September 21, 2018

তোলপাড়; বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত মুনার বৌদ্ধমন্দিরে প্রার্থনা!

থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সৈয়দা তাসনীম মুনা ব্যাংককের এক বৌদ্ধমন্দিরে ছবি: সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্টঃ   একজন পেশাদার কূটনীতিক হিসেবে সুনাম রয়েছে থাইল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাইদা মুনা তাসনীমের। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। সবসময় প্রশংসা থাকলেও গত কিছুদিন থেকে থাইল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে তাকে নিয়ে গুজব, গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। এই গুঞ্জন তার মাঝে মাঝে বৌদ্ধমন্দিরে যাওয়া নিয়ে। বিষয়টি সেফ কূটনীতিক নাকি ধর্মবিশ্বাস তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি সরকারের একাধিক সংস্থারও নজরে আসার পর তারা রিপোর্ট পাঠিয়েছে ঊর্ধ্বতন মহলে। জানা গেছে, রাষ্ট্রদূত মুনা এবং জাতিসংঘ সংস্থা ‘এসকাপ’-এ বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি গত ২০১৪ সালের ১৪ নভেম্বর থেকে থাইল্যান্ডে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব নেন।

তারপর থেকে সেখানে তার কূটনীতিক সাফল্য প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিশেষ করে কক্সবাজার থেকে থাইল্যান্ড হয়ে মানব পাচারের সময় তিনি সফলতার সঙ্গে কূটনীতিকভাবে সবকিছু উত্তরণে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। তার তত্পরতায় থাই সরকার গুঁড়িয়ে দেয় মানব পাচারের আস্তানা। রাষ্ট্রদূত নিজেও স্পটে গিয়ে সরেজমিন সবকিছু দেখে এসেছেন। এনিয়ে থাইল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা সে সময় তাকে নিয়ে প্রশংসাও করেছিলেন। কিন্তু তাকে নিয়ে নেতিবাচক সমালোচনা একটাই তার বৌদ্ধমন্দিরে যাওয়া। সেখানে একটি ছবিতে তাকে উপাসনা করতে দেখা গেছে।

যা থাইল্যান্ডের মুসলমানদের মধ্যে বিতর্ক জন্ম দিয়েছে। আলোচনা-সমালোচনা চলছে ব্যাংককসহ থাইল্যান্ডের বিভিন্ন এলাকায়। এ বিষয়টি নিয়ে রীতমতো বিব্রতবোধ করছেন থাইল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশিরা। এ ব্যাপারে গতকাল সন্ধ্যায় রাষ্ট্রদূত সৈয়দা মুনা তাসনীমের সেল নম্বরে কল করা হলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, কিছুদিন আগে বাংলাদেশ অ্যাম্বাসিতে বাংলাদেশি বৌদ্ধ ভিক্ষুদের একটি অনুষ্ঠানের জন্য রাজপরিবারের প্রধান পুরোহিতকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্যই আমি সেখানে গিয়েছিলাম। এটা কূটনীতিরই একটি অংশ।

তবে আমার নিয়মিতভাবে বৌদ্ধমন্দিরে যাওয়ার বিষয়টি মোটেও সঠিক নয়। কেউ হয়তো আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

এদিকে, থাইল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশি স্থানীয় কমিউনিটির অনেকে বলছেন, ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নাকি তার ধর্মবিশ্বাসই তিনি পরিবর্তন করেছেন? সরকারের উচিত এ বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা।

উৎসঃ   বাংলাদেশ প্রতিদিন
দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন/ডেরি

Related posts