September 26, 2018

চাঁদপুরের মাছের আঁশ বিদেশে!

121
এ কে আজাদ,চাঁদপুর: এখন চাঁদপুর থেকে মাছের আঁশ বিদেশে রপ্তানী হচ্ছে। আগে বাজারে বা বাড়ীতে মাছের আঁশ তুলে ফেলে দেয়া হতো। বেশির ভাগ সময়ই নোংরা স্থানে বর্জ্য হিসেবে এই মছের আঁশ পরিলক্ষিত হতো। অথচ বর্তমানে মাছের আঁশ বিদেশে রপ্তানীর জন্য এখন চাঁদপুর থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে। রপ্তানীকারকরা জানিয়েছেন, এসব আঁশ  বিদেশে নিয়ে ঔষধ ক্যাপসুলের মোড়ক তৈরীর কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রতি কয়েক মাস পর-পর পাইকাররা ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুর এসে এসব আঁশ সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছে। আর স্থানীয় সংগ্রহকারীরা পাচ্ছে প্রচুর টাকা কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী আঁশ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।

মাছের আঁশ সংগ্রহকারী নুরুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন বাজারে ক্রেতাদের মাছ কেঁটে আঁশ সংগ্রহ করে তা ধুয়ে রৌদে শুকানো হয়। আঁশ ভালোভাবে শুকানো হলে তা বাজারজাতের উপযোগী করে বস্তায় বন্দী করে রাখা হয়। ৩/৪ মাস পর ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে পাইকার আসলে মন প্রতি ৪ হাজার টাকায় এসব আঁশ বিক্রি করা হয়। কোন কোন সময় এর চাইতে বেশীও বিক্রি হয়। তারা জানায় এ টাকা অতিরিক্ত আয়ের অংশ হিসেবে তারা পান।
122
আঁশ সংগ্রহকারী পাইকার আল-আমিন জানান, মাছের আঁশ দিয়ে বিদেশে ঔষধ ক্যাপসুলের মোড়ক তৈরী করা হয়।র্  যদিও চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করতে না পারায় কিছুদিন পূবে বিদেশীরা আঁশ সংগ্রহ বন্ধ করে দিয়েছিল। বর্তমানে আবার রপ্তানী শুরু হয়েছে। তবে দাম আগের তুলনায় একটু কম। তারা জানায়, সারাদেশে আঁশ সংগ্রহকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে এবং ভাল মানের আঁশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করলে বিদেশে এসব আঁশ রপ্তানী করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।

সরকার এ ব্যাপারে এগিয়ে আসলে বা কোন দপ্তরকে দেখা শুনার দায়িত্ব দিলে আঁশ সংগ্রহের শ্রমিকের সংখ্যা বাড়তে পারে। এতে বেকারত্বের যেমন সংখ্যা কমবে, তেমনি দেশ উপকৃত হবে।  মাছের আঁশের রপ্তানী বাড়াতে সরকারী সহায়তা প্রয়োজন বলে পর্যবেক্ষক মহল মনে করছেন।

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/রিপন/ডেরি

Related posts