November 21, 2018

‘জানতাম, আমার বলে মুশফিকের ছক্কা মারার যোগ্যতাই নেই!’

স্পোর্টস ডেস্কঃ  ২৩ মার্চ, ২০১৬। না চাইলেও বাংলাদেশের ক্রিকেট দিনটির কথা মনে রাখবে অনেকদিন। সেদিন মৃত্যু হয়েছিল বাংলাদেশের স্বপ্নের। ব্যাঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে সেদিন ভারতের বিপক্ষে তিন বল বাকি থাকতেও দুই রান করতে পারেনি মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন দুই সেট ব্যাটসম্যান, বলা যায় টেকনিক্যালি বাংলাদেশের সবচেয়ে ‘সাউন্ড’ দুই ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। শেষ বলে মুস্তাফিজুর রহমানকে রান আউট করে ১ রানে জিতেছে ভারত।

সেদিন শেষ ওভারে বল হাতে ছিলেন ভারতের ২২ বছর বয়সী হার্দিক পান্ডে। শেষ ওভারে জিততে ১১ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের। মাহমুদ উল্লাহ ১ রান নেবার পরের দুই বলে মুশফিক দুটি বাউন্ডারি মারলেন। কিন্তু, শেষ তিন বলে বদলে যায় ম্যাচের গতিপথ। এক রানের জয়ে খোলা থাকে ভারতের সেমিফাইনালের রাস্তা। আর ছিটকে পড়ে বাংলাদেশ। আর সেই ম্যাচের এত দিন পর এসে সেই ম্যাচ নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করলেন পান্ডে। আর খেলাধুলা বিষয়ক ভারতীয় গণমাধ্যম স্পোর্টসকিডাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি যা বললেন, সেটা শুনলে বাংলাদেশের সমর্থকদের ভাল লাগার কথা নয়। বললেন, ‘ধোনি আমাকে চাপ নিতে বারণ করেছিলেন। তাই সে করলো। কিন্তু ছক্কা হাঁকানো তার সামর্থ্যের বাইরে। না জিতেও সে উদযাপন শুরু করলে আমি তাকে বললাম, ম্যাচ শেষ হয়ে যায়নি।

সব কিছু হারিয়ে বসতে পারে ও। ওরা তখনও দুই রান পিছনে ছিল। রহিম-রিয়াদ দু’জনই নায়কোচিত শট খেলতে গিয়ে উইকেট খোঁয়ালেন। এখানেই বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের অনভিজ্ঞতা ফুটে বেরিয়েছে। যে কোনো জ্ঞান সম্পন্ন ক্রিকেটার ওখান থেকে ম্যাচ জিতে ফিরতো। কিন্তু তারা জয়ের কাছে গিয়ে হার নিয়ে ফিরেছে।’ শেষ বলের ক্ষেত্রে পরিকল্পনা কেমন ছিল?  এমন প্রশ্নের জবাবে পান্ডে বলেন, ‘ধোনি আর আমি  দু’জনই মনে করছিলাম ইয়র্কারের চেয়ে ব্যাক অব লেংথ ডেলিভারি বেশি কার্যকর হবে। টেল এন্ডাররা অনেক সময় ইয়র্কারেও চার মেরে বসতে পারেন। কিন্তু, গুড লেংথে সেটা পারবেন না।’

সূত্রঃ প্রিয়

Related posts