September 21, 2018

তিস্তায় হঠাৎ পানি বৃদ্ধি<<যে কোনো মুহুর্তেই বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে?

মহিনুল ইসলাম সুজন,
নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
ভারী টানাবর্ষন ও পাহাড়ী ঢলে তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধি  পেতে শুরু করেছে। আজ মঙ্গলবার ভোর থেকে নীলফামারীর তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার দশমিক ৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল।যেখানে বিপদসীমা ৫২ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার এবং প্রবাহিত হচ্ছিল ৫২ দশমিক ৩২ সেন্টিমিটার। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোডের বন্যা সতর্কীকরণ পূর্বাভাস কেন্দ্র বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উজানের ঢলে পানি বৃদ্ধির কারনে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জল কপাট(গেট) খুলে রাখা হয়েছে। একই সুত্র জানান, সকাল প্রায় ১০টায় দশমিক ২ সেন্টিমিটার পানি কমেছে ডালিয়া পয়েন্টে।

এদিকে উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাবার কারনে নীলফামারীর-ডিমলা,জলঢাকা, কিশোরীগন্জ, উপজেলার নদী বেস্টিত চরগ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী।তারা আরো জানান, আজ(মঙ্গলবার) বিকেল থেকে টানা চলমান বৃষ্টি যদি রাতেই না থেমে  ভোররাত পর্যন্ত টানা চলতেই থাকেন-তবে নিশ্চিত এসব এলাকার মানুষদের পানিবন্দী হয়ে সকাল হতে না হতেই চরমভোগান্তিসহ পড়তে হবে নানান দুর্ভোগে।

এ সব এলাকার জনপ্রতিনিধিগন এই প্রতিবেদককে জানান,হঠাৎ করে আকাশের যে টানাবর্ষন শুরু হয়েছে তাতে তিস্তা বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে যে কোনো মুহুর্তেই।আর তিস্তা বিপদসীমা অতিক্রম করা মানেই নতুন করে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়া এবং নদী ভাঙন শুরু হওয়া।প্রতিবছর বন্যায় হাজার হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্হ হলে সরকার একের পর এক আন্তরিকভাবে তা প্রতিরোধে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও ঠিকাদার ও পানিউন্নয়ন বোর্ডের অসাধু কর্মকর্তাগন নামে মাত্র বালু দিয়ে লোক দেখানো দায়সারা কিছু কাজ করে শিংহ ভাগ টাকাই ভাগ বাটোয়ারা করে আত্নসাত করেন।যার ফলে তিস্তা অববাহিকায় বিভিন্ন উন্নয়নের কাজের কোটি কোটি টাকা ব্যয় করা হলে সুফল পায়নি যাদের কথা ভেবে এসব কাজের উদ্দোগ নেয়া সেই সব চরবাসী হত দরিদ্ররা।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/রিপন/ডেরি ২১ জুন ২০১৬

Related posts