September 25, 2018

চট্টগ্রামে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি

aঢাকা::

ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ কেটে গেলেও শুরু হয়েছে ভারী বর্ষণ। মোরার প্রভাবে নগরীতে ভারী বৃষ্টিপাত এবং জোয়ারের কারণে নিম্নাঞ্চল জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। স্থবির হয়ে পড়ে নগরীর স্বাভাবিক জীবনযাপন। মঙ্গলাবর সকাল ৯টা থেকে আজ বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২২৫ দশমিক ২ মিলিমিটার (মিমি) বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে। থেমে থেমে চলা ভারী বর্ষণে পথচারী যানবাহন চালক ও যাত্রী, কর্মস্থল ও বাসামুখী লোকজন বাসাবাড়ির নিচতলা ও দোকানিদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

ভারী বর্ষণের ফলে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ষোলশহর দুই নম্বর গেট, এসপি অফিসের সামনে, প্রবর্তক মোড়, কমার্স কলেজ এলাকা এক্সেস রোড, ছোটপুল, মুহুরী পাড়া, শান্তিবাগ আবাসিকসহ বিভিন্ন স্থানে সড়কের উপর হাটু পানি জমে গেছে।

পতেঙ্গ আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে , মঙ্গলাবর সকাল ৯টা থেকে বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২২৫ দশমিক ২ মিলিমিটার (মিমি) বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৈরী এ আবহাওয়া আরও দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন।

নগরীর হালিশহর ছোটপোল এলাকার বাসিন্দা মো. রাসেল জানান, আগ্রাবাদ কমার্স কলেজ, এক্সেস রোড, ছোটপুল, শান্তিবাগ, রঙ্গিপাড়া, মুহুরী পাড়া, হালিশহর, এল ব্লক, কে ব্লকে পানি জমে আছে। বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পানির কারণে খোলা যাচ্ছে না। যেসব সড়ক পানিতে ডুবে গেছে সেসব এলাকা হাটু পানি ডিঙ্গিয়েই গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে হচ্ছে।

নগরীর চকবাজার ঘাসিয়া পাড়া এলাকায় খালের পানি উপচে পড়ে বাড়িতে পানি প্রবেশ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা মো. মুসলিম উদ্দীন খান। তিনি বলেন, ঘাসিয়াপাড়া এলাকায় একপ্রকার পানি বন্দী হয়ে আছে বাসিন্দারা। পানি সরে যাওয়ার সুযোগ না থাকায় জনজীবনে নেমে এসেছে বিপর্যয়। হাটু পানির মধ্যেই ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল-কলেজে যেতে হচ্ছে।

Related posts