September 25, 2018

জনকণ্ঠ বলছে, উত্তরার অস্ত্র জামায়াত-বিএনপির

ঢাকাঃ  ঢাকার উত্তরা থেকে উদ্ধারকৃত অস্ত্র গোলাবারুদের বিশাল চালানটি বিএনপি-জামায়াত-শিবির-জঙ্গীদের বলে অনেকটাই নিশ্চিত তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। দেশে ভয়াবহ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতেই অস্ত্রের চালানটি আনা হয়েছিল। এরসঙ্গে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্র জড়িত। চক্র দুটি ২০১৩ সাল থেকেই আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে মরিয়া হয়ে আছে। দেশী ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তের অংশ হিসেবে অস্ত্রের চালানটির যোগান এসেছে ভারতের নিষিদ্ধ সংগঠন ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব অসমের (উলফা) কাছ থেকে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হলে উলফা যাতে আবার বাংলাদেশে তাদের ঘাঁটি ঘাড়তে পারে, তার অংশ হিসেবেই অস্ত্রের চালানটি সরকার বিরোধীদের কাছে হস্তান্তরের চেষ্টা হয়েছিল। বড় ধরনের অস্ত্রের চালান ধরা পড়ায় বড় ধরনের নাশকতার হাত থেকে দেশ রক্ষা পেয়েছে। সোমবার ডিএমপি কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া এক সংবাদ সম্মেলনেও এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন।

বলেছেন, এতবড় অস্ত্রের চালান আনার সঙ্গে কোন সাধারণ বা কোন অস্ত্র ব্যবসায়ী চক্রের জড়িত থাকার সম্ভবনা নেই বললেই চলে। স্বাভাবিকভাবেই এতবড় অস্ত্র গোলাবারুদের চালানের সঙ্গে দেশী-বিদেশী চক্র জড়িত থাকার বিষয়টি স্পষ্ট। ধারণা করা হচ্ছে, ২০১৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত যারা দেশে নাশকতামূলক কর্মকা- চালিয়ে সরকার উৎখাতের চেষ্টা করছে, তারাই এমন অস্ত্রের চালান আনতে পারে। প্রসঙ্গত, বিএনপি-জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীরা দেশব্যাপী তা-ব চালিয়ে দেশে পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকভাবে দেশে একের পর এক শিক্ষক, ব্লগার, প্রকাশক, লেখক, পুরোহিত, ধর্মযাজক ও পুলিশসহ নারী শিশুদের হত্যা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর বর্বর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে।

কমিশনার বলেন, দেশে বড় ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে সরকারবিরোধীরা ক্ষমতাসীন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়। নাশকতা চালিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে হেয় করার যারা চেষ্টা করছে, তারাই এমন বড় অস্ত্রের চালান এনেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। তবে এসব অস্ত্র গোলাবারুদ কতদিন আগে মজুদ করা হয়েছিল তা এখনও নিশ্চিত নয়। সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। সহসাই আবারও এ ধরনের বড় অস্ত্রের চালান আসাও বিচিত্র নয়।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালের চেষ্টার সঙ্গে যারা জড়িত তারাই দেশে বড় ধরনের নাশকতা চালাতে চালানটি এনেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। অস্ত্রগুলো একেবারেই নতুন। পুরোপুরি প্যাকিং করা। এসব অস্ত্র গোলাবারুদ কোন সময়ই ব্যবহৃত হয়নি। পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেসব অস্ত্র ব্যবহার করে থাকে উদ্ধারকৃত পিস্তলগুলোর সঙ্গে তার মিল রয়েছে। তবে একটি অদ্ভুত বিষয়, অস্ত্রের গায়ে সিরিয়াল নম্বর থেকে শুরু করে অনেক কিছুই স্থায়ীভাবে খোদাই করে লেখা রয়েছে। শুধু অস্ত্রগুলো কোন দেশের তৈরি তা লেখা নেই। এ থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট, অস্ত্রের চালানটির সঙ্গে আন্তর্জাতিক চক্র ও চক্রান্ত জড়িত।

চক্রটি যে দেশ অস্ত্র গোলাবারুদগুলো তৈরি করেছে, সেই দেশের অস্ত্র গোলাবারুদ প্রস্তুতকারীসহ ওই দেশের সরকারের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে সম্পৃক্ত তা স্পষ্ট। চক্রটির চাহিদা অনুযায়ী ওই দেশ অস্ত্র গোলাবারুদ তৈরি করে দিলেও, প্রস্তুতকারক দেশ হিসেবে অস্ত্রের গায়ে সে দেশের কোন নাম লেখা হয়নি। এতে আন্তর্জাতিক চক্রান্ত থাকার বিষয়টি দিবালোকের মতো স্পষ্ট করেছে। কোন সময় অস্ত্র গোলাবারুদ ধরা পড়লে যাতে তৈরিকারক দেশ সম্পর্কে কোনদিনই কোন দালিলিক প্রমাণাদি না থাকে এজন্যই ইচ্ছাকৃতভাবে তৈরিকারক দেশ অস্ত্রের গায়ে তাদের দেশের লেখেনি। এটি তৈরিকারক দেশের কৌশল। বিতর্ক এড়াতেই এমন পথ বেছে নিয়েছে, তাতে কোন সন্দেহ নেই। বেআইনীভাবে অস্ত্র গোলাবারুদ বিক্রির সঙ্গে জড়িত দেশগুলো নিজেদের আড়াল করতেই এমন কৌশল অবলম্বন করে থাকে। অস্ত্র গোলাবারুদের কোন দাবিদার বা কারও হেফাজতে না পাওয়া যাওয়ার কারণে, আইন মোতাবেক মামলা না হয়ে জিডি হয়েছে। এ সংক্রান্ত দায়েরকৃত দুটি জিডির তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, শতভাগ নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই চোখ ফাঁকি দিয়ে এসব অস্ত্রগোলাবারুদ কিভাবে কোথা থেকে কারা কি উদ্দেশ্যে সেখানে রেখে গেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আরও কোন অস্ত্রের চালান ঢাকা প্রবেশ করেছে কিনা এজন্য রাজধানীতে ব্লকরেইড পদ্ধতিতে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত আছে। নৃশংস হত্যাকা-ের অধিকাংশ ঘটনারই রহস্য উদঘাটিত হয়েছে দাবি করে কমিশনার বলেন, এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে চালানো ধারাবাহিক অভিযানে এখন পর্যন্ত ৬২ জঙ্গী গ্রেফতার হয়েছে। তাদের কাছ থেকে বেশ কিছু অস্ত্র গোবারুদও উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্র গোলাবারুদের সঙ্গে উত্তরা থেকে উদ্ধারকৃত পিস্তল ও পিস্তলের বুলেটের মিল পাওয়া গেছে।

প্রসঙ্গত, কলাবাগানে জুলহাস মান্নান ও তার বন্ধু তনয় হত্যার পর পালানোর সময় পুলিশ এক জঙ্গীকে ঝাপটে ধরে। ওই জঙ্গী তার ব্যাগ ফেলেই চলে যায়। ফেলে যাওয়া ব্যাগে সেভেন পয়েন্ট সিক্স ফাইভ বোরের বিদেশী পিস্তল উদ্ধার হয়। সেই পিস্তল ও বুলেটের সঙ্গে উত্তরা থেকে উদ্ধারকৃত পিস্তল ও বুলেটের মিল রয়েছে।

ডিএমপির একজন দায়িত্বশীল উর্ধতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, অস্ত্র গোলাবারুদের চালানটি ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার বলে প্রাথমিক তদন্তে অনেকটাই নিশ্চিত হওয়া গেছে। অস্ত্রগুলো চট্টগ্রাম বন্দর না অন্য কোন সীমান্ত দিয়ে ঢাকায় প্রবেশ করেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অস্ত্রের চালানটি হস্তান্তর করার উদ্দেশ্যেই খালের ঝোপঝাড়ের পানিতে রাখা হয়েছিল। সুযোগ বুঝে সেটি কোন গোষ্ঠীর তুলে নেয়ার সম্ভাবনা ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমনকি অস্ত্র গোলাবারুদের চালানটি সরকার বিরোধীদের হাতে হস্তান্তরের উদ্দেশ্যেই নিরাপদ ভেবে সেখানে রাখা হয়ে থাকতে পারে। রাতের আঁধারে নিরিবিলি সময়ে অস্ত্র গোলাবারুদগুলো কোন গোষ্ঠীর নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল বলে অস্ত্র ফেলে রাখার ধরন দেখে বুঝা যাচ্ছে।

এই কর্মকর্তা বলছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর পরই উলফার তৎপরতা বন্ধে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সাঁড়াশি অভিযান চলে। বাংলাদেশের মাটি কোন বিদেশী বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী বা জঙ্গী গোষ্ঠীকে ব্যবহার করতে দেয়া হবে না বলে ঘোষণা দেয় সরকার। সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উলফার ঘাঁটির সন্ধানে সাঁড়াশি অভিযান চালানো অব্যাহত রেখেছে। অভিযানে গুঁড়িয়ে যায় অনেক উলফার ঘাঁটি। একের পর এক আটক হতে থাকে উলফা নেতারা। আবার অনেক উলফা নেতা অভিযানের মুখে পালিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় সেদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়।

অভিযানের পাশাপাশি সর্বশেষ গত বছর বাংলাদেশ থেকে উলফার সাধারণ সম্পাদক অনুপ চেটিয়া ওরফে গোলাপ বড়ুয়াকে তার দুই সহযোগী লক্ষ্মী প্রদীপ গোস্বামী ও বাবুল শর্মাকে ভারতের কাছে হস্তান্তর করে বাংলাদেশ সরকার। এছাড়াও বিভিন্ন সময় উলফা চেয়ারম্যান অরবিন্দ রাজখোয়া, সামরিক শাখার উপ-প্রধান রাজু বড়ুয়া, পররাষ্ট্র সচিব শশধর চৌধুরী, অর্থ সচিব চিত্রবন হাজারিকা, সংস্কৃতি সচিব প্রণতি ডেকা ও শীর্ষ নেতা পরেশ বড়ুয়ার পরিবারের সদস্যসহ অন্তত ২৮ জনকে ভারত সীমান্ত দিয়ে পুশব্যাক করা হয়।

ডিএমপির এই কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, উলফা নেতাদের ভারতে পূশব্যাকসহ বাংলাদেশে উলফার ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিতে আওয়ামী সরকারের কড়া অভিযানে এদেশে উলফার নিরাপদ আস্তানা ও নেটওয়ার্ক পুরোপুরি ভেঙ্গে পড়ে। এতে উলফা আওয়ামী লীগ সরকারের উপর চরম ক্ষিপ্ত। উলফা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে সক্রিয় হয়ে ওঠে। ভারতীয় এই বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনটি বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। তারা আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টাকারী বিএনপি-জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীদের সঙ্গে হাত মেলায়। বাংলাদেশে ব্যাপক জঙ্গী তৎপরতা ও নাশকতামূলক কর্মকা-ের সঙ্গে জড়িতদের অস্ত্র গোলাবারুদ দিয়ে সহায়তা করতে তৎপর হয়ে পড়ে। যাতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হলে উলফা আবার বাংলাদেশে তাদের নিরাপদ ঘাঁটি গাড়তে পারে। এমন আশায় উলফা আন্তর্জাতিক মদদে বাংলাদেশে জঙ্গীবাদের ব্যাপক উত্থান ঘটানোর চেষ্টা করতে থাকে। তারই অংশ হিসেবে উলফা তাদের সংগ্রহে থাকা জব্দকৃত অস্ত্রের বড় চালানটি দেয়ার জন্য সেখানে রেখে যেতে পারে।

এসব অস্ত্রের পুরোটাই জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীদের হাতে হস্তান্তর করার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে সার্বিক পর্যালোচনায় এবং প্রাথমিক তদন্তে মনে হয়েছে। যেসব অস্ত্রগোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছে, এর চেয়েও ভারি অস্ত্র গোলাবারুদ ইতোপূর্বে জামায়াত-শিবির ও জঙ্গী গোষ্ঠীগুলোর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়ার নজির রেকর্ড আছে। উদ্ধারকৃত পিস্তলগুলো পেশাদার সন্ত্রাসী ও জঙ্গী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। তবে পেশাদার সন্ত্রাসীদের কাছে এতবড় অস্ত্রের চালান আসার ন্যূনতম কোন সম্ভাবনা নেই। এছাড়া উদ্ধারকৃত বেয়োনেটগুলো নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন জেএমবি সদস্যদের মধ্যে কমান্ডো নাইফ (গেরিলা চাকু) হিসেবে ব্যবহারের নজির আছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৮ জুন বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে রাজধানীর তুরাগ থানাধীন উত্তরা ১৬ নম্বর সেক্টরের শেষপ্রান্তে মিরপুর আশুলিয়া বেঁড়িবাঁধ সংলগ্ন বৌদ্ধ মন্দিরের কাছে দিয়াবাড়ি খালের পাড়ে স্ত্রী সন্তান নিয়ে বেড়াচ্ছিলেন তুরাগ থানা থেকে মাসখানেক আগে বদলি হয়ে দক্ষিণখান থানায় যাওয়া কনস্টেবল শহীদুল ইসলাম। তিনি দিয়াবাড়ি খালে নম্বরপ্লেটবিহীন একটি বিলাসবহুল কালো পাজেরো গাড়ি থেকে চার-পাঁচজন লোককে ট্রাভেল ব্যাগ ফেলতে দেখেন। ব্যাগে লাশ ফেলা হচ্ছে ভেবে তিনি তুরাগ থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সেখানে টানা দুই দিন অভিযান চালিয়ে বিশাল অস্ত্র গোলাবারুদের চালান জব্দ করে।

অভিযানে খালের পানিতে ডুবে থাকা সাতটি ট্রাভেল ব্যাগ উদ্ধার হয়। সেই ব্যাগ থেকে উদ্ধার হয় সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু বোরের ৯৫টি ও ২টি দেশীয় পিস্তল, সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু বোবের ১৯২টি ম্যাগজিন, ১০টি ম্যাগজিন গ্লোক পিস্তল, ২৯৫টি এসএমজির (সাব মেশিন গান) ২৬৩টি ম্যাগজিন, ১০টি বেয়োনেট, ১০৪টি ছোট সিলিন্ডার আকারের বুলেট তৈরির বাক্স, নাইন এমএম (নয় মিলিমিটার) পিস্তলের ৮৪০টি তাজা বুলেট, চীনের তৈরি সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু বোরের ২১৭টি তাজা বুলেট ও অস্ত্র পরিষ্কার করার ক্লিনিং রড ১৮৮টি উদ্ধার হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মারুফ হাসান, মনিরুল ইসলাম, যুগ্ম কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়, আব্দুল বাতেনসহ উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উৎসঃ  জনকণ্ঠ

Related posts