November 21, 2018

”তিস্তা চুক্তির প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালতে যেতে হলেও যাব”

299741be-ea55-4aca-8e0e-3e39baada62b

মহিনুল ইসলাম সুজন,
নীলফামারী প্রতিনিধি:

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম বীর প্রতীক বলেছেন, তিস্তা চুক্তি সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকলেও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বাঁধার কারণে তা সম্ভব হচ্ছেনা। তবে সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ ও ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সাথে আলোচনা চালিয়েই যাচ্ছেন। আশাকরি খুব শীঘ্রই চুক্তি হবে। শেষ পর্যন্ত তিস্তা চুক্তি না হলে অধিকার আদায়ের জন্য প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক আদালতেও যাওয়া হবে।

তিনি বুধবার দুপুরে নীলফামারীর ডিমলা ডালিয়া সেচ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষে ডালিয়ার অবসরে প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের জমি অধিগ্রহন সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনকল্পে নীলফামারী, রংপুর ও লালমনিরহাট জেলার জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

এসময় পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম-সচিব মন্টু কুমার বিশ্বাস, পাউবোর অতিরিক্ত মহাপরিচালক প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক জ্যোতি প্রসাদ ঘোষ, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান, পাউবো উত্তরাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আতিকুর রহমান, নীলফামারীর জেলা প্রশাসক জাকীর হোসেন, রংপুরের জেলা প্রশাসক রাহাত আনোয়ার, দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম, লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান,ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমানসহ রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সরকারী কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মঙ্গলবার দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের বিভিন্ন অবকাঠামো পরিদর্শন শেষে সন্ধ্যায় চলতি খরিপ-১ রবি মৌসুমে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নাউতারায় অবস্থিত এস-টু-টি সেচ ক্যানেলের কপাট উন্মুক্তের মাধ্যমে সেচ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধোধন করেছিলেন মন্ত্রী ।

জমি অধিগ্রহনের জন্য ইতোমধ্যে ৯৪ কোটি ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এ জন্য প্রস্তাবনার আরো ১৮৮ কোটি ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

Related posts