November 14, 2018

গাইবান্ধায় সিআইডি’র বাসায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি

zakir p
স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলা শহরে ভাতিজা ও ছেলেকে হাত-মুখ বেঁধে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সিআইডি’র কর্মকর্তা শাহারুল আলমের বাসায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘঠিত হয়েছে।  সোমবার দিবাগত গভীর রাতে সাদুল্যাপুর উপজেলা শহরতলীর উত্তর কাজিবাড়ি সন্তোলায় এ ডাকাতি ঘটনা ঘটে।
বাসায় থাকা শাহারুল আলমের ভাতিজা সজিব ও ছেলে সাকিব জানান, বাসায় কেউ না থাকায় রাতে খাবার খেয়ে তারা ঘুমিয়ে পড়ে। ৮-১০ জনের সশস্ত্র ডাকাতদল রাতে বাঁশের মই দিয়ে প্রাচীর টপকিয়ে বাসায় ঢোকে। এরপর তারা লোহার সাবল দিয়ে বাসার মুল দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে। পরে দুজনের হাত ও মুখ বেঁধে ধারালো অস্ত্রের মূখে জিম্মি করে ডাকাতরা। এরপর ডাকাতরা তিনটি রুমে থাকা স্টিলের আলমারি ও ওয়ার ড্রপ ভেঙ্গে ৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, একটি পালসার মোটরসাইকেল, একটি ল্যাপটপ, দুটি মোবাইল সেট, ব্লরে ডিভিডি প্লেয়ার, নগদ টাকাসহ ঘরের মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়। এছাড়া ব্যাংকের কাগজপত্র, জমির দলিল ও চাকুরীর কাগজপত্র নিয়ে যায় ডাকাতরা।
সাকিব আরও জানায়, ডাকাতদল প্রায় একঘন্টা সময় বাসার ভেতর অবস্থান করে লুটপাট করে। মালামাল লুটের সময় ডাকাতরা তার বাবা শাহারুল আলম কোথায় আছে তা বারবার জানতে চেয়ে হুমকি দিয়ে মারধর করতে থাকে। এসময় ভয়ে তার বাবা শাহারুল ঢাকায় আছে জানালে বাসা থেকে চলে যায় ডাকাতরা।
বাসার মালিক শাহারুল আলম জানান, তিনি (সিআইডি) রংপুরে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই)। বিভাগীয় পরীক্ষা ও স্ত্রীর অসুস্থ্যতার কারণে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন। এ কারণে বাসায় ভাতিজা ও ছেলে ছিলো। সংঘবদ্ধ ডাকাতরা তার বাসার প্রায় ১২ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে গেছে।
সাদুল্যাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বোরহান উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ডাকাতদের সনাক্ত ও মালামাল উদ্ধারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। জিঞ্জাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে গাইবান্ধা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্যা আল ফারুক ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছে।

Related posts