September 24, 2018

ড্রাগ ছাড়াতেই জন্ম তাঁর

‘ডাম্ব, ডাম্ব, ডাম্ব, হানি হোয়াট হ্যাভ ইউ ডান?/ ডাম্ব, ডাম্ব, ডাম্ব, ইট’স সাউন্ড অফ মাই গান/ জ্যানি হ্যাজ গট আ গান/ হার হোল ওয়ার্ল্ড হ্যাজ কাম আনডান/ ফ্রম লুকিং স্ট্রেট অ্যাট দ্য সান/…/ জ্যানি হ্যাজ গট আ গান’ এই গানটি ১৯৮৯ সালে লিখেছিলেন এবং গেয়েছিলেন আমেরিকান হার্ড রক ব্যান্ড ‘অ্যারোস্মিথ’-এর স্টিভেন টাইলার৷

এই মুহূর্তে অ্যারোস্মিথ-এর এই ফ্রন্টম্যান বিশ্বাস করেন তাঁর পুর্নজন্ম হয়েছে যৌন হয়রানিতে আক্রান্তদের বাঁচানোর জন্য৷ ১৯৪৮ সালে জন্ম স্টিভেন টাইলারের৷ এখন বয়স ৬৮৷ ৪১ বছর বয়সে তিনি লিখে ফেলেছিলেন ‘জ্যানি হ্যাজ গট আ গান’ গানটি৷ এই গানে এক কিশোরীর কথা বলা আছে৷ কিশোরীটি তার নিজের যৌন হয়রানি থেকে আত্মরক্ষার জন্য গুলি করে মেরে ছিল তার নিজের বাবাকে৷ এরকম একটা গল্প বেরিয়ে ছিল ‘পিপল’ ম্যাগাজিনে৷ সেই ঘটনা থেকে অনুপ্রাণীত হয়ে টাইলার লিখে ফেলেছিলেন ওই গানটি, যার প্রথম চারটি লাইন দেওয়া আছে লেখার শুরুতেই৷

এই মুহূর্তে এই রকস্টার এক নতুন ভূমিকায় রয়েছেন৷ যে-জ্যানিকে স্মরণ করে তিনি গান গেয়েছিলেন এক সময়, সে জ্যানির নামেই খুলেছেন এক চ্যারিটি ফান্ড৷ জ্যানি’স ফান্ড৷ যৌন হেনস্থার শিকার হওয়া মেয়েদের প্রয়োজনীয় সাহায্য করে থাকে এই ফান্ড৷ তিনি বলেছেন, ‘আমার মনে হয় আমার জন্মই হয়েছে এই কাজ করার জন্য৷’

৭০-এর দশকে ‘অ্যারোস্মিথ’ জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ওঠে৷ সাফল্য নিয়ে আসে এক নতুন ব্যাধি৷ টাইলারের জীবন-যাপন হয়ে পড়ে অত্যন্ত দ্রুত৷ আসক্তি তৈরি হয় ড্রাগ এবং অ্যালকোহলের৷ এর ফলে ধীরে-ধীরে অ্যারোস্মিথের জনপ্রিয়তা কমতে থাকে৷ টাইলারের ব্যান্ডের সহযোগী জো প্যারি আর তাঁকে বলা হত সেই সময় ‘টক্সিক টুইনস’৷ কোনও সন্দেহ নেই ড্রাগ এবং কোহল-আসক্তি এই দু’জনের এমন নাম এনে দিয়েছিল৷ পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়া রাগেই টাইলার ‘রিহ্যাব’-এ আশ্রয় নিয়েছিলেন৷ সেখান থেকে যখন বেরিয়ে এলেন তখন সম্পূর্ণ অন্য মানুষ তিনি৷ আরও একবার ‘অ্যারোস্মিথ’ ফিরে পেল তার হূত সম্মান৷ রিহ্যাব-এ থাকাকালীন তিনি দেখা পেয়েছিলেন আরও অনেক জ্যানি-র, যাদের ১০ জনের মধ্যে অন্তত ৭ জন যৌন হেনস্থার শিকার৷

ফিরে আসার পর ‘জ্যানি হ্যাজ গট আ গান’ লেখা ছাড়া টাইলারের কাছে আর কোনও বিকল্প ছিল না৷

সূত্রঃ এই সময়

Related posts