March 19, 2019

ঘর বাঁধতে সানির অপেক্ষায় নাসরিন

sunnyক্রিকেটার আরাফাত সানিকে নিয়ে ঘর বাঁধার প্রহর গুনছেন নাসরিন সুলতানা। সবকিছু ঠিক থাকলে সানি কারাগার থেকে জামিনে বের হয়ে এলে তারা দুজন সুখের ঘর বাঁধবেন- এমন আশা ব্যক্ত করেছেন সানির স্ত্রী দাবিদার নাসরিন। নাসরিনের দাবি, তারা ঘর বাঁধবেন- এই মর্মে তাদের মধ্যে আপস হয়েছে।

তবে সানির পরিবার বলছে, সানি-নাসরিনের মধ্যে কী কথা হয়েছে তা তারা জানেন না। সানির মুক্তির পর দুই পরিবার বসে পরবর্তী করণীয় ঠিক করবে।

উল্লেখ্য, নারী নির্যাতন মামলায় ৯ মার্চ সানির জামিন মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ। এছাড়া সানির বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে করা মামলায় বুধবার জামিন আবেদন করা হবে। ওই মামলায়ও জামিন পাবেন সানি। ফলে তার মুক্তিতে আর কোনো বাধা থাকবে না বলে মনে করেন সানির আইনজীবী।

আরাফাত সানির বিরুদ্ধে মোট তিনটি মামলা করেন নাসরিন সুলতানা। গত ২২ জানুয়ারি রাজধানীর আমিনবাজার এলাকা থেকে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় আরাফাত সানিকে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তি আইনে নাসরিন সুলতানা নামে এক তরুণীর করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর তার বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা করেন ওই তরুণী।

মামলা থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর আরাফাত সানির সঙ্গে নাসরিন সুলতানার বিয়ে হয়। গত বছরের ১২ জুন আরাফাত সানি দুজনের কিছু ব্যক্তিগত ছবি এবং ওই তরুণীর কিছু আপত্তিকর ছবি ফেসবুকের ম্যাসেঞ্জারে পাঠান। ছবি পাঠিয়ে আরাফাত সানি ওই তরুণীকে হুমকি দেন।

২৫ নভেম্বর ওই তরুণীকে ফের আপত্তিকর ছবি পাঠিয়ে হুমকি দেন আরাফাত সানি। এ ঘটনায় ওই তরুণী বাদী হয়ে ৫ জানুয়ারি রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা করেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় জামিন নামঞ্জুর করেন সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাইফুল ইসলাম। ১৫ মার্চ এ মামলার ধার্য তারিখ রয়েছে। এই দিন মহানগর হাকিম আদালতে জামিন চাইবেন সানির আইনজীবী।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২৩ জানুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে আরাফাত সানির বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করার অভিযোগে দ্বিতীয় মামলা করেন নাসরিন সুলতানা।

গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য মারধরের অভিযোগে আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে ঢাকার ৪নং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে তৃতীয় মামলা করেন নাসরিন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেন।

৮ ফেব্রুয়ারি আরাফাত সানি ও তার মা নার্গিস আক্তারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি এজাহার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে মোহাম্মদপুর থানা। ১২ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। ৯ মার্চ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা এ মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করেন।

 

Related posts