September 26, 2018

গাইবান্ধায় কৃষকের স্বপ্ন পরিচর্যায় ব্যাস্ত নারী কৃষাণী

zakir p

তোফায়েল হোসেন জাকির ॥ শস্য শ্যামলা, সবুজ বাংলার কৃষি প্রধান দেশের গাইবান্ধা জেলার দিগন্ত জুড়ে নজর কাড়ছে ইরি-বোরো ধানের ক্ষেত। কৃষকের কাঙ্খিত স্বপ্নের এ ক্ষেতে আশানারুপ ফলন পেতে সার-কীটনাশক প্রয়োগসহ আগাছা পরিচর্যায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কৃষক ও নারী কৃষাণী। অদম্য কৃষকমহল মৌসুমের শুরু থেকেই ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার এবারে সাথে ইরি-বোরো চাষাবাদে ঝুঁকে পড়েছে।

শুক্রবার বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ঘুরে এসব চিত্র দেখা গেছে। তবে নারী কৃষাণীরা শ্রম মূল্যেও বৈষম্ম শিকার হচ্ছে। কৃষানী কমেলা বেগম ও আনোয়রা বেওয়া অভিযোগ করে বলেন, একজন পুরুষের মজুরী ৩৫০ টাকা, আর মহিলাদের মজুরী দেওয়া হচ্ছে ১৫০টাকা। এ বৈষম্ম থেকে পরিত্রাণ চায় নারী শ্রমিকরা।

চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে গাইবান্ধা জেলায় প্রায় ১ লক্ষ ২৪ হাজার ৫শ’ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

কৃষক জলিল , সোলায়মান ও তছলিম উদ্দিন বলেন, চলমান আবহাওয়ার বিরুপ প্রক্রিয়া না ঘটলে গত বছরের তুলনায় এবার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। বর্গা চাষী জহির উদ্দিন ও আনোয়ার হোসেন সহ আরও অনেক কৃষক জানান, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সার, ডিজেল ও কীটনাশকের মূল্য বৃদ্ধির কারণে বোরো আবাদে কিছুটা ব্যহত হয়েছে।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্ত আবু তাহের মিয়া বলেন, উপজেলার নিচু এলাকার কৃষকরা সেচ পাম্পের সাহায্যে জলাবদ্ধ বিলগুলোর পানি নিষ্কাশন করে বোরো আবাদ করায় গতবারের তুলনায় এ বছর বেশি জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে।

এদিকে কৃষকদের অভিযোগ, কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণকে কখনও মাঠ পর্যায়ে দেখা যায় না। তারা যদি কৃষকদের সঠিক পরামর্শ দিতেন তাহলে অধিক ফলন উৎপাদন করা সম্ভব।

Related posts