September 24, 2018

গুলশান থানা পুলিশের নিয়ন্ত্রনে চলছে দেহ ব্যাবসা!

মো:রিয়াজুল ইসলাম: রাজধানীর গুলশান থানার এসআই হারুন, আরিফ ও আজাদ, ড্রাইভার সোহেল ও শামিম এবং ডিসির বডিগাড মোস্তফা এদের নিয়ন্ত্রনে চলছে নর্দ্দা আলাউদ্দিনের বাসার দেহ ব্যাবসা ।জানা গেছে গুলশান জোনের ডিসির তৎপরতায় এই জোনের আওতাধীন থানাগুলোর মধ্যে মাদক ও দেহ ব্যাবসাসহ সব অবৈধ ব্যাবসা কমে আসলেও সম্প্রতি গুলশান থানার নর্দ্দা আলাউদ্দিনের বাসার দেহ ব্যাবসা কিছুতেই নির্মূল করা যাচ্ছেনা।ভিতরে কোন সাংবাদিক প্রবেশ করতে পারছেনা একদিকে বাড়িওয়ালার হুমকি আরেক দিকে বাসা পরিচালনাকারীদের হুমকিতে যাচ্ছেনা কোন রিপোর্ট সংগ্রহ।

এ ব্যাপারে গুলশান জোনের ডিসির কাছে ফোন দিলে তিনি তৎক্ষনাত গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে তাদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবার উক্ত থানার যে সকল দারোগাকে ঐসকল দেহ ব্যাবসায়ীদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেন ঐ সকল দারোগা ঐ বাসায় ফোন দিয়ে বলে যে আমরা আসতেছি তোমরা বাসা থেকে নেমে যাও অর্থাৎ ”চোরকে বলে চুরি করতে আর গৃহস্থালিকে বলে জেগে থাকতে”।আর এক দিকে বাসার আশেপাশে থাকা দালালদের মধ্যে মিজান, আয়েশা-01954523649 বাপ্পি,চান্দু-01938504603. ঝর্না,নাজমা এরা সব সময় কিছু বাসার বাহিরে ও কিছু ভিতরে থাকে, পুলিশ আসলেই তারা বাসায় ফোন দিয়ে তাদেরকে নামিয়ে দেয়।

এভাবে ঐ বাসায় চার বার পুলিশ পাঠানো হয়েছিল কিন্তু একবারও তাদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ এভাবে তারা নাটক করছে দিনের পর দিন। ধ্বংস হচ্ছে যুব সমাজ, স্কুল কলেজের ছাত্র, ছাত্রী কারো মা কারো বোন এসব দারোগাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হচ্ছেনা তানা হলে কিভাবে দিনের পর দিন এভাবে লোক দেখানো নাটক করছে পুলিশ, আর বাড়ির মালিকইবা তাদের নামিয়ে দিচ্ছেনা কেন? আসলে বাড়ির মালিক ও পুলিশ উভয়ই এখান থেকে ফায়দা লুটছে। এলাকাবাসী বাড়ির মালিককে গ্রেফতারের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেবার দাবী জানিয়েছেন।abtvnews24

Related posts