September 19, 2018

গণমানুষের জন্য বাজেট হওয়া উচিৎ—জাপা


রফিকুল ইসলাম রফিক             
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশের ‘প্রবৃদ্ধি, উন্নয়ন ও সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পথে অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক বাজেট উত্থাপন করেছেন গত ২জুন।  ২০১৬-১৭ অর্থবছরে মূলত কেমন বাজেট চাই, এ নিয়ে মানুষের চিন্তা ভাবনা তুলে ধরতে নিয়মিত আয়োজন বাজেট প্রত্যাশা ২০১৬। এ পর্বে পড়–ন বাজেট নিয়ে জেলা জাতীয় পার্টির আহব্বায়ক আবু জাহের, সদস্য সচিব এড. মজিদ খন্দকার ও মহানগরের সদস্য সচিব আকরাম আলী শাহীন বাজেট প্রত্যাশা।

বাজেট প্রত্যাশায় জেলা জাতীয় পার্টির আহব্বায়ক আবু জাহের বলেন, গণমানুষের জন্য বাজেট হওয়া উচিৎ। সাধারণ নাগরীক দের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। তা কমানো প্রয়োজন। এছাড়া ব্যবসা বাণিজ্য প্রসারে ভ্যাট ও ট্যাক্স কমিয়ে আনলে শিল্প আরো ত্বরাণিত হবে। মানুষের কর্মসংস্থান বাড়বে। দেশ এগিয়ে যাবে।

জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব এড. মজিদ খন্দকার বলেন, চলতি বছরের (২০১৬-১৭) বাজেট আশনুরূপ হয়নি। বাজেট সম্পর্কে কেন্দ্রীয়ভাবে চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। আমরা আমাদের প্রতিক্রিয়া জানাবো।

সকল ক্ষেত্রে ভ্যাট কমানোর প্রত্যাশা করে ও নিন্ম আয়ের মানুষদের পেটে লাথি মারার মত বাজেট ঘোষণা হয়েছে উল্লেখ করে মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব আকরাম আলী শাহীন, গতবারের অপূর্ণতা পূরণ করতে এবার ঋণ নির্ভর বাজেট করা হয়েছে। বাজেটের ঋণের বোঝা বাড়ছে। রাষ্ট্রিয় মালিকানাধীন ব্যাংক গুলোর কোট কোটি লোপাট হয়ে গেছে। তার পরেও ২হাজার কোটি টাকা বরাদ্ধ করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে স্বল্প পুঁিজ ব্যবসায়ীর সংখ্যা বেশি হলেও ব্যাংক লোনের ব্যপারে তারা তেমন কোন সহযোগীতা পাচ্ছেন না। ক্ষুদ্র ব্যবসায়িদের জন্য নীতিমালা পরিবর্তন করে ঋণে সুদের হার কমিয়ে আনা এবং সহজ কিস্তির ব্যবস্থা করা হউক।

নারায়ণগঞ্জের আরও খবর……।।

নারায়ণগঞ্জে ভেজাল খাদ্যে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ৩০ লাখ মানুষ

রমজানের ইফতার সামগ্রীতে ভেজাল রোধ ও দ্রব্যমূল্যে উর্ধ্বগতি ঠেকাতে রোজা শুরুর আগেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ টিম মাঠে নামার কথা থাকে। এছাড়াও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন, র‌্যাব বিভিন্ন সময় অভিযানও চালায়। তবে এ বছর রমজানের ৩দিন অতিবাহীত হলেও ভেজাল খাদ্য রোধে মাঠে নেই কেউ। যদিও সারা দেশ জুড়ে এ অভিযান চলছে। নারায়ণগঞ্জে কোন অদৃশ্য কারণে ৩০ লাখ মানুষকে ঠেলে দিচ্ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে।

এদিকে নগরীতে ইফতার সামগ্রীতে মেশানো হচ্ছে বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য। জিলাপি ও মিষ্টিতে ব্যবহৃত হচ্ছে অতিমাত্রায় সোডিয়াম হাইড্রোসালফাইট (হাইড্রোজ)। কাবাব, পেঁয়াজু, বেগুনি ও অন্যান্য ইফতারসামগ্রীতে ব্যবহার হচ্ছে খাওয়ার অনুপযোগী তেল। চিনির পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে সোডিয়াম সাইক্লামেট (ঘন চিনি)। এছাড়া আগের দিনের বাসি ছোলা ধুয়ে রান্না করা হচ্ছে পরের দিন। পোড়া তেলে ভাজা হচ্ছে খাবার। এসব ভেজাল প্রতিরোধে বাজার মনিটরিং কমিটি, স্থানীয়  প্রশাসনসহ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মাঠে থাকার কথা থাকলেও কোন এক অজানা কারণে নিশ্চুপ সবাই। মুখে কুলুব এটেছে মানবঅধিকার, নাগরীক কমিটিসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এনসিসি এলাকার নিরাপদ খাদ্যের বিষয়টি দেখভাল করেন খোদ এনসিসি। এনসিসি’র আওতাভুক্ত এলাকায় ফুটপাতে কোনো খাবারের দোকান খুলতে হলে এনসিসি’র অনুমোদন নিতে হয় এবং কর আদায় করতে হয়। কিন্তু বর্তমানে এনসিসির অনুমোদন ছাড়াই রমজানের ইফতারকে কেন্দ্র করে নগরীর বিভিন্ন ফুটপাতে আগাছার মত গজিয়েছে শতাধিক অস্থায়ী দোকান। ফুটপাতের এসব দোকানে নিম্নমানের ইফতারি বিক্রি করা হয়। যা নিয়ে কোনো ধরণের নজরদারি নেই এনসিসি’র।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ভেজাল ইফতারি হৃদরোগসহ মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে। পোড়া তেলে ভাজা খাবার হৃদপিন্ডে দূষিত রক্তের চাপ বাড়ায়। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।

জেলা সিভিল সার্জন ডা.আশুতোস দাস বলেন, ইফতারি তৈরিতে পোড়া তেলের লাগামহীন অপব্যবহারের পরিণাম ভয়াবহ হতে পারে।

তিনি আরো বলেন, ইফতারে ব্যবহৃত প্রতিটি খাবারই নিরাপদ হতে হবে। দেশে খাদ্যে ভেজালের মাত্রা বেড়ে গেছে। এ থেকে রক্ষা পেতে মানুষকে ভালো ও সুষম খাবার বেশি পরিমাণে খেতে হবে। ভাজা ও অনিরাপদ খাবার গ্রহণের ফলে পেটে এসিড, বদহজম ও ডায়রিয়া হতে পারে। এসব খাবার থেকে সবাইকে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

জেলা তথ্য বাতায়নে নজরদারী নেই<<আপডেট হয় না ডিসি’র ডাটাও

নারায়ণগঞ্জ জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক এ বি এম মমতাজ উদ্দিন আহাম্মেদ হোসেন বদলি হয়েছেন প্রায় ৬ মাস আগে। তার কিছুদিন পূর্বে বদলি হয়েছেন জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র কেমিস্ট মো: মাহিউদ্দিন মানিক। অথচ নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের তথ্য বাতায়নে এখনও তাদের নাম ফোন নাম্বার শোভা পাচ্ছে।
শুধু তাই নয়, জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক এ বি এম মমতাজ উদ্দিন আহাম্মেদ হোসেন ও জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র কেমিস্ট মো: মাহিউদ্দিন মানিক এখনও রয়েছেন স্ব স্ব দায়িত্বে। তবে মমতাজ উদ্দিন আহাম্মেদ হোসেনের মতো এসব কর্মকর্তা কিতাবে থাকলেও বাস্তবে তারা আর নারায়ণগঞ্জে কমর্রত নেই। কিন্তু নারায়ণগঞ্জ জেলা তথ্য বাতায়নে জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কমিটিতে তাদের নাম লেখা থাকলেও সেটি আর হালনাগাদ করা হয়নি। (০৯ জুন) বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ জেলা তথ্য বাতায়নে প্রবেশ করে এমন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।

শুধু কি তাই! তথ্য বাতায়ন সংক্রান্ত যোগাযোগ ও পরামর্শ সংক্রান্ত পাতায়ও এ বি এম মমতাজ উদ্দিন আহাম্মেদ হোসেন ও জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র কেমিস্ট মো: মাহিউদ্দিন মানিক নাম, ছবি এবং ফোন নম্বর লেখা রয়েছে।

সহকারী জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র কেমিস্ট মো: মাহিউদ্দিন মানিকের মুঠোফোনে কল করলে তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা থেকে বহু আগেই চলে এসেছি। পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র কেমিস্ট কর্মকর্তার মতোই অনেক আগেই বদলি হয়েছেন বলে জানান জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক এ বি এম মমতাজ উদ্দিন আহাম্মেদ হোসেন। এভাবেই হালনাগাদ তথ্যের অভাবে নারায়ণগঞ্জ জেলা তথ্য বাতায়ন থেকে সেবাগ্রহীতাদের বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে।

জেলা তথ্য বাতায়নে বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে বিভিন্ন সভার কার্যবিবরণী এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য খুঁজতে গিয়ে দেখা গেছে, এসব তথ্য হালনাগাদে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যেন গরজ নেই। এতে জেলা তথ্য বাতায়নের উদ্দেশ্য অনেক ক্ষেত্রে ব্যাহত হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা তথ্য বাতায়নে দেখা গেছে, জেলা প্রশাসকের দৈনন্দিন কার্যাবলীতে এখনও ঝুলছে ২৮ ডিসেম্বর ২০১৫ সালের তথ্য। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কর্মকান্ড সংক্রান্ত পাতায় জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির নবেম্বরের ২০১৪ মাসের সভার কার্যবিবরণী পোস্ট করা হয়েছে। জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভারও কার্যবিবরণী দেয়া আছে ২০১৩ সালের নবেম্বর মাসের কার্যবিবরণী। অথচ এসব কমিটির সভা প্রতিমাসেই নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয়ে আসলেও জেলা তথ্য বাতায়নে তার আপডেট পাওয়া যাচ্ছে না।

তারাব পৌরসভা মেয়র মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম চৌধুরী ক্ষমতা হারিয়েছেন অনেক আগেই। তারপরেও তারাব পৌরসভা মেয়রের প্রোফাইলে তাদের নাম রয়েছে। অথচ তার ছেড়ে দেয়া পদে তারাব পৌরসভার নতুন করে মেয়র পদে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পান করলেও হালনাগাদ তথ্য জেলা তথ্য বাতায়নে আজও স্থান পায়নি হাসিনা গাজী।

জেলা তথ্য বাতায়নে প্রবেশ করে সরকারি অফিস সমূহের তথ্য পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, কর্মকর্তা হিসেবে পুলিশ সুপার ড. খন্দকার  মহিদ উদ্দিনের নাম ও ছবি রয়েছে। কর্মকর্তা হিসেবে আরও ৩ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জেলায় কর্মরত থাকলেও তাদের কোনো তথ্য সেখানে নেই।

নারায়ণগঞ্জের এক জন সংবাদ কর্মী জানান, অনেক সময় তথ্য বাতায়নে নম্বর দেখে কোনো কর্মকর্তাকে ফোন দিলে তিনি বলেন, আমি তো ভাই বদলি হয়ে এসেছি। আপনি অফিসে যোগাযোগ করেন। এভাবে প্রায়ই বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে। আমার মতো অনেকেই এমন বিড়ম্বনার মুখোমুখি হয়েছেন। জেলা তথ্য বাতায়নে সরকারি বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য থাকা বা নীয়। সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা একটু মনোযোগ দিলেই এটা আপডেট হতে পারে।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাহীন আরা বেগমের সাথে যোগাযোগ করে না পাওয়াতে যোগাযোগ করা হয় জেলা প্রশাসনের তথ্য প্রধানকারী  কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার মোছাঃ ফারহানা আফসানা চৌধুরীর সাথে। তিনি জানান, জেলা পর্যায়ের অফিস গুলোকে জেলা তথ্য বাতায়নের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন তথ্য আপডেট করার জন্য ‘পার্সোনাল আইডি পাসওয়ার্ড’ দেয়া হয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা সেটা না করায় অনেক ক্ষেত্রে পুরনো তথ্য জেলা তথ্য বাতায়নে দেখা যেতে পারে। তারা তাদের তথ্য আপডেট না করলেও আমরা বিভিন্ন সময় তাদের বলেছি আপডেট করার জন্য।

জেলা প্রশাসনের আইসিটি শাখা কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা একটু ইনিশিয়েটিভ নিলে জেলা তথ্য বাতায়নের তথ্য আপডেটেড করা কোনো ব্যাপারই না। এজন্য তাদের ইচ্ছাই যথেষ্ট বলে মনে করেন সচেতন মহল।

স্ত্রীর মামলায় স্বামী শ্রী ঘরে

সিদ্ধিরগঞ্জে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার এক আসামী শাহাদাৎ হোসেন রুবেল (৩০)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে মিমমিজি দক্ষিনপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার কার হয়। গ্রেফতারকৃত রুবেল মিমমিজি দক্ষিনপাড়া এলাকার আঃ মোতালিব এর ছেলে।
সিদ্ধিরগঞ্জে থানার এস আই ওমর ফারুক জানান, রুবেলের স্ত্রী নারায়ণগঞ্জ আদালতে নারী শিশু নির্যাতন ও যৌতুক আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। এ মামলার ওয়ারেন্টে তাকে গ্রেফতার করে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়।

জামাতা বটে!

তুচ্ছ বাকবিতন্ডাকে কেন্দ্র করে সোনারগাঁয়ের সনমান্দী ইউনিয়নের জোয়ারদী গ্রামে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে অহিদ মিয়ার ছেলে হান্নান মিয়া তার স্ত্রী, শ্বশুর, শ্বাশুরী ও শ্যালককে পিটিয়ে আহত করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত বুধবার রাতে পারিবারিক কলহের জেরে উপজেলার জোয়ারদী গ্রামের হান্নান মিয়া তার স্ত্রী সামিয়া আক্তারকে সামান্য মারধর করে। এর প্রতিবাদ করতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উক্ত গৃহবধূর পিতা হানিফ মিয়া তার স্ত্রী ও ছেলে রবিনকে সঙ্গে নিয়ে জামাতা হান্নান মিয়ার বাড়িতে আসে। এ সময় উভয়পক্ষের বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে জামাতা হান্নান তার শ্বশুর হানিফ, শ্বাশুরী ও শ্যালক রবিনকে পিটিয়ে আহত করে। এ ঘটনায় আহত হানিফ মিয়া বৃহস্পতিবার দুপুরে সোনারগাঁ থানায় এসে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এতে জামাতা হানিফ মিয়া ও তার আত্মীয়স্বজনদের বিরুদ্ধে যৌতুক দাবির পাশাপাশি বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাট ও আলমারী ভেঙ্গে নগদ দেড় লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ আনা হয়।

এ ব্যাপারে জামাতা হানিফ মিয়া জানান, সামান্য বাকবিতন্ডার পর হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। যৌতুক দাবি, বাড়িঘর ভাংচুর ও অর্থ লুটপাটের অভিযোগ সত্য নয়। হয়রানী করার উদ্দেশ্যে শ্বশুরবাড়ির লোকজন এসব মিথ্যা অভিযোগ করছে।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের এ প্রসঙ্গে জানান, অভিযোগ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/রিপন/ডেরি ৯ মে ২০১৬

Related posts