September 19, 2018

ঘামের দুর্গন্ধ দূর করবেন যেভাবে

Captureবিনোদন ডেস্ক ::ঘামের দুর্গন্ধ ব্যক্তিত্বের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত ঘাম দুর্গন্ধ হওয়ার প্রধান কারণ। এছাড়াও গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া আর্দ্র এবং উষ্ণ আবহাওয়ায় বৃদ্ধি পায়।

এর জন্য গরমের সময় শরীরে ঘামের দুর্গন্ধ বেশি হয়। তাই ঘামলে যেন দুর্গন্ধ না হয়, সে দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। সে জন্য কিছু বিষয় মেনে চলা প্রয়োজন।

১। পরিষ্কার কাপড় পরুন
অনেক বেশি ঘেমে গেলে পরনের কাপড় পরিবর্তন করে নেয়া ভালো। এতে গন্ধ কমে যায়।  আপনার মোজা জোড়া ও পরিবর্তন করে নিতে ভুলবেন না বিশেষ করে যদি আপনার পায়েও দুর্গন্ধ হয়। জুতার মধ্যে ডিওডোরেন্ট পাউডার ব্যবহার করুন এবং জুতার সোল ঘন ঘন পরিবর্তন করুন। সম্ভব হলে খালি পায়ে থাকুন।

২। নিজেকে পরিষ্কার রাখুন
প্রতিদিন অন্তত একবার গোসল করার চেষ্টা করুন। এর ফলে ত্বকের ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা কমবে। ঘাম মূলত দুর্গন্ধহীন, কিন্তু যখন এর সাথে ত্বকের উপরের ব্যাকটেরিয়া মিশ্রিত হয় তখন তারা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং সামান্য গন্ধের সৃষ্টি করে। তাই শরীরের যেসব স্থানে ঘাম হতে পারে সে স্থানগুলো ধুয়ে ফেললে দুর্গন্ধ হয়না।

যদি আপনার ঘাম স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকে তাহলে আপনার শরীরে দুর্গন্ধ হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে, যাদের ঘাম বেশি হয় তাদের তুলনায়। এর কারণ হচ্ছে, যাদের অনেক বেশি ঘাম হয় তাদের এই অতিরিক্ত ঘামের সাথে গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াও ধুয়ে চলে যায়।

৩। তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন
গোসলের পর তোয়ালে দিয়ে ভালোভাবে শরীর মুছে নিন। ঘাম বেশি হয় যে স্থানগুলোতে সেগুলো খুব ভালো করে শুকিয়ে নেয়া উচিৎ। কারণ ত্বক শুষ্ক থাকলে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি করা কঠিন হয়ে পড়বে।

৪। মসলাযুক্ত খাবার না খাওয়াই ভালো
আপনি যা খান তা আপনার শরীরের গন্ধকে প্রভাবিত করে। মরিচ এবং অন্য মসলাযুক্ত খাবার অনেক বেশি ঘাম সৃষ্টি করে। সুগন্ধি খাবার যেমন- পেঁয়াজ ও রসুন ও ঘাম তৈরিতে ও দুর্গন্ধ সৃষ্টিতে সাহায্য করে। ক্যাফেইন বা অ্যালকোহল গ্রহণ করলেও ঘামের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

৫। অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়া সাবান ব্যবহার করা
ব্যাকটেরিয়ানাশক সাবান দিয়ে গোসল করলে ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা কমে এবং দুর্গন্ধও কমে। সাবান কেনার সময় প্যাকেটে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল শব্দটি আছে কিনা দেখে নিন।

Related posts