September 20, 2018

‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দেয়া হবে ফ্যাবলেট’

612

ঢাকাঃ   জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মুনায আহমেদ বলেছেন, ‘ভবিষ্যতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি করে ফ্যাবলেট  দেয়া হবে। যার মূল্য তাদের পরিশোধকৃত ফিস থেকে খুব অল্প কিস্তিতে চার বছরে কেটে নেয়া হবে।’

আজ ইন্সটিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (আইএসটি) ২৩তম নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে ৪৪তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পরিচালনায় রয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। দেশের মোট জনসংখ্যার ৪৫ শতাংশ হচ্ছে ১৫ থেকে ৪৫ বছরের মানুষেরা। তাই আমাদের পরিকল্পনা ২০৩০ কে সামনে রেখে। বর্তমান শিক্ষার্থীদের সফলতার ক্ষেত্রে দুটি বিষয় মাথায় রাখা দরকার। একটি হলো কাজ করে যাওয়ার স্মৃতি মনে রাখা। এ বয়সটা হচ্ছে কাজ করে যাওয়ার। এখন যা করবে, ভবিষ্যতে তা তোমার স্মৃতি হিসেবে বেঁচে থাকবে। অন্যটি হলো নেটওয়ার্ক তৈরি করা। মানুষের মাঝে পরিচিতি সৃষ্টি করা। ভবিষ্যতে কর্মক্ষেত্রে যা সহায়ক হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো সহজলভ্য হওয়ায় ভার্চুয়াল বন্ধু হবে। তবে ভার্চুয়াল বন্ধু চূড়ান্ত বন্ধু নয়।’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যাবলী বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সবকাজ এখন অনলাইনভিত্তিক। চলতি বছর থেকে আমরা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর প্রোফাইল আমাদের ওয়েবসাইটে সংরক্ষণ করছি। ১০০ বছর পর্যন্ত এই প্রোফাইলগুলো আমাদের ওয়েবসাইটে সংরক্ষিত থাকবে। তেমনিভাবে শিক্ষকদের প্রোফাইলও ১০০বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা হবে। আর যেসব কলেজ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত হবে সেগুলোর প্রোফাইল আজীবন থাকবে।’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়ন প্রসঙ্গে  ড. মুনায আহমেদ বলেন, ‘ওয়ার্ল্ড ব্যাংক জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। যা শিক্ষার্থীদের পেছনে ব্যয় করা হবে। শিক্ষা সহায়ক অনলাইন কনটেন্ট থাকবে। নতুন নতুন বিষয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। দেশের অন্যতম পর্যটন নগরী কক্সবাজারে দেড় লাখ বিদেশি কাজ করছেন। দেশের বিপুল পরিমাণ টাকা তাদের পেছনে ব্যয় হচ্ছে। দেশের টাকা দেশে রাখার জন্য আমরা ট্যুরিজম, সোলার সায়েন্স, অ্যারোনটিক্যাল সায়েন্স বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার চিন্তা করছি।’

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/রিপন/ডেরি

Related posts