November 14, 2018

গাইবান্ধায় মিথ্যা অপবাদে ফেঁসে গেলেন এক শিক্ষক

index

স্টাফ রিপোর্টার : গাইবান্ধার কোচিং শিক্ষক কামরুজ্জামান শেখ অবশেষে মিথ্যা অপবাদে ফেঁসে গেলেন। নারী ঘটিত অপবাদ নিয়ে তাকে হাজতবাসে যেতে হয়েছে বলে পরিবারের দাবী। এভাবে মিথ্যা অপবাদে আর কারও শিক্ষিত সন্তানকে যেন জেলহাজতে যেতে না হয়, এটাই এখন কামরুজ্জামানের পিতা আঃ রহিম মিয়ার আঁকুতি। শিক্ষক (কোচিং) কামরুজ্জামানের বাড়ি রসুলপুর ইউনিয়নের বৈষ্ণবদাস গ্রামে।

ঘটনার শিকার স্বজনেরা জানান, কামরুজ্জামান পীরগঞ্জ উপজেলার মাদারগঞ্জ আইডিয়াল (আদর্শ) কোচিং সেন্টারে শিক্ষকতা করে আসছিলেন। ওই প্রতিষ্ঠানে একাধিক মাসের বেতন/ভাতা বকেয়া থাকার কারণে চাকুরী হতে অব্যহতি দেন কামরুজ্জামান। এরপর গত বছরের ডিসেম্বর মাসে সাদুল্যাপুর উপজেলার সাবেক তাজপুর ক্রিয়েটিভ কোচিং সেন্টারে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। ফলে আইডিয়াল (আদর্শ) কোচিং সেন্টারের কিছু সংখ্যক মেধাবী শিক্ষার্থী ক্রিয়েটিভ কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়। এতে করে আইডিয়াল কোচিং সেন্টারের শিক্ষার্থী ঘাটতি হলে কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করে আসে একটি স্বার্থন্বেশী মহল।

কামরুজ্জামানের স্বজনেরা আরও বলেন, চাকুরী থেকে অব্যহতি দেয়ায় আইডিয়াল কোচিং সেন্টারের ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে জড়িয়ে অসালিন কথাবার্তা জাহির করতে শুরু করে। তাদের পুর্ব-পরিকল্পনা অব্যহত রেখে ওই ছাত্রীর পিতাকে দিয়ে সাদুল্যাপুর থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। ফলে পুলিশকে দিয়ে কামরুজ্জামানকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

অবশেষে মিথ্যা অপবাদে ফেঁসে গেলেন কোচিং শিক্ষক কামরুজ্জামান শেখ। আর এ বিষয়ে স্থানীয় জনতার মাঝে নানা জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হচ্ছে।

এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্রিয়েটিভ কোচিং সেন্টারের শিক্ষার্থীরা ক্লাস থেকে বিমুখ হয়ে পড়ে। এতে শিক্ষার্থী শুন্য হয়ে পড়লে ক্রিয়েটিভ কোচিং সেন্টারটি একদম বন্ধ হয়ে যায়।

এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ আইডিয়া (আদর্শ) কোচিং সেন্টারের পরিচালক ও চাঁদ করিম মজিবর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের সহ-প্রধান শিক্ষক একেএম হাসান তাপস খাঁনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Related posts