September 21, 2018

নদীর শাসন কাজ প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন

846

দক্ষিণাঞ্চলের স্বপ্নপূরণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন শরিয়তপুরে। এখানে তিনি নদী শাসন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন। এখন তিনি এক সুধী সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন।

সমাবেশে যোগ দিতে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুর এমনকি গোপালগঞ্জ থেকেও এসেছেন লোকজন।

সুধী সমাবেশের পরেই মুন্সিগঞ্জের মাওয়ায় পদ্মা সেতুর মূল নির্মাণ কাজের ভিত্তিফলক উম্মোচন করবেন তিনি। সেতুর কাজের উদ্বোধনের পর বিকেলে মাওয়া গোল চত্বরে সমাবেশে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

সেতুর ৪২টি পিলারের মধ্যে ৭ নম্বর পিলার মাওয়া পার থেকে নদীর এক কিলোমিটার ভিতরে। এই পিলারের মাধ্যমে কাজ শুরু হবে, যার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নদী শাসন কাজেরও উদ্বোধন করবেন তিনি। নদী শাসনের জন্য মাটি ভরাটের কাজ চলছে। পদ্মা সেতু চালু হলে দেশের আর্থিক প্রবৃদ্ধিও বাড়বে।

নিজস্ব অর্থায়নে এটি দেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্প। এর জন্য খরচ হবে প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা। এই সেতু হলে ঢাকার সঙ্গে সরাসরি সড়কপথে যুক্ত হবে দক্ষিণাঞ্চল। পূরণ হবে ওই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন। সেতুর ওপর দিয়ে ট্রেনও চলবে। এশিয়ান হাইওয়ের পথ হিসেবেও এই সেতুটি ব্যবহৃত হবে। মাওয়া থেকে পোস্তগোলা পর্যন্ত চার লেনের সড়ক হবে।

রাজধানীর বিজয়নগর থেকে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে হবে ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ উড়ালসড়ক। সেতুর ওপর দিয়ে ট্রেনও চলবে। এরইমধ্যে পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রায় ২৭ শতাংশ কাজ শেষ হয়ে গেছে বলে প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন।

২০১৮ সালের মধ্যে ছয় দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতু প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা। এতোদিন টেস্ট পাইলিং চললেও শনিবার শুরু হবে মূল পাইলিং। এজন্য নদীতে জড়ো করা হয়েছে বিশাল বিশাল ক্রেন, ড্রেজার। এ প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংক প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণ সহায়তার প্রস্তাব নিয়ে আসলেও ঘটে নানান ঘটনা। শেষ পর্যন্ত নিজস্ব অর্থায়নেই নির্মাণ হচ্ছে পদ্মা সেতু।

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন/ডেরি

Related posts