November 14, 2018

ঝিনাইদহের নিহত পুরোহিতের বাড়িতে ভারতীয় দুতাবাসের দুই কর্মকর্তা!

জাহিদুর রহমান
ঝিনাইদহ থেকেঃ
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার করাতিপাড়া গ্রামে মঙ্গলবার দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হওয়া পুরোহিত আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলী ওরফে নন্দের বাড়িতে ভারতীয় দুতাবাসের দুই কর্মকর্তা পরিদর্শন করেন।

বুধবার বেলা ১১টার সময় ভারতীয় দুতাবাসের ফাস্ট সেক্রেটারি (রাজনৈতিক) রাজেশ উকাইয়া ও কনসুলার রমা কান্ত গুপ্ত আনন্দ গোপালের শোক সন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানান।

এ সময় ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন, হিন্দু বৈদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি জয়ন্ত সেন দিপু, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্মল চ্যাটাজি, ঝিনাইদহ হিন্দু বৈদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুবির কুমার সমাদ্দার ও পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রেীয় নেতা বাবু কনক কান্তি দাশ উপস্থিত ছিলেন।

ভারতীয় দুতাবাসের দুই কর্মকর্তাকে কাছে পেয়ে নিহত আনন্দ গোপালের স্ত্রী শেফালী গাঙ্গুলী, ছেলে অরুন গাঙ্গুলী, সিন্ধু গাঙ্গুলী, মেয়ে রিনা গাঙ্গুলী, মিনা গাঙ্গুলী ও আর্চনা গাঙ্গুলীসহ পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

দুতাবাসের ফাস্ট সেক্রেটারি (রাজনৈতিক) রাজেশ উকাইয়া ও কনসুলার রমা কান্ত গুপ্ত তাদের ধৈর্য্য ধরার পরামর্শ দেন। এ সময় ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন জানান, এ হত্যাকান্ডের সঠিক কারণ খোজা হচ্ছে। তিনি জানান এ ঘটনার সাথে আইএস এর কোন যোগসুত্র নেই। বাংলাদেশে আতংক ছড়াতেই আইএস এর নামে বিবৃতি দেওয়া হচ্ছে। তিনি পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহায়তার আশ্বাস দিয়ে বলেন, দুর্বৃত্তদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

॥হিন্দু বৈদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি জয়ন্ত সেন দিপু, বলেন পুরোহিত হত্যার বিচার না পেলে আমরা কেন্দ্রীয় ভাবে বৃহৎ আন্দোলনের ডাক দেব। এদিকে পুরোহিত আনন্দ গোপাল হত্যার ২৭ ঘন্টা পার হলেও পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানায় নিহতর ছেলে অরুন গাঙ্গুলী বাদী হয়ে একটি মামলা (মামলা নং ১০) করেছেন। পুলিশ মামলা ও তদন্ত সম্পর্কে বিস্তারিত কিছুই জানাতে পারছে না। জেলার পুলিশ কর্মকর্তারা দফায় দফায় বৈঠক করে হত্যাকারীদের সনাক্ত ও গ্রেফতার করতে কৌশল ঠিক করছেন বলে জানা গেছে।

ভারতীয় দুতাবাসের দুই কর্মকর্তা নিহতের বাড়িতে থেকে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপারের অফিসে যান এবং সেখানে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। উল্লেখ্য গত মঙ্গলবার ঝিনাইদহ সদরের সোনাইখালী গ্রামের মহিষের ভাগাড় নামক স্থানে পুরোহিত আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলী নন্দ (৭০) কে জবাই করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নলডাঙ্গা সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরের পুরোহিত আনন্দ গোপাল একই উপজেলার করাতিপাড়া গ্রামের মৃত সত্য গোপাল গাঙ্গুলীর ছেলে।

হত্যাকান্ড ঘটানোর কিছুক্ষন পরেই হিন্দু পুরোহিত হত্যার দায় স্বীকার করে জঙ্গি সংগঠন আইএস বিবৃতি দেয়। মঙ্গলকার ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে আসা খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি এসএম মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, এ ঘটনার সাথে নিঃসন্দেহে জঙ্গি সংগঠন জড়িত।

ঝিনাইদহের আরো কিছু খবর………।

হরিণাকুন্ডুর ক্লিনিক ব্যবসায়ী খুনে অংশ নেয় পাঁচ সন্ত্রাসী!

চুয়াডাঙ্গায় ক্লিনিক ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম হত্যায় পাঁচ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী অংশ নেয়। লুঙ্গি পরা ও খালি গায়ে থাকা এ সন্ত্রাসীদের মুখে গামছা বাঁধা ছিল। এদের চারজনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ও একজনের হাতে ছিল রামদা। নজরুল হত্যার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী মোঃ আব্দুল্লাহর কাছ থেকে পুলিশ এ তথ্য পেয়েছে। তাঁর বর্ণনামতে, গত সোমবার তিনি ও নজরুল মোটরসাইকেলে করে ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুর থেকে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার তিওরবিলা গ্রামে বাড়িতে ফিরছিলেন।

গ্রামের দোলেখাল মাঠে পৌঁছালে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা নজরুলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া। এতে মোটরসাইকেলসহ তাঁরা দুজনেই পড়ে যান। তিনি পালিয়ে গেলে নজরুলকে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে খুনিরা এলাকা ত্যাগ করে। এ ঘটনায় নজরুলের ভাই মো. আকতারুজ্জামান বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় গতকাল মামলা করেছেন। এতে অজ্ঞাতপরিচয় সন্ত্রাসীদের আসামি করা হলেও তিওরবিলা গ্রামের ছয়জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই তালিকায় নজরুলের বাবার হত্যাকারীরাও রয়েছেন। থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী রাসেলকে মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নজরুল ইসলাম ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু শহরে আনোয়ার ক্লিনিক নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ বাজারেও তাঁর আরেকটি ক্লিনিক আছে। গ্রামের বাড়িতে নজরুলের ১০ বছর ও তিন মাস বয়সী দুই ছেলেকে নিয়ে তাঁর স্ত্রী থাকেন। তাঁর গোপনে বিয়ের ব্যাপারে গুঞ্জন রয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা সূত্রে জানা যায়, নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে আলমডাঙ্গা থানায় চারটি মামলা রয়েছে। এলাকার সন্ত্রাসীদের সঙ্গেও তাঁর সখ্য ছিল। আট মাস আগে একটি অপহরণ মামলায় তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। দুই মাস আগে কারামুক্ত হয়ে তিনি বাড়ি ফিরে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে ভোট করেন। চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, ঘটনার রহস্য উন্মোচন করতে ও খুনিদের ধরতে অভিযান চলছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী সন্ত্রাসীদের হাতেই নজরুল খুন হয়েছেন। অভিযোগ পাওয়া গেছে নজরুলের বাবার খুনিসহ ফাসির দন্ড থেকে মুক্ত আসামীরা মিলে এলাকায় নতুন বাহিনী গঠন করেছে।

ভারি অস্ত্রে সজ্জিত এই বাহিনীর সদস্যরা আলমডাঙ্গা, হরিণাকুন্ডু ও চুয়াডাঙ্গা সদরের বেশ কয়েকটি গ্রামে চলাফেরা করছে। পুলিশের একটি সুত্র এমন খবর উড়িয়ে দেয় নি। সন্ত্রাসীরা হরিণাকুন্ডুর রিশখালী, হিঙ্গেরপাড়া, কুতুবপুর, তিওরবিলাসহ আলমডাঙ্গা প্রত্যন্ত অ ল দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বলে পুলিশের ওই সুত্রটি জানায়।

কালীগঞ্জের এলাকাবাসী কেঁচো চাষ করে স্বাবলম্বী !

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ও রায়গ্রাম ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের হাজারো দরিদ্র নারী কেঁচো চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন।

তারা কয়েক বছর ধরে সংসারের দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি এ কাজ করছেন। ফলে একদিকে কেঁচো ও সার বিক্রি করে প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের টাকা আয় করছেন। অন্যদিকে কৃষি জমিতে বিষমুক্ত স্বাস্থ্যকর ফসল উৎপাদনহচ্ছে। এতে কৃষি খরচ অর্ধেক কমে গেছে।কালীগঞ্জ উপজেলার মোস্তবাপুর গ্রামে ৮৫, দাপনা গ্রামের ৭৫, মহেশ্বরদাচা গ্রামের ৯০, নিয়ামতপুর গ্রামের ৬৫, মহিষাডোরা গ্রামের ৪৬, বলরামপুর গ্রামের ১৬১, অনুপমপুর গ্রামের ৬১, হরিগোবিন্দপুর গ্রামে ৫৬, আড়ুয়াশলুয়া গ্রামে ৬১, বলাকান্দর গ্রামের ৫১, ভোলপাড়া গ্রামের ৫৩, বারোপাখিযা গ্রামের ১২৬, খামারমুন্দয়া গ্রামে ১৪, আগমুন্দিয়া গ্রামে ২৫ এবং মল্লিকপুর গ্রামের ৮১ জনসহ সহাস্রাধিক নারী কেঁচো চাষ করছেন।

দিন দিন তাদের চাষ পদ্ধতি গ্রামের পর গ্রামে ছড়িয়ে পড়ছে। এসব গ্রামের নারী কৃষকরা গৃহস্থালি কাজের পাশাপাশি কেঁচোকম্পোস্ট সার উৎপাদনের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন।তাদের বেশিরভাগই স্বামী পরিত্যক্তা ও বিধবা । কেঁচো কম্পোস্ট তৈরির পদ্ধতি সম্পর্কে তারা জানান, বাড়ির আঙ্গিনায় মাটিতে গর্ত বা পাকা হাউজ করে খুব সহজেইকেঁচো কম্পোস্ট তৈরি করা যায়। এরপর গর্ত বা হাউজে গরুর গোবর, গরুর মূত্র, নিমগাছের পাতাসহ বাড়ির ময়লা আবর্জনা দিয়ে ভরাট করার পর বিশেষ ধরনের কেঁচো ছেড়ে দেয়া হয়। এসব কেঁচো ময়লা আবর্জনা খেয়ে আদর্শ জৈব সার উৎপাদন করে। এতে সময় ৩০ থেকে ৩৫ দিন লাগে। নিজের জমিতে দেয়ার পর অতিরিক্ত সার ১০ টাকা কেজি দামে বিক্রি করা হয়। এক কেজি কেঁচো ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা বিক্রি হয়।উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়নের মোস্তফাপুর গ্রামের কৃষাণী মনোয়ারা বেগম জানান,

তারা জাপান ভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ড থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছিলেন। বর্তমানে তিনি সচ্ছল। প্রতি মাসে কেঁচো ও সার বিক্রি করে প্রায় ১৫ হাজার টাকা আয় হয়। সংসারের কারো ওপর নির্ভর করতে হয় না। আগে তার কাঁচা ঘর ছিল। এখন পাকা ঘর। দুধ খাওয়ার জন্য একটি গাভী কিনেছেন।এ ছাড়া বিষমুক্ত সবজি ও ফসল উৎপাদন করছেন। তিনি কৃষি ও সমাজ উন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য এ পর্যন্ত ৫ বার জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পুরস্কৃত হয়েছেন।বলরামপুর গ্রামের কৃষাণী মরজিনা খাতুন জানান, নারীদের অধিকার আদায়ে সংগঠিত করা ও কৃষিতে বিশেষ অবদান রাখায় ২০১৩ সালে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি হয়ে ভিয়েতনাম পরিদর্শন করেছেন।

সেখান থেকে জৈব সার ব্যবহার করে উন্নত চাষ পদ্ধতি রপ্ত করেছেন। বর্তমানে তিনি প্রতিমাসে ১২ হাজার টাকার বেশিআয় করেন।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও বিশেষ সাফল্যের জন্য ২০১৪ সালে তাকে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার প্রদান করেছেন। একই গ্রামের রাজিয়া খাতুন জানান, কেঁচো কম্পোস্ট উৎপাদন এবং বিক্রি করে ৪৫ শতক জমি কিনেছেন।এ ছাড়া পাকা বাড়ি করেছেন। তার অক্ষম প্রতিবন্ধী স্বামীর সংসারে একমাত্র আয়েরউৎস কেঁচো কম্পোস্ট।

নিয়ামতপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাজেদুর রহমান লিটন জানান, কেঁচো কম্পোস্ট এলাকার কৃষিতে বিশাল এক বিপ্লব সৃষ্টি হয়েছে। পুরুষের পাশাপাশি এলাকার স্বামী পরিত্যক্তা, বিধবা ও দরিদ্র মহিলারা কেঁচো কম্পোস্ট উৎপাদন করে। এলাকার প্রায় প্রতিটি বাড়িতে কেঁচো চাষ হচ্ছে। তিনি এসব পিছিয়ে পড়া নারীদের সফলতা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন।কৃষি বিশেষজ্ঞ ড. এম গুল হোসেন জানান,

কেঁচো দিয়ে তৈরি কম্পোস্ট সারাদেশের কৃষিক্ষেত্রে বিরাট এক পরিবর্তন ঘটিয়ে চলেছে। কৃষি জমিতে কেঁচো কম্পোস্ট পর পর ৩ থেকে ৪ বছর ব্যবহার করলে রাসায়নিক সার ব্যবহার করার প্রয়োজন হবে না। এমনকি কোনো জৈব সার ও কীটনাশক ব্যবহার না করেই চাষ করা সম্ভব। দেশের উর্বর মাটিতে যেসব উপাদান থাকে, তার চেয়ে কেঁচো কম্পোস্ট সারে নাইট্রোজেন ৫ গুণ, ফসফরাস ৭ গুণ এবং পটাশ ১১ গুণ বেশি।এ ছাড়া সালফার, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, বোরন, ম্যাগনিজ, কপার, অ্যালিমুনিয়াম ও জিঙ্কসমৃদ্ধ ।

ফলে মাটির গুণাগুণ অনুযায়ী প্রতিবছর শতকে ৫ থেকে ১০ কেজি কেঁচোকম্পোস্ট ব্যবহার করা হলে ৩ থেকে ৪ বছরে মাটির পূর্ণতা ফিরে আসবে ।

তখন জমিতেকোনো রাসায়নিক সার ব্যবহার করার প্রয়োজন হবে না । এমনকি কোনো ধরনের জৈব সার এবং কীটনাশক ছাড়াই চাষ-আবাদ করা যাবে।ঝিনাইদহ জেলা কৃষি অফিসার আকরামুল হক জানান, কেঁচো কম্পোস্ট বা জৈব সার কৃষি চাষাবাদে দারুণ ফলপ্রসূ ।

এ সার মাটি যেমন সুস্থ রাখে তেমন এ পদ্ধতিতে উৎপাদিত সবজি ও ফসল খেলে সুস্থ জীবন উপভোগ করা যায়।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/রিপন/ডেরি ৮ মে ২০১৬

Related posts