November 19, 2018

ছেলেরা ! শুনছো ?

আচ্ছা বালকেরা! তোমরা কি আধাঁর রাতে কিংবা একটু আড়ালে মেয়েদেরকে কাল সাপের মত ভয় পাও? লোকের ভীড়ে কোন মেয়ের দল তোমাদের শরীরে হুড়মুড়িয়ে পড়েছে কখনো? জোড় করে কোন মেয়ে তোমাকে ধর্ষণ করেছে কিংবা কোনদিন শারীরীক নির্য্যাতন করেছে? আশা করি ভদ্র ছেলেদের দল, প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরেই না-বাচক জবাব দিবে। যদি কেউ তেমন উত্তর না দেয় তবে ধরে নিতে হবে সে সত্য লুকাচ্ছে। কেননা আমাদের বোনেরা, মেয়েরাও আজও এমন অধঃপতনের ঝান্ডা ওড়াতে শেখেনি।

কিন্তু জানো কি ছেলেরা! মেয়েরা আধাঁর রাতে কিংবা একটু আড়ালে তোমাদেরকে কাল সাপের মত ভয় পায়। তাদের এ ভয় অমূলক নয়। কেননা লোকের ভীড়ে সুযোগ পেলে তোমাদের হাতগুলো বাইম মাছের মত এদিক সেদিক যায়। পত্রিকার পাতা উল্টালে প্রতিদিন ডজন ডজন ধর্ষণের সংবাদ পড়তে হয়। বন্ধুত্বের সম্পর্কগুলোকেও তারা নিরাপদ মনে করতে পারছে না। শারীরীক নির্য্যাতনের রাশি রাশি দৃষ্টান্ত তোমরা নিয়ত প্রতিষ্ঠা করছো। বদলাবে না তোমরা? বদলানো কি উচিত নয়?

জানো, ওই মেয়েগুলোর কেউ তোমাদের ভাই ভাবে, কেউ-বা সন্তান। তবুও তোমরা এমন আচরণ কেন করবে? যৌবনের তাড়নায় বিবাহ যদি তোমার আবশ্যিক হয়ে যায় তবে বিবাহ করে নাও। তোমার জন্য পাত্রীর অভাব হবে না। প্রয়োজন হলে বাবা-মাকে বাধ্য করো তোমাকে বিবাহ দিতে। তোমার জন্য, গোটা পুরুষ সমাজ অপবাদের বোঝা বইবে কেন? ঘরের মা, বোন, কন্যার মত বাইরের মেয়েগুলোকে মূল্যায়ণ করতে পারো না? তোমাদের আচরণ দেখলে ভয় হয়, তবে কি তোমাদের দ্বারা তোমাদের মা, বোন, কন্যারাও নিরাপদ নয়? রাগে নয় বরং শীতল মষ্কিস্কে ভাবো। যদি নিজেরদের মধ্যে কোন দো্ষ না পাও তবে চরম মিথ্যাচার করার জন্য আমাকে দায়ী করো। আর যদি দোষ পেয়ে যাও তবে দোহাই তোমাদের, শুধরে নাও নিজেকে। সামাজিক অনাচার রোধে তোমার শোধরানোটা খুব জরুরী। বুঝতে পেরেছো?

Related posts