November 15, 2018

চাঁদপুরেও নৌ-যান শ্রমিকদের কর্মবিরতি চলছে, দুর্ভোগে পড়েছে যাত্রী সাধারণ

এ কে আজাদ,
চাঁদপুর প্রতিনিধিঃ
বেতন বৃদ্ধিসহ ১৫ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সারাদেশের ন্যায় চাঁদপুরেও কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন করছে নৌ-যান শ্রমিকরা। এ কারণে মঙ্গলবার থেকে চাঁদপুর ল টার্মিনাল থেকে কোনো ল ছেড়ে যায় নি। অন্যান্য স্থান থেকে ছেড়েও আসেনি। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে যাত্রী সাধারণ। ল চলাচল বন্ধ থাকায় অনেক যাত্রী ঘাটে এসে ফিরে যাচ্ছে। অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির প্রথম দিন থেকেই চাঁদপুরের অধিকাংশ নৌ-যান শ্রমিককে কয়লা ঘাটস্থ পুরাতন টার্মিনাল ঘাটে অলস সময় অতিবাহিত করতে দেখা যায়। অনেকে আবার টিভিতে খবর দেখে সময় কাটায়। বাংলাদেশ নৌ-যান শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদ সোমবার রাত ১২টা ১ মিনিট হতে নৌ-যানে কর্মবিরতি পালনের ডাক দেয়।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও এমভি রফ রফ-২ লে র মাস্টার মোঃ হারুন অর রশিদ জানান, সরকার ঘোষিত বেতন স্কেল কোম্পানী বা মালিকরা মেনে নিলে এবং আমাদের নেতাদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে দায়ের করা রীট মামলা প্রত্যাহার করলে আমরা কাজে যোগ দিবো।

চাঁদপুর নৌ-যান শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক রৌশন মাস্টার (বোগদাদীয়া-৯) জানান, যাত্রীদের কষ্ট দেয়ার কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই। সর্বনিম্ন ৩ হাজার টাকা থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা বেতনে নৌ-যান শ্রমিকরা কাজ করছে। অনেক কষ্টে তাদের জীবন সংসার চলছে। সরকার ঘোষিত বেতন স্কেল মালিক ও কোম্পানীরা মানছে না। এমভি প্রিন্স অব রাসেল-৩ লে র মাস্টার সাহাবুদ্দিন বলেন, নৌ-যান শ্রমিকদের সর্বনিম্ন বেতন ১০ হাজার টাকা মালিক পক্ষকে মানতে হবে। সরকার যে বেতন স্কেল ঠিক করে দিয়েছে মালিক পক্ষ তা না দেয় তাহলে কর্মবিরতি চলবে। চাঁদপুর নৌ-যান শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক বিপ্লব সরকার, রফ রফ লে র ইনচার্জ ড্রাইভার সিরাজ, ঈগল-১ লে র মাস্টার মোঃ শহীদুল ইসলাম বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা জাহাজে উঠবো না।

এদিকে বিষয়টি সুরহার জন্যে আজ বুধবার ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে বৈঠকে বসছেন নৌ-যান মালিক-শ্রমিক ও সরকারের প্রতিনিধিগণ।

Related posts