November 16, 2018

গাইবান্ধায় শোভাবর্ধনে ঝুলছে জাতীয় ফল কাঁঠাল

zakir p

তোফায়েল হোসেন জাকির, গাইবান্ধা: গাইবান্ধার জেলার প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলের বসতবাড়ির আঙ্গিনাতে সম্প্রতি শোভাবর্ধনে ঝুলতে শুরু করেছে জাতীয় ফল কাঁঠাল। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে আশানুরুপ ফলন নয় বলে জানিয়েছন গৃহস্থলীরা।

জেলার বিশেষ করে সাদুল্যাপুর উপজেলার ধাপেরহাটের ছত্রগাছা, নিচপাড়া, বোয়ারীদহ ও বকসীগঞ্জ এলাকায় ব্যাপক হারে কাঠাল গাছ লক্ষণীয়। ওই এলাকার শুধু বসতবাড়িতে নয়, ফসলী জামির দু’ধারে সারি বদ্ধভাবে কাঠাল গাছ রোপন করেছেন কৃষকরা।

ওই এলাকার কৃষক জহুরুল ইসলাম, আনোয়ারু ও রফিকুল ইসলাম জানান, কাঠাল গুলো পাকতে আরও প্রায় এমাস সময় লাগবে। এখানে এমন কোন বাড়ী নেই যেখানে কমপক্ষে ১০-১৫টি করে কাঁঠালগাছ রয়েছে। এখানকার প্রতিটি বাড়িই যেন এক একটি কাঁঠাল বাগান। গাছের শিকর থেকে শুরু করে মগডাল পর্যন্ত থোকা থোকা ধরে থাকা কাঁঠালগুলোই বলে দেয় চাষের জন্য কতটা উপযোগী।
কৃষি বিভাগের সহয়তা ছাড়াই এখানকার মানুষ জন বংশ পরমপরায় কাঁঠাল চাষ করে আসছে যুগ যুগ ধরে। বৈশাখ থেকে শ্রাবণ মাস পর্যন্ত এখানে কাঁঠালের ভরা মৌসুম। আবার কিছু সংখ্যাক পরিবার কাঁঠাল বেচা-কেনা করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন।

এ অঞ্চলের মানুষের আশা উন্নত জাতের কাঁঠাল উৎপাদন, সংরক্ষন ও সম্প্রসারনের পদক্ষেপ নিবে কৃষি বিভাগের কাছে এমনটাই প্রত্যাশা করেন এ অঞ্চলের কাঁঠাল উৎপাদনকারীরা।

সাদুল্যাপুর উপজেলার কৃষি অফিসার খাজানুর রহমান জানান, কাঁঠাল-মুড়ি বাঙ্গালীর একটি ঐতিহ্য খাবার। কাঁঠাল একটি সু-স্বাদু ও রশালো ফল। এছাড়া কাঁঠালের কোন অংশেই ফেলনা যায়না। কাঁঠালের কোয়া ও বিচি মানুষের আহার যোগ্য। ছাল-ছোলা গরু ছাগলের পুষ্টিকর খাদ্য। এখন গাছে গাছে ঝুলতে শুরু করেছে জাতীয় ফল কাঁঠাল।

Related posts