November 21, 2018

চিত্তবিনোদনে পিছিয়ে আছে কক্সবাজারের পর্যটন স্পট গুলো

অজিত কুমার দাশ,
কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ
যে কোন ভ্যাকেশনাল ছুটিতে প্রতিবছরই কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল নামে। সম্ভাবনাময় এ পর্যটন স্পট গুলোতে মনোরম প্রকৃতিক দৃশ্য কিংবা পুরাকৃত্তি অবলোকন করা গেলেও বিনোদনের ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যটক আকর্ষণে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে পর্যটন স্পটগুলো যেমন- সমুদ্র সৈকত, বৌদ্ধ বিহার, আদিনাথ মন্দির কিংবা পাহাড়ি ঝর্ণা সহ বিভিন্ন স্পটে চিত্ত বিনোদন মূলক পার্ক গড়ে তুলতে হবে।

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে প্রাকৃতিক মনোরম আবহ খুঁজে পাওয়া যায় এ শহরে। তাই প্রতিবছরই বিভিন্ন ছুটিতে দেশি-বিদেশি পর্যটকের ঢল নামে কক্সবাজারে। তবে দিনে ঘোরার জায়গা থাকলেও সন্ধ্যার পর পর্যটকদের হোটেল কক্ষেই আবদ্ধ থাকতে হয়। অথচ বিশ্বের অন্যান্য পর্যটন স্পট গুলোতে দিন রাত সময় কাটানোর রয়েছে ব্যবস্থা। তাই বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো কক্সবাজারে দেশি-বিদেশি পর্যটকের কাছে আকৃষ্ট করতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে বিনোদনের ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছে হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাসেম সিকদার।

তিনি বলেন, যদি সরকারি ও বেসরকারি যৌথ ব্যবস্থাপনায় বিনোদনমূলক পার্ক গড়ে তোলার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তাহলে পর্যটকরা কক্সবাজারে আসার জন্য আগ্রহী হবে।

এদিকে, জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বলছেন, পর্যটন উন্নয়নের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তবে দ্রুতই এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, কক্সবাজারের পর্যটন স্পট গুলোতে যতটুকু বিনোদনের ব্যবস্থা আছে তা যথেষ্ট নয়। আমরা চেষ্টা করছি কিভাবে সুস্থ বিনোদনের ব্যবস্থা বাড়ানো যায়। একটু সময় লাগলেও আমরা খুব দ্রুত এটা সম্পূর্ণ করবো।

সূত্রে জানা যায়, পর্যটন নগরী কক্সবাজারে প্রতি বছর ১০ লাখেরও বেশি দেশি-বিদেশি পর্যটক আসেন।

আরও খবর……… 
বর্ষার শুরুতেই বেহাল দশায় কক্সবাজার পৌরসভার রাস্তাঘাট

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র নগরী কক্সবাজার। পাশাপাশি দেড়শবর্ষী কক্সবাজার পৌর শহরের রাস্তাঘাটের বেহাল দশা। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় বিটুমিন উঠে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে রাস্তা গুলোতে। সামান্য বৃষ্টিতেই কাঁদা-পানিতে একাকার হয়ে যায় পুরো এলাকা। ভাঙ্গা রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পৌরবাসী।

ঠিকাদারদের গাফিলতি আর পৌর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন বিশিষ্টজনরা। তবে পৌর মেয়রের দাবী, আগামী কিছুদিনের মধ্যে পৌর এলাকার সকল রাস্তা চলাচলের উপযোগী হবে।

দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে কক্সবাজার পৌরসভার হাসপাতাল সড়কটির এখন বেহাল দশা। ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দের কারণে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে রাস্তাটি। একই দশা পৌর এলাকার মডেল থানার পেছনের রোড, এন্ডারসন রোড, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ রোড, গার্ল হাইস্কুল রোড ও গোলদীঘির পাড় রোড, রুমালিয়ারছড়াসহ বেশ কয়েকটি রাস্তার। ভাঙ্গাচোরা এসব রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পৌরবাসী। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।

ক্ষতিগ্রস্ত এসব রাস্তার মধ্যে এক বছর আগে টেন্ডার হওয়া অনেক কাজ শুরু করে ঠিকাদাররা। তবে কাজের ধীর গতিসহ নানা অজুহাতে কাজ বন্ধ রাখায় ক্ষোভের শেষ নেই স্থানীয়দের।

তবে কক্সবাজার পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র মো. মাহবুবুর রহমান চৌধুরীর আশ্বাস, আগামী কিছু দিনের মধ্যে পৌর এলাকার রাস্তাগুলোকে চলাচলের উপযোগী করে তোলা হবে। আর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুর আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা সমূহের টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হবে।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/রিপন/ডেরি

Related posts