September 21, 2018

গাইবান্ধায় অবাধে বালু উত্তোলন করায় ঘরবাড়ী-ফসলি জমি হুমিকর মুখে

zakir p
গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার খরকার দিঘি নামক স্থান থেকে অবাধে বালু উত্তোলনের মহাৎসব চলিয়ে আসছেন একটি প্রভাবশালী মহল। এর ফলে আশাপাশের ঘরবাড়ি ও আবাদী জমি হুমকির মুখে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বানিজ্যিক ভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে বলে এলাকাবাসী জানান।
স্থানীয়রা বলেন, চাঁদকরিম গ্রামের আনোয়ারুল ইসলাম, বুজরুক জামালপুর গ্রামের লুৎফর রহমান ও শেরপুর গ্রামের শ্রী সুনিল চন্দ্র কর্তৃক ফরিদপুর ইউনিয়নের চাঁদকরিম গ্রামের খরকার দিঘিতে বালু উত্তোলন করে লাখ লাখ টাকার বিক্রি করে আসছে। একই স্থান থেকে দীর্ঘদিন বালু উত্তোলন করার কারণে খরকার দিঘিটি প্রায় ৪০ফুট গভীর হয়েছে। যার কারণে দিঘিটির ভাঙ্গল শুরু হয়েছে। এর ফলে দিঘির পাশে অবস্থিত ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয়রা। যে কোনো মূহুর্তে দিঘির গর্ভে বিলীন হতে পরে এসব জমি ও বসবাড়ী।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সরকারী নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে ২ টি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে। উত্তোলনকৃত বালু প্রতিদিন ট্রাক্টর দিয়ে বহন করায় কাঁচা রাস্তাগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে প্রশাসনকে অবগত করানো হলেও এর কোনো প্রতিকার পায়নি বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। এ থেকে পুরিত্রাণ পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ক্ষতির আশঙ্কা মানুষ।
এ বিষয়ে আনোয়ারুল ইসলাম জানান, খরকার দিঘিটি আমাদের মালিকানা। এই দিঘির মালিক আমরা কয়েকজন। দিঘিটি পুনঃখননে গভীর করার লক্ষ্যে বালু উত্তোলন করে আসছি। উত্তোলনকৃত বালুগুলো রাস্তা সংস্কার কাজে বিক্রি করা হচ্ছে বলেন জানান তিনি।
সাদুল্যাপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সঞ্জয় কুমার জানান, খরকার দিঘি নামকস্থানে বালু উত্তোলন হচ্ছে এ বিষয়ে আমার জানা নেই। খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

Related posts