December 18, 2018

খতিবদের নিয়ে কথা বলার অধিকার রাখেন না খাদ্যমন্ত্রী

ঢাকাঃ জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘ইফার খুতবা পাঠ না করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে’ খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ বলেছেন, খতিবদের নিয়ে এমন কথা বলার কোনো অধিকার রাখেন না খাদ্যমন্ত্রী।

শনিবার আলাপকালে এমন কথা বলেন বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার সভাপতি ও ঐতিহাসিক শোলাকিয়া জাতীয় ঈদগাহের ইমাম মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের খুতবা পাঠে খতিবদের কেন বাধ্য করবেন তিনি মন্ত্রীর প্রতি এমন প্রশ্ন রেখে মাওলানা মাসঊদ বলেন, ইমাম খতিবদের জন্য সরকারি বেতন স্কেল আছে কি? তাহলে তিনি কেন বাধ্য করতে যাবেন।

এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন শোলাকিয়ার এই ইমাম।

বায়তুল মোকাররমের খুতবা দেশের প্রতিটি মসজিদে বাধ্যতামূলক পাঠ করানোর কোনো অধিকার রাখে না ইসলামিক ফাউন্ডেশন বা সরকারের কেউ বলেও মন্তব্য করেন মাওলানা মাসঊদ।

মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ আরও বলেন, ‘আমার দৃষ্টিতে জুমার খুতবা উন্মক্তই থাকুক। খতিবগণ মুসল্লিদের অবস্থা বুঝে স্বাধীনভাবে আলোচনা করবেন। অবশ্য খুতবা নির্দিষ্ট করে দিতে শরিয়তে কোনো বাধা নেই। কিন্তু সেই নির্দিষ্টকরণ ইসলামিক ফাউন্ডেশন বা সরকার করতে গেলে মুসল্লিরা মেনে নিবে না। এর জন্য দেশের আস্থাভাজন আলেমদের দিয়ে কাজটি করাতে হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ওপর মানুষের কোনো আস্থা নেই।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন তাদের ইতিহাসে কোনো সময়ই এ আস্থা তৈরি করতে পারেনি বলেও মন্তব্য করে তিনি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বর্তমান ডিজি শামিম মোহম্মদ আফজালের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ইমাম সম্মেলনে ব্যালে ড্যান্স মঞ্চায়নকারী ইফা ডিজির উপর এ দেশের আলেমদের কোনো আস্থা নেই। ডাক্তার হিসেবে জাকির নায়েকের ইসলাম বিষয়ক বক্তব্য যেমন গ্রহণযোগ্য নয় তেমনি একজন জজ হিসেবে শামিম মোহাম্মদ আফজালের ইসলাম বিষয়ক বক্তব্যও গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি খুতবা নিয়ন্ত্রণ ও খতিব কাউন্সিল গঠনের যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা আলেমদের মধ্যে আবেদন তৈরি করতে চরমভাবে ব্যর্থ হবে।আস

Related posts