April 21, 2019

জমে উঠেছে পৌর নির্বাচন; প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা!

জাকিরুল ইসলাম সিরাজগঞ্জঃ  আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের ৬টি পৌরসভা নির্বাচনে ২৩ জন মেয়র প্রার্থী ও সংরক্ষিত মহিলাসহ ২৬২জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। নির্বাচনি প্রচারণাও জমে উঠেছে। স্ব-স্ব এলাকায় ডিজিটাল প্যানা ও পোস্টার লাগানোর হিড়িক পড়েছে। প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে লিফলেট বিতরণ করছেন এবং ভোট চাচ্ছেন ভোটারের কাছে। পূর্বের ভুল-ত্রুটির ক্ষমাও চাচ্ছেন ভোটারের কাছে। বিশেষ করে মেয়র ও অনেক কাউন্সিলর প্রার্থী নানা ধরণের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন গোপনে গোপনে। সিরাজগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে ৭ মেয়র প্রার্থীর মধ্যে বিশেষ করে শিল্পপতি আব্দুর রউফ মুক্তা সিরাজী (নৌকা) ও বিএনপি’র এ্যাড. মোকাদ্দেস আলী (ধানের শীষ) এবং স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী নূর -ই-আলম হেলালের (মোবাইল ফোন) নির্বাচনি প্রচারণা জমে উঠেছে।

তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে অনিয়ম, দুর্নীতিমুক্ত ও মাষ্টার পরিকল্পনা করে এই পৌরসভাকে একটি আধুনিক পৌরসভা হিসেবে রুপায়িত করবেন। সেই সাথে শিক্ষা ও মাদকমুক্ত এবং নাগরিক সুবিধাকে অগ্রাধিকার দিবেন বলে জানা যায়। জাপা’র মেয়র প্রার্থী মীর্জা ফারুক আহমেদ (লাঙ্গল), বাসদের মেয়র প্রার্থী নব কুমার কর্মকার (মই), জাসদের মেয়র প্রার্থী নাজমুল ইসলাম মুকুল (মশাল) ও এনপিপি’র মেয়র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম (আম) প্রায় অনুরূপ সুযোগ-সুবিধার দেয়ার কথাও প্রচার করছেন। কাজিপুর পৌরসভায়  মেয়দ পদে নির্বাচন করছেন ৩জন। এর মধ্যে আ’লীগ প্রার্থী হাজী নিজাম উদ্দিন (নৌকা) বলেন, নির্বাচিত হলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সহযোগীতায় এ পৌরসভায় সব ধরনের উন্নয়ন করা হবে। বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী মোঃ মাসুদ রায়হান মুকুল (ধানের শীষ) বলেন, আমি একজন বিএনপি’র সাধারণ কর্মী।

মেয়র পদে নির্বাচিত হলে পৌরবাসীর উন্নয়নে মূখ্য ভূমিকা পালন করবো। স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী আব্দুস ছালাম (নারিকেল গাছ) তিনিও প্রচারে মাঠে রয়েছেন। বেলকুচি পৌরসভা মেয়র পদে নির্বাচন করছেন ৩জন। আ’লীগ প্রার্থী বেগম আশানূর বিশ্বাস (নৌকা) মেয়র নির্বাচিত হলে, একটি মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলবেন এবং মাদকমুক্ত প্রতিশ্রুতি ও নারী সমাজের অধিকার আদায়ে অগ্রণী ভূমিকাও পালন করবেন বলে জানান। বিএনপি প্রার্থী মোঃ আল আমিন ভূইয়া ওরফে জামাল (ধানের শীষ) একই কথা বলছেন নানা ভাবে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম (হাতপাখা)। নির্বাচনি মাঠে তাকে তেমন দেখা যাচ্ছেনা। শাহজাদপুর পৌরসভায় মেয়র পদে নির্বাচন করছেন ৫জন। এখানে আ’লীগ মেয়র প্রাথী হালিমুল হক মিরু (নৌকা) ও বিএনপি মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম (ধানের শীষ) মেয়র নির্বাচিত হলে উন্নয়ন ও পৌরবাসীর নাগরিক সুযোগ-সুবিধার কথা বলছেন।

এছাড়া জাপা’র মেয়র প্রার্থী রাফিকুল ইসলাম (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রহিম (নারিকেল গাছ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মেয়র প্রার্থী নুরুল হক (হাতপাখা) কে নির্বাচনি মাঠে কমবেশী দেখা যাচ্ছে। উল্লাপাড়া পৌরসভায় মেয়র পদে নির্বাচন করছেন ২জন। আ’লীগ মেয়র প্রাথী মোঃ নজরুল ইসলাম (নৌকা) মেয়র নির্বাচিত হলে পৌরসভাকে একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তোলা হবে মর্মে এলাকায় প্রচার করছেন। সেই সাথে রাস্তাঘাট নির্মাণেরও কথা বলছেন। বিএনপি মেয়র প্রার্থী মোঃ বেলাল হোসেন (ধানের শীষ) তিনি মেয়র নির্বাচিত হলে শিক্ষা ও আধুনিক পৌরসেবার মান উন্নয়ন করবেন। এখানে এ দুজনের মধ্যে তুমুল ভোট যুদ্ধ হবে বলে অনেকেই ধারণা করছেন।  রায়গঞ্জ পৌরসভায় মেয়র পদে নির্বাচন করছেন ৩জন।

এর মধ্যে আ’লীগ মেয়র প্রার্থী মোঃ আব্দুল্লাহ আল পাঠান (নৌকা) মেয়র নির্বাচিত হলে, মাদকমুক্ত, রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নে মূখ্য ভূমিকা পালন করবেন বলে জানান। বিএনপি মেয়র প্রার্থী নুর সাঈদ সরকার (ধানের শীষ) তিনি মেয়র নির্বাচিত হলে পৌরসভাকে আধুনিক পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলা হবে মর্মে প্রচার করছেন। স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মোশারফ হোসেন আকন্দ  (মোবাইল ফোন)। তিনিও নির্বাচনি মাঠে রয়েছেন। এখানে ভোট যুদ্ধ হবে আ’লীগ বিএনপির মেয়র প্রার্থীর মধ্যে। তবে প্রচার প্রচারণায় মাঠ গরম করছেন আ’লীগ প্রার্থী।

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন/ডেরি

Related posts