December 17, 2018

ঝিনাইদহে দুই পক্ষের গোলাগুলিতে শাবলু গুলিবিদ্ধ!

জাহিদুর রহমান
ঝিনাইদহ থেকেঃ
ঝিনাইদহ শহরে আরাপপুর এলাকায় বুধবার রাতে দুই পক্ষের গোলাগুলিতে হাসানুজ্জামান শাবলু (৪৪) নামে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

গুলিবিদ্ধ হাসানুজ্জামান শহরের কলাবাগান এলাকার মীর মোতাহার হোসেনের ছেলে। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ আরিফ জানান, বুধবার রাতে হাসানুজ্জামান নামে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আসেন।

তার পেটের বাম দিকে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। গুলিটি পেটের ভিতরেই রয়ে গেছে। আশংকা থাকায় তাকে জরুরী ভাবে রাতেই রেফার্ড করা হয়েছে।

গুলিবিদ্ধ হাসানের ভাই যুবলীগ নেতা ফারুকুজ্জামান লাভলু জানান, কারা গুলি করেছে তা আমরা সনাক্ত করেনি। আমি ভাইয়ের চিকিৎসার জন্য সাখে যাচ্ছি। ফিরে এসে মামলা করা হবে।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি হরেন্দ্র নাথ সরকার জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। পুলিশ ফিরে আসলে বিস্তারিত জানা যাবে।

পরবর্তিতে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) গোপীনাথ কানজিলাল সাংবাদিক জাহিদুর রহমান তারিককে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আরাপপুর উকিল পাড়ার একটি ছাত্রাবাসে মাদক সেবন করা নিয়ে বন্ধুদের সাথে বাক-বিতন্ডা হয়।

একপর্যায়ে হাসানুজ্জামানের এক বন্ধু তার পেটে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে পালিয়ে যায়।
গুরুতর অবস্তায় গুলিবিদ্ধ হাসানুজ্জামান শাবলুকে জরুরী ভাবে ঝিনাইদহ থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আরও খবর………

ঝিনাইদহে একই ব্যাক্তি স্কুলের লাইব্রেরিয়ান ও হাই স্কুলের সভাপতি-কোন আইনে ?

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মাওলানাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হিসেবে পঞ্চম বারের মত নির্বাচিত হয়েছেন সৈয়দ মুনীর হোসেন মুকুল নামে এক স্কুলের লাইব্রেরিয়ান।
আইনে তিনি এই পদে আসতে না পারলেও খুটির জোরে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় বার বার সভাপতি হয়ে বহাল তবিয়তে নিয়োগ বানিজ্য করছেন।

বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসারের কার্যালয়ে আলোচনা সভার মাধ্যমে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য, শিক্ষক ও কর্মকর্তারা। সৈয়দ মুনীর হোসেন মুকুল বর্তমানে ঝিুনাইদহ সদরের হরিশংকরপুর হাই স্কুলের লাইব্রেরিয়ান পদে কর্মরত।

এ ছাড়া তিনি ঝিনাইদহ সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পালন করছেন। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোমিনুর রহমান সাংবাদিককে জানান, আইনে না থাকলে একটা লোক কিভাবে বার বার সভাপতি হন ?

ঝিনাইদহ জেলার সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার আমজাদ হোসেন জানান, একজন লাইব্রেরিয়ান কখনো অন্য স্কুলের সভাপতি হতে পারেন না। তিনি জানান, ধরলে অনেক কিছু হয়, না ধরলে কিছুই হয় না। ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা অফিসার সাংবাদিককে বলেন, স্কুলের সভাপতি হতে হলে সরকারের স্পষ্ট নীতিমালা আছে, কিন্তু কেও তা মানে না।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশেষ অনিচ্ছুক এক শিক্ষক নেতা বলেন, তিনটি থার্ড ক্লাস পেয়েও যখন প্রধান শিক্ষক হচ্ছেন, তবে একজন লাইব্রেরিয়ান স্কুলের সভাপতি হবেন এ আর দোষের কি ? তিনি আরো জানান, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এখন নাজুক। কেও কোন আইন মানে না। গায়ের জোরে সব কিছু চলছে।

Related posts