September 24, 2018

‘দৈহিকভাবে বাড়ছি; মেধার নিশ্চয়তা নেই ’

জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে বাংলাদেশ

স্বাধীনতার ৪৪ বছরে বহুগুণে বেড়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা আর পাশের হার। তবে জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে বাংলাদেশ। কাঙ্ক্ষিত জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে আরো অনেক দূর যেতে হবে বলে মনে করেন শিক্ষাবিদরা। বৃহস্পতিবার সময় টিভির এক প্রতিবেদনে ওঠে আসে এসব তথ্য।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জ্ঞান-বিজ্ঞানে পৃথিবীসেরা পথিকৃৎদের জন্মভূমি এই বাংলাদেশ। ভারতীয় উপমহাদেশে জ্ঞান-বিজ্ঞান-সংস্কৃতিতে সবসময়ই এগিয়ে ছিল এ অঞ্চলের মানুষ। তবে স্বাধীনতার ৪৪ বছরে, জ্ঞানের সৃজন, বিকাশ কিংবা বিতরণে পৃথিবীতে কতটুকু অবদান রাখতে পেরেছে বাংলাদেশ?

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘আমরা দৈহিকভাবে বাড়ছি কিন্তু মেধার দিক থেকে বাড়ছি এ রকম নিশ্চয়তা আমাদের কাছে নেই।’

সমাজের চাহিদা অনুযায়ী জ্ঞানের সৃষ্টি,বিকাশ আর বিতরণের কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের। মাত্র ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে যাত্রা শুরু বাংলাদেশের। আর ৪৪ বছরে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে এখন মোট বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা আটাশি। তবে মৌলিক উদ্দেশ্য পূরণ হয়েছে খুব কমই।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রক্তন পরিচালক ড. ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘জ্ঞান সৃষ্টির জন্য যে ধরনের গবেষণা দরকার তা আমাদের এখানে হয় না।’

প্রতি বছর হাজার হাজার ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার কিংবা উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত জনবল তৈরি করছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। তবুও দেশের বড় বড় উন্নয়ন কাজে, এখনো প্রাধান্য পায় বিদেশী কোম্পানি। নিজেদের জনবলের ওপর আস্থার অভাবকেই দুষলেন ড. কায়কোবাদ।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জ্ঞান-গবেষণায় দেশকে এগিয়ে নিতে সরকারকেই নিতে হবে দুরদর্শী পদক্ষেপ।

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন/ডেরি

Related posts