March 23, 2019

ঢাকায় অগ্নিকান্ডে নিহত চাঁদপুরের ২জনের দাফন সম্পন্ন :এখনো নিখোঁজ একজন

111এ কে আজাদ, চাঁদপুর : বুধবার রাতে ঢাকার চকবাজারের ওয়াহেদ টাওয়ারে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় নিহত চাঁদপুরের ২জনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে চাঁদপুরের আরো একজন এখনো নিঁখোজ রয়েছে ।

নিহত ২জন হলেন ফরিদগঞ্জ উপজেলার পৌরসভাধীন ৪নং ওয়ার্ডের রুদ্রগাঁও গ্রামের আলিমউদ্দিন বেপারী বাড়ীর মৃত চান মিয়ার ছোট ছেলে শামসুল হক (৭০) অপরজন হাজীগঞ্জ উপজেলার গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের কাজী বাড়ীর কাজী আবুল হোসেনের ছেলে ছিদ্দিকুর রহমান (২৭)। একই ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের হাজী ইসমাইল হোসেন (৭০) নামের একজন এখনো নিঁখোজ রয়েছে।

নিঁখোজ হাজী ইসমাইল হোসেন ওয়াহেদ টাওয়ারের প্লাস্টিকের দানার কারখানা ছিল। অপর দিকে ফরিদগঞ্জের নিহত শামসুল হক ছিলেন ওয়াহেদ টাওয়ারের সামনে সেলাই মেশিনের কারখানা। হাজীগঞ্জের নিহত নিহত ছিদ্দিকুর রহমানন খুচরা মালের কারবারী ছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহত ফরিদগঞ্জের শামছুল হক চক বাজারে ওয়াহীদ মার্কেটে নিচ তলায় দীর্ঘ ৩০ বছর যাবত মদিনা ডেকোরেটর ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।

বুধবার রাত ১১.০০ টায় অগ্নিকান্ডের ঘটনায় তিনি দোকানে পুড়ে অঙ্গার হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার পরিবারের লোকজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃতদেহ সনাক্ত করেন।

শুক্রবার সকাল ৮.০০ টায় তার গ্রামের বাড়ি ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার রুদ্রগাঁও ঈদগাঁ মাঠে জানাজা নামাজ শেষে আলীম উদ্দিন বেপারী বাড়ীতে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাপন করা হয়। তার করুন মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

তিনি স্ত্রী ১ ছেলে ও ২ মেয়ের জনক। তার দীর্ঘদিনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ন মালামাল পুড়ে যাওয়ায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে পরিবার সূত্রে জানা যায়।

অপরদিকে হাজিগঞ্জ উপজেলার ৯নং গন্ধব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের মোহান্মদপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আবু বকর ছিদ্দিকের দাফনও সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্প্রতিবার সন্ধ্যায় তার মৃতদেহ ঢাকা থেকে হাজিগঞ্জের মোহান্মদপুর গ্রামের বাড়ীতে এসে পৌছে। রাত ১১টায় জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক গোরস্তানে তাকে দাফন করা হয়।

দুই বছর আগে জীবন-জীবিকার সন্ধানে পাশের বাড়ির জয়নাল আবেদিনের সাথে রাজধানীর চকবাজারে পাড়ি জমায় হাজীগঞ্জের মোহাম্মদপুর গ্রামের আবু বকর ছিদ্দিক। সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম আবু বকর ছিদ্দিক ৩ভাই বোনের মধ্যে সবার বড়। ছিদ্দিকের অকাল মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বাবা-মা, ভাই-বোন পরিবারের সদস্যসহ প্রতিবেশী সকলেই।

Related posts