September 26, 2018

দেশে ঢুকতে শুরু করেছে কৃত্রিম ডিম, তাই সাবধান!

ঢাকাঃ  একদিকে মুরগির মাধ্যমে ডিমে মিশে যাচ্ছে ক্ষতিকর এন্টিবায়োটিক আর স্টরয়েড। অন্যদিকে ভারত হয়ে বাংলাদেশের বাজারে ঢুকতে শুরু করেছে কৃত্রিম ডিম। অবিকল ডিমের মতো দেখতে জিনিসটি তৈরি হয় রাসায়নিকের মিশ্রনে। খাওয়ার সময়েও বোঝা যায় না এটা আসল নাকি নকল।

কৃত্রিম ডিমে কোনো খাদ্যগুন ও প্রোটিন নেই। বরং তা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।

খনিজ, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন জাতীয় উপাদান সব মিলিয়ে সুষম খাবার হলো ডিম। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় থাকে এই ডিম। কিন্তু এই ডিমেই ভেজাল। সন্দেহ দূর করতে বাজার থেকে দুটি ডিম নিয়ে যাওয়া হয়েছে কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে।

পরীক্ষা নিরীক্ষার পর কৃষি বিজ্ঞানী ফারুক-বিন ইয়ামিন জানান এই ডিমের একটি আসল একটি নকল। ইন্টারনেট খুঁজে এর সত্যতাও পাওয়া গেলো।

সরাসরি ক্যালসিয়াম, ক্লোরাইড ও কালামিন ড্রাই দিয়ে তৈরি হয় গাঢ় হলুদ রঙ্গের কুসুম। পাতলা স্বচ্ছ রাসায়নিকের আবরণ । এরপর আরো কিছু রাসায়নিকের মিশ্রনে তৈরি হচ্ছে ডিমের সাদা অংশটি। এরপর খোসায় রং করা হয় এমন কি তারপর মুরগির রক্তে ও ময়লা লাগিয়ে দেয় ডিমের উপর । এরপর খালি চোখে বোঝার কোনো উপায় থাকে না এটা আসল না নকল।

তবে খালি চোখে পার্থক্য বোঝা না গেলেও বাল্বের আলোয় পার্থক্যটি পরিষ্কার বোঝা যায়। ভিতরটা ঘন কালো খোলটা তুলনামূলক হালকা।

ডিমের পাইকারী বাজারে অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা গেলো সীমান্ত দিয়ে এই ডিম আনা একজনকে।

২০০৪ সালে চীনে সর্বপ্রথম এই কৃত্রিম ডিম তৈরি হয়। পরে অবশ্য চাপের মুখে বন্ধ ছিলো। এখন আবার ভারত হয়ে তা প্রবেশ করছে বাংলাদেশে।

তবে আশার কথা হলো এর ব্যাপকতা এতো বেশি নয় । তাই সংশ্লিষ্টের পরামর্শ শুরুতেই যেন বন্ধ করে দেয়া যায় এ জন্য সচেষ্ট হতে হবে কর্তৃপক্ষকে।

যমুনা টিভি
দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/১৭ এপ্রিল ২০১৬/রিপন ডেরি

Related posts