September 23, 2018

“দ্য আমেরিকান ড্রীম” মুভি নিয়ে বিভ্রান্তিকর খবর

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বিশেষ সংবাদদাতাঃ
“দ্য আমেরিকান ড্রীম” মুভি নিয়ে বিভ্রান্তিকর খবর  ষড়যন্ত্র মূলক -পরিচালক সমিতির মহাসচিবের সাথে আমার কোন বিরোধ নেই ,  এ কথা বলেছেন “দ্য আমেরিকান ড্রীম”-এর লেখক এবং পরিচালক জসীম উদ্দিন।

বিগত অক্টোবর ২০১৫ সালে এফডিসিতে মহরত এর মাধ্যমে “দ্য আমেরিকান ড্রীম” মুভির যাত্রা শুরু করে জগ্নাথ বিশ্ববিদ্যায়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড.মিজানুর রহমানের উদ্ধোধনের মাধ্যমে।

“দ্য আমেরিকান ড্রীম”-এর লেখক এবং পরিচালক জসীম উদ্দিন বলেন, আমার লেখা উপন্যাস “দ্য আমেরিক্যান ড্রীম” বাংলায় ও ইয়রেজীতে বাংলাদেশে ও আমেরিকাতে প্রকাশিত হয়েছে।তার চিত্রনাট্য সংলাপ ও গান সবই আমার লেখা । আমার মূল উপন্যাস “দ্য আমেরিকান ড্রীম” এর গল্প চিত্রায়ন হচ্ছে। ইংরেজী ভাষায়।

জসীম উদ্দিন এর লেখা উপন্যাস “দ্য আমেরিকান ড্রীম” এর গল্প নিয়ে চিত্রায়িত হচ্ছে দ্বৈত ভাষায় চলচিত্র “দ্য আমেরিকান ড্রীম” উল্লেখ যে, উপন্যাসটি আমেরিকান পাবলিশার্স কোম্পানী এভলিকিস্” ইরেজীতে প্রকাশ করেছে বানস্ এন্ড লোবেল সহ পৃথিবীর সেরা অনলাইন আমাজন বিক্রি করছে এই উপন্যাসটি।

ইংরেজী ভাষায় ডায়লগে অভিনয়  করছেন বাংলাদেশ অংশের শিম্পীরা। পরিচালক সমিতির মহাসচিব কে আমি আমার উপন্যাসের বাংলা এবং ইংরেজী মুদ্রিত দুটি বই উপহার দিয়েছি। সমিতির সকলের সাথে পরিচয় হয়েছে। হঠাৎ করে তিনি বাংলাদেশের সকল মিডিয়াতে আমার মুভি  বন্ধের হুমকি দিলেন এবং মুভির বিরুদ্দে অপপ্রচারে নামলেন আমি বুঝে উঠতে পারিনাই।

তিনি উপন্যাসটি না পড়ে যে মন্তব্য করছেন বাংলাদেশ এবং আমেরিকা সম্পক  নিয়ে তা গ্রহণযোগ্য নয়।

বায়তুল মোকারম উত্তর গেইটে বাংলাদেশ সরকারের সকল প্রশাসনিক অনুমতি নিয়ে মিছিল ছিলো গল্পের চিত্রায়ন। ২০০৩ সালের ২৫ই মার্চের একটি মিছিল এর অনুকারণ ইরাক হামলা বিরুদ্ধে নিয়ে সারা মুসলিমজাহান তখন সাদ্দামের পক্ষে ছিলো এর প্রতিফলন । উপন্যাসের চ্যাপ্টার ৩৬ পৃষ্টা ৫৬ (ইংরেজী) অংশের চিত্রায়ন এই দৃশ্য কোন দেশের বিরুদ্ধে  নয় এটি ইতিহাসের অংশ। মুশফিকুর রহমান গুলজারের বক্তব্য মায়ের চেয়ে মাসীর দরধ বেশী , আমি বাংলাদেশী আমেরিকান, আমি কি আমেরিকার বিরুদ্ধে বা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মুভি চিত্রায়ন করব?

তা ইংরেজীতে চিত্রায়ন এবং আমেরিকান কোম্পানী ইবষষ চৎড়ফঁপঃরড়হ ওঘঈ. এর প্রযোজনা ও ২০ জন নেটিভ আমেরিকান কুশলী এ মুভিতে কাজ করছেন। উদ্দেশ্য প্রনোদিত হয়ে তিনি আমার
বিনিয়োগ কে বাধাগ্রস্থ করতে চেষ্টা করছেন। আমি বাংলাদেশ সরকারের সাথে আইনগত চুক্তি সম্পাদন করে লেখক ও পরিচালক হিসাবে সরকারের সকল কারিগরি সহযোগীতায় ছবিটি নির্মান করছি। ঢাকার মাত্র ২০% চিত্রায়ন প্রায় সমাপ্ত ৮০% নিউইয়ক সিটিতে চিত্রায়িত হবে আগষ্ট মাসে । বাংলাদেশে চলচ্চিত্রের নীতিমালা আমি অনুসরন করছি। ফাইনালি সেন্সর বোর্ড ছবিটি দেখার পর ছাড় পত্র দিবেন ।

মুশফিকুর রহমান গুলজার সিএমএলএ সামরিক আইন প্রশাসক  তিনি আমার  সুটিং বন্ধ করতে পারেনা  । একমাত্র বাংলাদেশ এবং আমেরিকান সরকার মুভি বন্ধ করতে পারেন।

কোন আপত্তিকর দৃশ্য ধারন করা হয় নাই সবই “ দ্য আমেরিকান ড্রীম” উপন্যাসের গল্প চিত্রায়ন হচ্ছে।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/রিপন/ডেরি ২৯ মে ২০১৬

Related posts