November 17, 2018

চুল পড়া বন্ধে ক্যাস্টর অয়েল কিভাবে ব্যবহার করবেন?

pt_CO-gr1

লাইফ স্টাইল ডেস্কঃ শুধুমাত্র ক্যাস্টর অয়েল হাতে তালুতে নিয়ে চুলের গোঁড়ায়, মাথার ত্বক থেকে চুলের ডগা পর্যন্ত ভালো করে ম্যাসেজ করার অভ্যাস অনেকটা পরিবর্তন আনতে সক্ষম।
– তবে লক্ষ্য রাখবেন অতিরিক্ত তেল ব্যবহার যাতে না করা হয়। কারণ ক্যাস্টর অয়েল অন্যান্য তেলের তুলনায় অনেক বেশী ঘন থাকে যা ধুয়ে ফেলতে কষ্ট হবে।
– সব চাইতে ভালো ফলাফল পাবেন যদি সারা-রাত ক্যাস্টর অয়েল castor oil চুলে রেখে সকালে ধুয়ে ফেলতে পারেন। কিন্তু যদি হাতে সময় না থাকে তাহলে ১৫-২০ মিনিট চুলে লাগিয়ে রাখুন ক্যাস্টর অয়েল।
– কুসুম গরম পানি দিয়ে প্রথমে চুল ধুয়ে নিন ভালো করে। লক্ষ্য রাখবেন যেন পানি বেশী গরম না হয়ে যায়। ২ ভাগ সাধারণ পানির সাথে ১ ভাগ গরম পানি মিশিয়ে নিন সঠিক তাপমাত্রার জন্য। তারপর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন।
– প্রতিদিন ব্যবহার করতে পারলে খুবই ভালো ফলাফল পাবেন। কিন্তু যদি হাতে সময় না থাকে তাহলে সপ্তাহে ৩-৪ দিন ব্যবহারের চেষ্টা করুন।

যেহেতু ক্যাস্টর অয়েল খুব ঘন তাই এটি চুলে লাগানোর পূর্বে রেগুলার চুলের তেল (কোকোনাট অয়েল, অলিভ অয়েল, আমন্ড অয়েল) এর সাথে মিশিয়ে লাগালে সুবিধা হবে। স্ক্যাল্পে ভালো মতো ম্যাসাজ করে কমপক্ষে ২ ঘণ্টা রাখতে হবে। তেল লাগানোর পর হেয়ার ক্যাপ অথবা হট টাওয়েল চুলে পেঁচিযে রাখলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। এরপর চুলে শ্যাম্পূ করে কন্ডিশনার ব্যবহারকরতে হবে। আরও ভালো ফল চাইলে তেল লাগিয়ে সারা রাত রেখে দিতে পারেন।- চুলের গ্রোথ বাড়ানোর জন্য হট অয়েল ট্রিটমেন্ট হিসেবেও ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে তেল গরম করে নিতে হবে। প্রক্রিয়া টি সহজকরার জন্য ক্যাস্টর অয়েলের বোতলটি গরম পানির একটি গ্লাসে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এরপর স্ক্যাল্পে ভালো মতো ম্যাসাজ করূন। উপরোক্ত নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহারকরলে আশা করি এক মাসের মধ্যেই ফল পাবেন।

ক্যাস্টর অয়েল এর কিছু হেয়ার মাস্কঃ-

  • এক চা চামচ মধু, দুই চা চামচ ক্যাস্টর অয়েল এবং একটি ডিম ভালো মতো মিশিয়ে চুলে ভালো মতো লাগান। এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পূ করেফেলুন। এটি আপনার নিষ্প্রাণ এবং রুক্ষ চুলের উজ্জলতা বাড়িয়ে একে নরম করবে।
  • – সমান পরিমাণ ক্যাস্টর অয়েল, তিলের তেল এবং অলিভ অয়েল ভালো মতো মিশিয়ে চুলে এবং স্ক্যাল্পে ভালো মতো লাগিয়ে গরম তোয়ালে দিয়ে পেঁচিযে ৩০ মিনিট রাখুন। এরপর শ্যাম্পূ করে ফেলুন। এটি একটি খুবই কার্যকর হেয়ার টনিক হিসেবে কাজ করে যা চুল এবং স্ক্যাল্পকে খুব ভালো ভাবে কন্ডিশন্ড করে এবং চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

ক্যাস্টর অয়েলের সাধারন উপকারিতা সমূহঃ 
– চুল বৃদ্ধি
– খুসকি ও তালুর সমস্যা দূর করে
– পাতলা চুল মোটা করে
– চুলকে কন্ডিসনিং করে
– এটি আপনার চুলকে ঝলমল করবে
– চুলের আগা ফাটা রোধ করে
– চোখের পাপড়ি লম্বা
– চোখের ভ্রূকে ঘন করে
– স্কিন ময়শ্চারাইজার করে
– স্কিনকে বুড়িয়ে যাওয়া থেকে বিলম্ব করে
– রোদে পোড়া চামড়া স্বাভাবিক করে
– শুষ্ক চামড়ার প্রতিকার
– হালকা ব্রণকে দূর করে
– দাউদ দূর করে
– বাতের ব্যথায় আরামদায়ক
– ভঙ্গুর নখের প্রাকৃতিক চিকিত্সা
– ফাটা দাগ ( স্ট্র্যাচ মার্ক ) দূর করে

কোথায় পাবেন কাস্টর অয়েলঃ

বাংলাদেশের বাজারে বেশ কিছু ব্র্যান্ডের কাস্টর অয়েল পাওয়া যায়। কিন্তু এ গুলো বেশির ভাগ নকল বলে পরিলক্ষিত হয়েছে। ২/১ টি রয়েছে যাতে ১০০% কাস্টর অয়েল নয়, তাতে মাত্র ৫% -২০% কাস্টর অয়েল। তাই এ গুলো ব্যাবহারে কার্যকর ফলাফল পাওয়া যায় না।

পিঙ্ক টিউলিপ ব্র্যান্ডের  কাস্টর অয়েলই সবচেয়ে ভালো বলে পরিগণিত হয়েছে। কারন এখানে ১০০% অয়েল, যা সার্টিফাইড,  অরগানিক, ভারজিন ও কোল্ড প্রেসড।  Pink Tulip Organic Virgin Castor Oil সম্পর্কে জানতে পারেন তাঁদের অনলাইন শপের এই লিঙ্ক থেকে https://goo.gl/YCRjuV

আরো বিস্তারিত জানতে, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সরাসরি সহজে যোগাযোগ করতে পারেন এই লিঙ্কে ক্লিক করেঃ https://www.facebook.com/PinkTulipMartUK

 

Related posts