেকে তাকে মননোয়ন নিতে দিবেন না বলে পরিষ্কার ভাষায় জানিয়েছেন বর্তমান নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ শামীম ওসমান।

আর এ নিয়ে বিভিন্ন সময় নগরবাসীর সামনে উঠে এসেছে নারায়ণগঞ্জ উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর রাজনীতির নতুন নতুন সমীকরণ। এদিকে মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন দলের প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করবেন বলে শুরু থেকে গুঞ্জণ ভাসছে রাজনৈতিক মহলগুলোতে। তবে সব গুঞ্জণ ভেস্তে যেতে এখন শুধু সময়ের ব্যাপার। কারন সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ওসমান পরিবার থেকে। সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনকে ঘিরে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে প্রকাশ্যে মতবিরোধ দেখা গেলেও, এখনো নিশ্চুপ বিএনপির নেতারা। বিগত নির্বাচনে জেলা বিএনপির সভাপতি এড. তৈমূর আলম খন্দকার ভোট গ্রহনের কয়েক ঘন্টা পূর্বে দলের হাই কমান্ডের নির্দেশে নির্বাচন থেকে সড়ে দাড়ানোর ঘোষণা দেন। আর এবার নির্বাচনে দলের ঐক্য ধরে রাখতে অংশগ্রহণ করবেন না বলে স্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছেন। তার ভাষ্য মতে দলের মধ্যে ঐক্য নষ্ট করার দলের মধ্যে ঘাপটি মেরে বসে থাকা কিছু নেতা সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার চেষ্টায় লিপ্ত হয়ে পরেছে।

আর বিভিন্ন সময় আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। তাই দলের ঐক্য ধরে রাখার জন্য আমি এবার সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে অংশগ্রহন করবো না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এদিকে নগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক এটিএম কামাল এবারের সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষনা দিলেও, এখন পর্যন্ত দল থেকে আর কারো নাম বের হয়ে আসেনি। তবে ধারনা করা হচ্ছে জেলার সভাপতি এড. তৈমূর আলম খন্দকার নির্বাচনে অংশগ্রহন না করলে তার জায়গায় যোগ্য প্রার্থী হিসেবে ধানের শীর্ষ প্রতিক নিয়ে নির্বাচন লড়াইয়ে দল কাকে মনোনয়ন দিবে তা অনেকটাই ভাববার বিষয়। অপর দিকে প্রয়াত সাংসদ নাসিম ওসমানের মৃত্যুর পর এই জেলা থেকে জাতীয় পার্টির নাম নিশানা প্রায় মুছে যাচ্ছে। নেতা ও দলীয় কার্যালয় বিহীন দলটির নেতাকর্মীরা নেতৃত্ব হীনতায় ভুগছে। বিগত সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের মত এবারো অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে জাতীয় পার্টির প্রার্থী বিহীন নির্বাচন। কারন জাতীয় পার্টির পক্ষে প্রার্থীর সঙ্কট রয়েছে বলে ধারনা করছেন দলের তৃনমূল নেতৃবৃন্দরা। ২০১১ সালের ১১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে বর্তমান মেয়র আইভী লক্ষাধীক ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছিলো বর্তমান নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমানকে। এবার প্রথম বারের মত দলীয় প্রতিক নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন। আর এই নির্বাচনে কোন দল কাকে মনোনয়ন দিবে এবং সমর্থন পেয়ে দলের শেষ রক্ষা কে করবে তা এখন সময়ের ব্যাপার।

না’গঞ্জে মেলা ভবনে গণসংহতি আন্দোলনের পুণর্মিলনী আলোচনা জোনায়েদ সাকি

জঙ্গী হামলা সরকার রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করছে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেছেন, ‘বর্তমানে দেশের জঙ্গী হামলার ঘটনায় সরকার রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করছে। এক দিকে দেশের সবত্র অনৈক্য সৃষ্টি করে রেখে ঐক্যের ডাক দিচ্ছেন। অন্যদিকে ঐক্যের ডাক দিয়ে নিজেদের অবস্থান আরো শক্ত করতে ভারতের সঙ্গে রামপালের কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুক্তি স্বাক্ষর করে ফেলেছেন। এসব কিছু করে সরকার জনগনকে কোন প্রতিবাদ করতে দিচ্ছে না। এমনকি শিক্ষক, ছাত্র ও নার্সরা যখন জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের তাদের দাবি নিয়ে আন্দোলন করেন তখনও প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিয়েই করেন। যা কিনা স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনেও দেখা যায়নি।

এতে বুঝা যায় সরকার জনগণের উপর কতটা চাপ সৃষ্টি করে রেখেছে। আমরা জনগনের সেই বিক্ষোভকে হৃদয়ে ধারন করতে চাই। জঙ্গী, সন্ত্রাস বলে কোন বহিরাগত রাষ্ট্রের কাছে দেশকে ধ্বংসের হাতে তুলে দিতে নয় বরং আমাদের জনগনের চাহিদার জন্য আমরাই এর প্রতিবাদ করবো।’

শুক্রবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় নারায়ণগঞ্জ শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কের সাধু পৌলের গীর্জার পাশে মেলা ভবনের পুণর্মিলনী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এছাড়াও তিনি সরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ডের সমালোচনা করেন।

গণসংহতি আন্দোলনের কাছে জণগনের প্রত্যাশার বিষয়ে জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের গণতন্ত্র, শিক্ষা, রাজনীতি সব কিছু ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে। কেউ ইচ্ছা থাকলেও পুলিশের গুলি, জঙ্গী, যুদ্ধাপরাধী এসব বলে কোনঠাসা করে দিচ্ছে না হয় বানিয়ে দিচ্ছে। সেই দিক থেকে গণসংহতি আন্দোলন তৃণমূলের মানুষের, ছাত্র, তরুণদের থেকে পরিবর্তনের কাজ শুরু করেছে। এর জন্যই গণসংহতি আন্দোলন সারা দেশে জনমত তৈরি করছে।’

নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট ও বামপন্থী সংগঠনের প্রশংসা করে জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের শামীম ওসমানকে চ্যালেঞ্জ করে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট সহ অন্যান্য বামপন্থী দল গুলো। কখনো শামীম ওসমানের ভয়ে তারা তাদের আন্দোলনের লক্ষ্য থেকে পিছপা হয়নি। গণসংহতি আন্দোলনও এরকম লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাবে। কখনো জনগনের আন্দোলন থেকে পিছ পা হবে না।

‘মুক্তিযুদ্ধের আকাক্সক্ষায় অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে ঐক্যবদ্ধ হোন’ ব্যানারে গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার উদ্যোগে পূণমিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়ক তরিকুল সুজনের সভাপতিত্ব ও মহানগর শাখার আহবায়ক অঞ্জন দাসের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ রক্ষা জাতীয় কমিটি নারায়ণগঞ্জ জেলার শাখার সভাপতি রফিউর রাব্বি, সোনারগাঁ শাখার সভাপতি শাহেদ কায়েস, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি ভবানী শংকর রায়, সাধারণ সম্পাদক ধীমান সাহা জুয়েল, বিবি ফাউন্ডেশনের জেলার সভাপতি সুজিত সরকার, সমগীতের সভাপতি আমল আকাশ, গায়েনের সম্পাদক আহমেদ বাবলু, শাহিন মাহামুদ, বাংলাদেশ বহুমুখী শ্রমজীবী হকার সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি বাচ্চু ভূইয়া, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন সভাপতি সৈকত মল্লিক, বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় নেতা দীপক কুমার রায়, নারী সংহতির সম্পাদক পপি সরকার, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি মশিউর রহমান রির্চাড প্রমুখ।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/রিপন/ডেরি ১৫/০৭/২০১৬

Related posts